Press "Enter" to skip to content

ঢাকার পল্টন ময়দানের হামলায় জড়িত ১০ জঙ্গির মৃত্যুদন্ডাদেশ

ঢাকাঃ ঢাকার পল্টন ময়দানের ঘটনা গত ২০০১ সালের ২০ জানুয়ারি।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সমাবেশে বোমার হামলার ঘটনায়

৫জন প্রাণ হারান। ১৯ বছর পর সোমবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত

মহানগর দায়রা জজ রবিউল আলম ১০ জঙ্গিকে মৃত্যুদন্ডাদেশ দেন।

আসামিদের মধ্যে মুফতি মঈন উদ্দিন শেখ, আরিফ হাসান সুমন, মাওলানা

সাব্বির আহমেদ, শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ রায় ঘোষণার সময়

আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। বাকিরা পলাতক।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মুফতি মঈন উদ্দিন শেখ, আরিফ হাসান সুমন,

মাওলানা সাব্বির আহমেদ, শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, জাহাঙ্গীর

আলম বদর, মহিবুল মুত্তাকিন, আমিনুল মুরসালিন, মুফতি আবদুল হাই,

মুফতি শফিকুর রহমান ও নুর ইসলাম। জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের

শীর্ষ নেতা মুফতি আবদুল হান্নানও এই মামলার আসামি ছিলেন। অন্য

একটি মামলায় তার ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় এই মামলা থেকে তাকে বাদ

দেওয়া হয়। অপর দিকে ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রামের লালদীঘি

ময়দানে সমাবেশে যাওয়ার পথে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার

গাড়িবহরে পুলিশ এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ২৪ জন মারা যান।

আহত হন দু’শতাধিক মানুষ। এঘটনায় সোমবার চট্টগ্রাম জেলা দায়রা

জজ ইসমাইল হোসেনের ৫জনের প্রাণ দন্ডের রায় ঘোষণা করেন।

বিডিআর বিদ্রোহ কান্ডে ১৩৯ জনকে দেয়া মৃত্যুদন্ডের আদেশ বহাল
ফাইল ফোটো

ঢাকার পল্টন ময়দানের আগেই ১৩৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড

এর আগে ঢাকারসৈন্য বিদ্রোহ মামলায় আদালত ১৩৯ জনকে

মৃত্যদণ্ড দিয়েছে।  সাম্প্রতিক সময়ে, সারা পৃথিবীতে এত লোককে একসাথে

শাস্তি দেওয়া হয়েছে। রায় শোনাবার সময়ে আদালত স্পষ্ট করে বলেছে যে

বিদ্রোহের নামে 57 সেনার অফিসার সহ 74 জনের হত্য কোনও সভ্য

সমাজে সহ্য করতে সক্ষম নয়। অতএব এই পুরো বিদ্রোহের সাথে জড়িত

লোকেরা গণহত্যার সমতুল্য দোষী। এই মামলায় আদালতের রায় মোট

29059 পৃষ্ঠার। আদালত তার রায়টিতে বিদ্রোহের সব দিককে অন্তর্ভুক্ত

করেছে। কোথায় আছে এটি দেশের ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানানো একটি

দেশবিরোধী পদক্ষেপ ছিল। অতএব রাষ্ট্রদ্রোহের ঘটনাটিও একই রকম

হয়। তবে সেনাবাহিনীকে বিদ্রোহ করার জন্য সবচেয়ে গুরুতর বিষয়

রাজ্যের 57 কর্মকর্তা সহ 74 জনকে হত্যা করার ঘটনা। এটি কোন ক্ষমা

করা যায় না। ভবিষ্যতের জন্যও, আদালতের এই সিদ্ধান্ত একটি ব্যবস্থা

স্থাপন করবে সবার কাছে। এটা মনে রাখতে হবে যে দেশের গণতান্ত্রিক

ব্যবস্থায় এই ধরণের বিশৃঙ্খলা সহিংসতা কোনও ছাড় দেওয়া যায় না।

সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অত্যন্ত কঠোর বোধ করার পরে এই জাতীয় কঠোর

সিদ্ধান্ত দেশের ভবিষ্যতের জন্যও প্রয়োজনীয়।


 

Spread the love
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
More from আদালতMore posts in আদালত »
More from তাজা খবরMore posts in তাজা খবর »
More from বাংলাদেশMore posts in বাংলাদেশ »
More from সন্ত্রাসবাদMore posts in সন্ত্রাসবাদ »

One Comment

Leave a Reply

Mission News Theme by Compete Themes.
error: Content is protected !!