Press "Enter" to skip to content

সৃজন কেলেঙ্কারিতে দুই আইএএসের বিচারের অনুমোদন দিলো নীতীশ সরকার

দীপক নওরঙ্গি

ভাগলপুর: সৃজন কেলেঙ্কারিতে অবশেষে দুই আইএএস অফিসারের বিরুদ্ধে মামলা চালাবার

পারমিশান দিতো নীতীশ সরকার। দেশব্যাপী লক-ডাউন চলাকালীন নীতিশ সরকার নিজের

একটি সিদ্ধান্তে বিহারের রাজনীতিকে গরম করে তুলেছে।

ভিডিও তে দেখুন ভাগলপুরের এই রিপোর্ট

মনে রাখতে হবে যে এই সৃজন কেলেঙ্কারিতে নিয়ে বার বার বিরোধী দলগুলি নীতীশ কুমারের বিরুদ্ধ

অভিযোগ এনে গেছে। এটি ঘটছিল কেবল কারণ সাধারণ মানুষ বুঝতে পেরেছিল যে সিবিআই এই

সৃজন কেলেঙ্কারির তদন্তে ইচ্ছাকৃত ভাবে দেরি করে চলেছে। সেই কারণেও বিভিন্ন ধরণের প্রশ্নও উঠে

এসেছে। তবে সুশাসন সরকারের প্রধান নীতীশ কুমার দুটি আইএএস কর্মকর্তা কেপি রামাইয়া এবং

বীরেন্দ্র যাদবের বিরুদ্ধে মামলা দরার অনুমতি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। স্পষ্টভাবে দেখা গেছে যে

বিহারের অনেক বড় বড় কেলেঙ্কারীতে আইএএস অফিসারদের নাম বহুবার উঠেছিল, কিন্তু কারুর

বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত্য কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এই প্রথমবারের মতো দেখা গেছে, যেখানে দুই

আইএএস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বড় ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বিহার সরকারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ

কুমার সৃজন কেলেঙ্কারিতে এটি একটি বড় সিদ্ধান্ত বলে ধরা হচ্ছে। এই দুই আইএএস অফিসার বিভিন্ন

রাজনৈতিক দলের ঘনিষ্ঠ বলে জানা আছে। একজন আইএএস অফিসার কেপি রামাইয়া। বিহার জুড়ে

সবাই তার নাম এক কথায় চেনে।

দুজন আইএএস অফিসারই খুব প্রভাবশালী বলে বিবেচিত

কে পি রামাইয়াকে সুশাসন সরকারের প্রধান নীতীশ কুমারের খুব ঘনিষ্ঠ মনে করা হত।

অন্যদিকে বীরেন্দ্র যাদব প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালু যাদবের খুব ঘনিষ্ঠ বলে বিবেচিত ছিলেন।

সূত্রগুলি খবরে যদি বিশ্বাস করা যায় তবে কয়েক বছর আগে বীরেন্দ্র যাদবের পরিবারের একটি

বিয়ের অনুষ্ঠানে লালু যাদবের উপস্থিতি ছিল শিরোনামে। দু’জন অফিসারই বিহারের প্রভাবশালী

হিসাবে বিবেচিত হন। এই পরিপ্রেক্ষিতে এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারের মামলা চালানোর

অনুমোদনের সিদ্ধান্তকে নিজেরাই একটি বড় সিদ্ধান্ত হিসাবে বিবেচনা করা হয়। জানা গেছে যে

আগামী দিনগুলিতে একজন আইপিএস অফিসারের বিরুদ্ধে এই এক রকম ভাবে সৃজন কেলেঙ্কারিতে

প্রসিকিউশন মঞ্জুরির আদেশ দেওয়া যেতে পারে।

নীতীশ সরকারের সিদ্ধান্ত রাঘব বোয়াল ফাঁসবে

ভাগলপুরে সৃজন কেলেঙ্কারির ঘটনায় সিবিআই এই পদক্ষেপ নিয়েছে। এই স্ক্যামে এছাড়া বেশ কিছূ

অফিসারের নাম আগে থেকেই জানা আছে। এখন দেখতে হবে যেভাবে দুর্নীতিগ্রস্থ আইএএস

অফিসাররা বিহারে আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন, তাদের মনে একটা ভয় রয়েছে। আইএএস এবং

আইপিএস অফিসারদের কড়া ব্যাবস্থা  নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। এ বছর বিহারে বিধানসভা নির্বাচন

হওয়ার কথা। এর পরিপ্রেক্ষিতে কর্মকে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হয়।


 

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
More from রাজ কার্যMore posts in রাজ কার্য »

Be First to Comment

Leave a Reply

Mission News Theme by Compete Themes.
error: Content is protected !!