Press "Enter" to skip to content

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হত্যাকারীর রাত বারোটার পরে ফাঁসি হবে

  • গত ২৩ বছর ধরে একটানা পালিয়ে বেড়াচ্ছিলো

  • ১৫ অগস্ট ১৯৭৫ তার বাড়িতে হয়েছিলো হামলা

  • ধরা পড়া অনেক লোকের আগেই ফাঁসি হয়ে গেছে

  • এখনও মামলার ছয় অপরাধী দেশ থেকে পলাত

প্রতিনিধি

ঢাকা: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে খুনি করার অপরাধে যুক্ত থাকা একজনকে আজ মধ্যরাতে

ফাঁসি দেওয়া হবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের তরফ সে সব কিছূ জানান হয়েছে। সরকার যে

ঘোষণা করেছে সেই অনুযায়ী আজ শনিবার ও আগামীকাল রবিবার মধ্যরাতের দিকে রাত

বারোটায় এই ফাঁসি দেওয়া হবে। শহীদুজ্জামান, সচিব, মিডিয়া বিভাগের সচিব এই তথ্য

জানিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের এই ঘাতকের নাম আবদুল মাজেদ। ৪৫ বছর পরে তাকে শাস্তি

দেওয়া হচ্ছে। এখানে ফাঁসি দেওয়ার জন্য সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এই কাজের জন্য, দশ জন

জল্লাদকারীদের একটি বিশেষ দল এখানে নতূন তৈরি ফাঁসিকাঠের সব কিছু যাচাই করে নিয়েছে।

অন্য কারণেও এই ফাঁসি সম্পর্কে অনেক কৌতূহল রয়েছে। আসলে পুরানো ঢাকা থেকে বুড়িগঙ্গার

দক্ষিণ অংশের এই কারাগারে এটিই প্রথম ফাঁসি। তাই এটি কারা প্রশাসনের সকল মানুষের জন্য প্রথম

অভিজ্ঞতা হবে। এর আগে, তাদের কেউ এমনকি ফাঁসি দেওয়ার দায়িত্বও করেনি। প্রথমবারের জন্য

এটির জন্য একটি ফাঁসি কাঠ তৈরি করা হয়েছে।এর আগে এখানে ফাঁসি কাঠ ছিলো না। স্বরাষ্ট্র

মন্ত্রনালয় থেকে স্বীকৃতি পাওয়ার পরে প্রথমবারের মতো ফাঁসি দেবার অনুশীলনও করা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সারা পরিবার নিহত হয়

মনে রাখবেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সারা পরিবারের হত্যা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট

হয়েছিল। একটি দল তাদের বাড়িতে আক্রমণ করে এবং সেখানে উপস্থিত সবাইকে হত্যা করে। শেখ

হাসিনা সেই সময় বাড়িতে না থাকায় তিনি বেঁচে গিয়েছিলেন। এর পরে এই হত্যাকাণ্ড ও এর

ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের নাম এক এক করে তদন্তে বেরিয়ে আসে। শেখ মুজিবের ধনেখালীর

বাড়িতে এই ম্যাসাকার চালানোর জন্য সমস্ত অপরাধীর নাম ও জানতে পারা যায়। এই অপরাধে এর

আগেই গত ২৭শে জানুয়ারী ২০১০, মেজর বজলুল হোদা, আর্টিলারি মুহিউদ্দিন, লে. কর্নেল সৈয়দ

ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার, রশিদ খান ও লানসার মহিউদ্দিন আহমাতকে ফাঁসি দেওয়া

হয়েছিল। মামলার শুনানি শেষে যাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ফাঁসি হতে হবে তাদের মধ্যে সাতজন

এখনও পালিয়ে গেছে। সেই সাত জনের মধ্যে আজিজ পাশা ২০০২ সালে জিম্বাবুয়েতে মারা

গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। আবদুল মাজিদ, যিনি গত ২৩ বছর ধরে আইনটি ফাঁকি দিয়েছিলেন,

তাকে গত মঙ্গলওয়ালে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। নাম বদলে তিনি মিরপুরে লুকিয়ে ছিলেন। ধরা পড়ার

পরে, ইতিমধ্যে জারি করা আদেশের আওতায় তাকে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার মাজেদ তার

পরিবারের পাঁচ সদস্যের সাথেও দেখা করেছেন


 

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  

Be First to Comment

Leave a Reply

Mission News Theme by Compete Themes.
error: Content is protected !!