Press "Enter" to skip to content

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ৬ জঙ্গি ধরা পড়েছে ঢাকায়

প্রতিনিধি

ঢাকাঃ নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার-আল ইসলামের ৬ সদস্যকে আটক করেছে

রেপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ান-৪  ( আরএবি)। ঢাকার উত্তরা, গাজীপুর ও সাতক্ষীরার

শ্যামনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে এই সেনা বাহিনী। আরএবি

জানিয়েছে, আটক জঙ্গি শফিকুল ইসলাম ওরফে সাগর ওরফে সালমান মুক্তাদির (২১),

ইলিয়াস হাওলদার  ওরফে খাত্তাব (৩২), ইকরামুল ইসলাম ওরফে আমীর হামজা (২১),

আমীর হোসাইন ওরফে তাওহীদি জনতার আর্তনাদ (২৬), শিপন মীর ওরফে আব্দুর রব

(৩৩) ও ওয়ালিউল্লাহ ওরফে আব্দুর রহমানের (২৫) কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ উগ্রবাদী

বই, মোবাইল, ল্যাপটপ ও জঙ্গিবাদী ট্রেনিংসহ বিভিন্ন কনটেন্ট জব্দ করনা হয়।

শনিবার ঢাকার কাওরানবাজার র্যা্ব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে আরএবি -৪

এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মোজাম্মেল হক জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি

সংগঠন আনসার-আল ইসলামের সদস্যরা যেকোনো মূল্যে কথিত ইসলামী খেলাফত

প্রতিষ্ঠা করতে গোপনে প্রায় দুই বছর যাবত কর্মকান্ড চালিয়ে আসছিল।

২০১৭ সালের ৫ মার্চ ধর্মভিত্তিক নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামকে

নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আনসার আল ইসলাম এর

আগে নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের পরিবর্তিত নাম।

বিভিন্ন হত্যার ঘটনায় দায় স্বীকারের সময় আনসার আল ইসলাম নিজেদের

আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশের বাংলাদেশ শাখা দাবি করে অনলাইনে

বিবৃতি দিয়েছিল। এ নিয়ে জঙ্গি তৎপরতার জন্য সাতটি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা

করল সরকার। অপর ৬টি হচ্ছে, জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি), জাগ্রত

মুসলিম জনতা বাংলাদেশ (জেএমজেবি), হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশ

(হুজি-বি), শাহাদাৎ-ই আল-হিকমা, হিযবুত তাহরীর  ও আনসারুল্লাহ বাংলা টিম।

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন গুলিতে একে একে নিষেধ করা হয়েছে

এর প্রথম চারটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় ২০০৫ সালে। ২০০৯ সালে নিষিদ্ধ করা হয়

হিযবুত তাহরীরকে। ২০১৫ সালের ২৫ মে নিষিদ্ধ করা হয় আনসারুল্লাহ বাংলা টিমকে।

২০০৭ সালে জন্ম নেওয়া আনসারুল্লাহ বাংলা টিম শুরুতে এ দেশে আল-কায়েদার মতাদর্শ

অনুসারীদের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছিল। শুরুতে এই গোষ্ঠীটি পাঠচক্র ও ইন্টারনেট-

ভিত্তিক প্রচারে যুক্ত ছিল। ২০১৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দারকে

হত্যার পর সংগঠনটি প্রথম আলোচনায় আসে। এরপর ২০১৪ সাল থেকে ২০১৬ সালের

২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ১১ জন ব্লগার,  লেখক, প্রকাশক, ছাত্র-শিক্ষক ও সমকামীদের

অধিকারকর্মীকে হত্যার দায় স্বীকার করে সংগঠনটি।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
More from অপরাধMore posts in অপরাধ »
More from তাজা খবরMore posts in তাজা খবর »
More from বাংলাদেশMore posts in বাংলাদেশ »
More from সন্ত্রাসবাদMore posts in সন্ত্রাসবাদ »

3 Comments

Leave a Reply

Mission News Theme by Compete Themes.
error: Content is protected !!