My title page contents Press "Enter" to skip to content

মুর্শিদাবাদ সীমান্তে সফট টার্গেট মেয়েরাই




  •  সাইবার ক্রাইম সহ একাধিক বিষয়ে দিশা দেখাতে এগিয়ে এল পুলিশ

মুর্শিদাবাদঃ মুর্শিদাবাদ সীমান্তে সফট টার্গেট মেয়েরাই।

একদিকে চোরাচালান, অন্য দিকে মেয়েদের  উপর বেড়ে চলা হেনস্তা

আর অত্যচার সীমান্তের সমস্যাকে বাড়িয়ে চলেছে বহুগুন।

তাই এবার মুর্শিদাবাদ সীমান্ত এলাকায় সফ্ট টার্গেট হয়ে যাওয়া

মহিলা ব্রিগেডকে চাঙ্গা করতে এগিয়ে আসছে  বেলডাঙ্গা থানার পুলিশ।

ভ্যাপসা গরমে ঘরে প্রায় তিল ধারনের জায়গা নেই।

সাড়া শরীর থেকে চুঁয়ে  পড়ছে ঘাম ।

তবু যেন ক্লান্তি নেই কারোর মধ্যে।

এমনই  এক পরিস্থিতি জেলার প্রত্যন্ত বেলডাঙ্গা এলাকার ভান্ডার দহ বিল লাগোয়া

বয়সের ভারে জীর্ণপ্রায় মানিক নগর হাই স্কুলের হল ঘরে উপস্থিত শ্রোতার মধ্যে।

বেশীর ভাগই  ষোড়শী থেকে বড়জোর অষ্টাদশী ।

সাইবার ক্রাইম, নারী পাচার, বাল্য বিবাহ, যৌন নির্যাতনের সমস্যা থেকে শুরু করে

ভুয়া ব্যাঙ্কিং এর কলের ফাঁদ  থেকে কিভাবে নিজেকে ও আশেপাশের পরিচিতদের বাঁচানো যাবে

সেই সব দিক তুলে ধরতেই এই ব্যাবস্থা।

পুরো বিষয়ের সারবত্তা বুঝিয়ে বলেলেন  বেলডাঙ্গা থানার  ওসি ।

মূলত নবম-দশমের ২০০ র ওপর ছাত্রী, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর প্রায় ১৫০ জন ছাত্রকে

নিয়ে তৈরি হয়েছে আস্ত একটা টিম।

এর মনিটারিং এর দায়িত্বে  থাকবেন  ওসি স্বয়ং।

তিনি বলেন,এই সমস্ত সীমান্তবর্তী গ্রামীণ এলাকায় অপরাধকারীরা তাদের ফাঁদ সাজিয়ে রাখে,

কিভাবে এক জন নাবালিকা সোশ্যাল মিডিয়ার নানান হাতছানির শিকার হয়ে

সাইবার ক্রাইমের জালে জড়িয়ে পড়ে।

পারিপার্শিক চাপে বাল্য বিবাহের জালে পড়া,

তা থেকে মুক্তি এবং দোষীকে কিভাবে আইনের মাধ্যমে উপযুক্ত শিক্ষা দিতে পারবে

তার  ব্যাবস্থা করতেই পড়ুয়াদের নিয়ে (বিশেষত মেয়েদের ) এই টিম তৈরির ভাবনা”।

তিনি আরও বলেন ” সীমান্তে নারী পাচারও একটা বড় সমস্যা।

সেই দিক থেকে স্কুল পড়ুয়াদের সচেতন করাটা খুব দরকার।

অনেক  সময় তাদের ফুঁসলিয়ে অন্যত্র পাচারের ছক কষে অপরাধীরা কাজ হাসিল করে।

আমরা সবরকম সহযোগিতার মধ্যে দিয়ে এই সমস্ত অপরাধ দমনে সচেষ্ট  হচ্ছি”।

মুর্শিদাবাদ সীমান্তে মেয়েদের সচেতন করতে টিম গঠিত

স্কুলের প্রধান শিক্ষক  তাপস কুমার মণ্ডল  জানান,

” আমাদের জেলা সীমান্তে অবস্থিত নানান চক্র এখানে সক্রিয়।

ছোট ছোট মেয়েদের নানান অপরাধের শিকার হতে হয়।

কখনও জোর করে বাল্য বিবাহ, শারীরিক যৌন হেনস্থা, বাদ থাকেনা কিছুই।

তাই এই টিম  তৈরীর ভাবনা।

টিম তাদের অনেক আইনী জ্ঞানে সমৃদ্ধ করবে বলে আশা করি “।

আর যাদের নিয়ে এত কথা সেই তাদেরই একজন একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী তনুশ্রী মণ্ডল যথেষ্টই উচ্ছ্বাসিত।

তার কথায়, ” এই ধরণের আলোচনা হওয়াটা খুব জুরুরি।

যেখানে আমরা আমাদের কথা মন খুলে বলতে পারব এবং

কেউ তা শুনে আমাদেরসঠিক পথ দেখাবেন।

যাতে ভবিষ্যতে আমরা জীবনের সব সমস্যার মোকাবিলা করতে পারি”।

এই টিম তৈরির ভাবনা আগামী দিনে সীমান্তে  বাকিদের কাছে একটা নজির  হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।




Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Mission News Theme by Compete Themes.