Press "Enter" to skip to content

মা হওয়ার অদম্য ইচ্ছা কে মান্যতা দিল কলকাতা হাইকোর্ট

  • বিয়ের নয় বছর বাদে স্বামী স্ত্রী একসাথে থাকবে

  • চাকরির কারণে স্বামী স্ত্রী এক সাথ ছিলেন না

  • অনুরোধ জানাবার পরেও শিক্ষা দফতর মানে নি

  • হাইকোর্ট সোজা স্কুল এবং বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছে

আলিপুরদুয়ারঃ মা হওয়ার অদম্য ইচ্ছা কে মান্যতা দিল কলকাতা হাইকোর্ট

বিয়ের নয় বছর বাদে স্বামী স্ত্রী একসাথে মিলিয়ে দিলেন কলকাতা হাইকোর্ট।

আসলে চাকরি ছিল মাদ্রাসা স্কুলে, হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি পেলেন হাই স্কুলে।

পৃথিবীতে এমন কোন মহিলা নেই যিনি মা ডাক শুনতে চান না।বলাবাহুল্য সেই

সুযোগ থাকা সত্ত্বেও স্কুল শিক্ষা দপ্তরের অনুমতি না মেলায় তা হয়ে উঠছিল না।

মুর্শিদাবাদ বেলডাঙ্গা মাদ্রাসা স্কুলে সহ শিক্ষিকা হিসেবে ২০০৩ সালে চাকরীতে

যোগদান করেন গার্গী রায়। ২০১০ সালে আলিপুরদুয়ারের বাসিন্দা স্কুল শিক্ষক

গিরিন্দ্রনাথ বর্মনের সাথে বিয়ে হয় তাঁর।সে বছরই রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দপ্তরের

কাছে বদলি চেয়ে আবেদন করেন। কোচবিহার থেকে মুর্শিদাবাদ এর দূরত্ব ৬৫০

কিলোমিটার। তাই স্কুল করে বাড়ি ফেরা সম্ভবত হত না।

ওই ভাবেই বিয়ের পর থেকেই দীর্ঘ নয় বছর গার্গী দেবীর সাথে তার স্বামীর

সেই অর্থে একসাথে থাকা হতো না। গার্গী দেবীর স্বামী আলিপুরদুয়ারের একটি

স্কুলে শিক্ষকতা করেন।তিনিও ছুটির অভাবে মুর্শিদাবাদে স্ত্রীর কাছে এসে থাকতে

পারতেন না বলে আদালতে জানান।স্বাভাবিকভাবেই দুজনের সাথে দুজনের

যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্নই হয়ে গিয়েছিল।

মা হওয়ার অদম্য ইচ্ছার সমর্থন জানালো হাইকোর্ট

স্কুল শিক্ষিকা নিজের জেলায় বদলি চেয়ে গত পাঁচ বছর ধরে লাগাতার একের পর এক আবেদন জানান রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দপ্তরে।

স্বামী স্ত্রী দুজনেই ভিন্ন জেলায় থাকেন এবং সেই কারণেই তাদের কোনো রকম

সন্তান হয়নি। গার্গী দেবী একাধিক স্ত্রী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে পরামর্শ

করেছেন যাতে করে তিনি মা হতে পারেন।কিন্তু চিকিৎসকরা জানিয়েছেন স্বামী

স্ত্রীকে একসাথে থাকতে হবে এবং তাঁদের দুজনকে একসাথে চিকিৎসা করাতে হবে।

দিনের-পর-দিন ওভাবেই স্বামীর সাথে আলাদা থাকা এবং সন্তান না হওয়ায়

মানসিক অবসাদে ভুগতে শুরু করেন গার্গী দেবী। নিরুপায় হয়ে ২০১৯ সালে

কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই শিক্ষিকা।বুধবার হাইকোর্টের নির্দেশে গার্গী

দেবীকে মাদ্রাসা স্কুলের বদলে তুফানগঞ্জের ইলা দেবী গার্লস হাই স্কুল বদলির

অনুমোদন দেন স্কুল শিক্ষা দপ্তর। এই আদালতের নির্দেশে এবার স্বামী স্ত্রী দুইজনেই

খুশি।


 

Spread the love
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
More from আদালতMore posts in আদালত »
More from কাজMore posts in কাজ »

Be First to Comment

Leave a Reply

Mission News Theme by Compete Themes.
error: Content is protected !!