Press "Enter" to skip to content

চিন্ময়ানন্দের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগকারিনীকে জেলে পাঠালো পুলিশ




শাহজাহানপুরঃ চিন্মায়ানন্দের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগকারিনী আইনের ছাত্রীকে

এসআইটি গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়ে দিয়েছে।

ওই ছাত্রীর বিরুদ্ধে চিন্মায়ানন্দের কাছ থেকে জোর করে টাকা হাতাবার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পুরো ঘটনার একটি ভিডিওও প্রকাশিত হয়েছিল।

তারপর সেই ছাত্রী এবং তার তিন সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল।

বুধবার সকালে গ্রেপ্তারের পরে ছাত্রীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য জেলা হাসপাতালে আনা হয়

এবং তদন্ত শেষে জেলে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তারের বিষয়ে উত্তর প্রদেশে পুলিশে ডিজিপি ওপি সিং বলেছেন যে, স্বামী চিন্মায়ানন্দের কাছ থেকে

অর্থ আদায়ের চেষ্টা করার অভিযোগে বিশেষ তদন্ত দল (এসআইটি) একজন আইনের ছাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে।

আগাম জামিনের জন্য আদালত এসআইটিকে ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে জানাতে বলেছিল।

তারপর এসআইটি বুধবার তাকে গ্রেপ্তার করেছে।

এসআইটি চিফ নবীন অরোরা ফেরার পর আইনের ছাত্রীকে বুধবার সকালে তার বাড়ী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর পরই তার আইনজীবী আগাম জামিনের জন্য আপীল করেন, কিন্তু আদালত তার জামিন খারিজ করে দেয়।

আদালত তাকে ১৪ দিনের জেল হেপাজতে রাখার নির্দেশ দেয়।

এর আগে মঙ্গলবার এসআইটি স্বামী চিন্মায়ানন্দের কাছ থেকে পাঁচ কোটি টাকা আদায়ের দাবিতে ছাত্রীর

দুই সহযোগী বিক্রম ও শচীনকে রিমান্ডে নেয়।

তারা এবং অভিযোগকারিনী প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্বামী চিন্ময়ানন্দের কাছ থেকে টাকা চাওয়ার অভিযোগ স্বীকার করে নেয়।

এসআইটি সেই জায়গাও চিহ্নিত করেছে যেখান থেকে প্রাক্তন মন্ত্রীকে মোবাইলে ম্যাসেজ পাঠানো হয়েছে।

এর পর থেকেই মামলার মোড় ঘুরে গেছে।

কি কারণে এবং কি পরিস্থিতিতে ছাত্রীটি প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিরুদ্ধে এরকম অভিযোগ করলো

এবং তারপর টাকার জন্য চাপ দেওয়া শুরু করল, সেটা এখনও স্পষ্ট নয়।

অন্যদিকে ছাত্রীর সহযোগীরা এই কাজে তাকে সাহায্য করার জন্য অনুতপ্ত বলে জানা গেছে।

যদিও ছাত্রীটির পরিবারের লোকেরা তাকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য আইনি প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।



Spread the love
More from তাজা খবরMore posts in তাজা খবর »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.