Press "Enter" to skip to content

পাকিস্তান দূতাবাস কাশ্মীরের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সরাসরি যুক্ত ছিলো

  • এনআইএ সন্ত্রাস কেসের অভিযোগপত্র দাখিল করেছে

প্রতিনিধি

নয়াদিল্লি: পাকিস্তান দূতাবাস কাশ্মীরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রচারে জড়িত ছিল।

জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ আদালতে এ বিষয়ে একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেছে।

এতে বলা হয়েছে যে পাকিস্তানী দূতাবাস এই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আর্থিক সহায়তা দিয়েছে।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে পাকিস্তানি দূতাবাসের কারণে এই সমস্ত সংস্থা

ও এর নেতাদের তহবিল সরবরাহ করা হয়েছে।

তবে এই ব্যাপার নিয়ে এখন পর্য্যন্ত পাকিস্তান দূতাবাস কোন বক্তব্য দেয় নি।

শুক্রবার আদালতে দায়ের করা এই চার্জশিটে বলা হয়েছে যে এই অর্থ বহুবিধ মাধ্যমে দেশবিরোধী সংগঠনগুলিতে স্থানান্তরিত হয়েছে।

এটা পরিষ্কার হয়ে গেছে যে কেবল কাশ্মীরের অশান্তি ও সহিংসতা চালিয়ে যাওয়ার জন্য

এই সংস্থাগুলিকে অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

এই চার্জশিটে যে এনআইএ নেতাদের আসামি করা হয়েছে তাদের মধ্যে ইয়াসিন মালিক,

শব্বির আহমেদ শাহ, মাসরাত আলম, আছিয়া আন্দরবি ও প্রাক্তন বিধায়ক আব্দুল রশিদ শেখ

ওরফে ইঞ্জিনিয়ার শেখ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সংস্থাটি দাবি করেছে যে পাকিস্তানি দূতাবাস এই সমস্ত সংস্থার সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ যোগাযোগ

বজায় রেখেছে।

এই মাধ্যমে, এই লোকদের জন্য অর্থ উপলব্ধ করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি এটিও দাবি করা হয়েছে যে সময়ে সময়ে এই লোকদের দূতাবাসের মাধ্যমেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

এআইএ ২০১৭ সালের মে মাস থেকে বিষয়টি তদন্তের প্রক্রিয়া শুরু করে।

প্রথম চার্জশিটে 12 জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এর মধ্যে হাফিজ মোহাম্মদ সইদ,

যাকে বৈশ্বিক সন্ত্রাসী হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং হিজবুল মুজাহিদিনের প্রধান

সৈয়দ সালাউদ্দিনকেও ১৮ জানুয়ারির চার্জ শিটে অভিযুক্ত করা হয়েছিলো।

পাকিস্তান দূতাবাস কি কি করতো তার প্রমাণ পাওয়া গেছে

এনআইএর মুখপাত্র অলোক মিত্তাল গতকাল জানিয়েছিলেন যে এজেন্সিটি এই ধারাবাহিকতায়

চার শতাধিক ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং ৮৫ টি গুরুত্বপূর্ণ নথি পেয়েছে।

যা দেখায় যে পাকিস্তানী দূতাবাস এতে ভূমিকা পালন করেছে।

এই ধারাবাহিকতায় তদন্তের সময় 125 জন সাক্ষীর বক্তব্যও রেকর্ড করা হয়েছে।

কাশ্মীরে হরতাল ও সহিংস কর্মকাণ্ড পরিচালনা সম্পর্কিত অভিযোগপত্রেও সময়ে সময়ে

এটি নিশ্চিত করা হয়েছে। ধর্মঘট ও অর্থনৈতিক অবরোধের আহ্বানে পাকিস্তানি দূতাবাসের

বহুবার স্পষ্ট ভূমিকাও রয়েছে।

এনআইএর একজন মুখপাত্র বলেছেন যে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সমস্ত প্রমাণ ইতিমধ্যে ছিল।

যা আদালতে জমা করে দেওয়া হয়েছে।

Spread the love

2 Comments

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!