My title page contents Press "Enter" to skip to content

লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলে এবার নড়ে চড়়ে বসেছে তৃণমূল কংগ্রেস




  • ২২ বিধানসভার আসন বিশিষ্ট মুর্শিদাবাদের ওপর খোদ নজরদারী তৃনমুল সুপ্রিমোর

মুর্শিদাবাদ: লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলে নড়ে চড়ে বসেছে তৃণমুলের অন্দর মহল।কার্যত বহু আসনেই হিসেবে মেলেনি দলের।

আর এরই মাঝে মুখ রেখেছে মুর্শিদাবাদ।এই প্রথম অধীরের গড় থেকে ২টি আসনে জয় পেয়েছে তৃনমুল।

যদিও অধীর কে হারাবার চ্যালেঞ্জে হেরে গিয়েছে তৃনমুল।

পাশাপাশি বিজেপির ২০২১এর বিধানসভা ভোটের আগেই বিধানসভা দখলের ইঙ্গিতে ঘুম ছুটেছে খোদ তৃনমুল সুপ্রিমোর।

তাই তড়িঘড়ি শুরু হয়েছে ড্যামেজ কন্ট্রোল।

মুর্শিদাবাদ কে কেন্দ্র করে মমতা ড্যামেজ কন্ট্রোল শুরু হয়েছে

যার মধ্যে ২২টি বিধানসভা আসন বিশিষ্ট মুর্শিদাবাদ কেই এবার অন্যতম পাখির চোখ করেই এগোতে চাইছে তৃনমুল নেতৃত্ব বলেই সূত্রের খবর।

তার জন্যেই ঢেলে সাজানো হচ্ছে দলের নিচু তালা থেকে উপর তলার নেতৃত্ব কে।

কোন রকম ফাঁক ফোকর না রেখেই অধীর গড় কে পুরো কব্জায় আনতে মরিয়া দলনেত্রী মমতা ব্যানার্জী।

সেই লক্ষ্যে তৃনমুল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জীর কড়া নির্দেশে ডানা ছাটা হয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলা তৃনমুল সভাপতি তথা সাগরদিঘির বিধায়ক সুব্রত সাহার।

আর তাকে সরিয়ে নতুন জেলা তৃনমুল সভাপতি হিসেবে স্থলাভিষিক্ত করা হল মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের বিজয়ী তৃনমুল পার্থী নওদার আবু তাহের খান কে।

একই সঙ্গে জেলা তৃনমুল নেতৃত্বের একাধিক পদে রদবদলও ঘটনাও হয় ওই নির্দেশিকায়।

লোকসভা নির্বাচনের পরে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা,এই রণ কৌশল যথেষ্ঠ ইঙ্গিতবহ।

এই ব্যাপারে জেলার নতুন দায়িত্ব পাওয়া আবু তাহের খান জানান,”দল নেত্রী যে দায়িত্ব কাঁধে দিয়েছেন

সকল কে সাথে নিয়ে সেই গুরু দায়িত্ব পালন করার মধ্য দিয়ে দলের সংঘঠন কে চাঙ্গা করাই হবে মূল লক্ষ্য”।

উল্লেখ্য এবছর লোকসভা নির্বাচনের মুর্শিদাবাদ কে তিন শুন্য করার লক্ষ্যে আদা নুন খেয়ে মাঠে নামে

তৃনমুল সর্বোচ্চ নেতৃত্ব থেকে জেলা পর্যন্ত।আর সেক্ষত্রে অধীর চৌধুরী কে পরাস্ত করাই যে অন্যতম লক্ষ্য ছিল তা বলাই বাহুল্য।

আসরে নামানো হয় ডাক সাইটে তৃনমুল নেতা তথা মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কে।

অবশ্য তাতে তিনি শুরু থেকেই নিরাশ করেন নি দলকে।

পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে জেলা পরিষদ একে একে সবকটি পৌরসভা এমনকি বহু একাধিক কংগ্রেস বিধায়ক পর্যন্ত তার হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান করেন।

শুধু তাই নয় শুভেন্দু বাবুর দক্ষ নেতৃত্বে ভর করে মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গীপুর এই দুই আসনে সংখ্যালঘু প্রার্থী আবু তাহের খান ও খলিলুর রহমান রেকর্ড ভোটের ব্যবধানে জয় লাভও করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, এই পর্যন্ত সব ঠিক থাকলেও বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্র তৃণমুলের যাবতীয় হিসেব নিকেশ গোলমাল হয়ে যায়।

আর তার ফলেই পাখির চোখ বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রটি তৃণমুলের হাত ছাড়া হয়ে,শেষ পর্যন্ত পঞ্চম বারের জন্য কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাতেই থাকে।

লোকসভা নির্বাচনের ফল বলছে অধীরের এলাকায় তৃণমূল ভাল ফল করতে পারে

এছাড়াও যে পঞ্চায়েত ভোটে অধীরের খাস তালুক বহরমপুরই কংগ্রেস দাঁত ফোটাতে পারেনি।

অথচ এই লোকসভা ভোটে ওই কেন্দ্রে বিভিন্ন বিধানসভা এলাকায় তৃনমুল কংগ্রেস বেশি ভোট পেলেও

বহরমপুর বিধানসভা এলাকা বিশেষ করে বহরমপুর শহর এলাকায় কংগ্রেস প্রার্থী অধীর রঞ্জন চৌধুরী ভোট পেয়েছেন শাসকদল তৃণমুলের চেয়ে কয়েক গুণ বেশিই।

এমনকি ফল বিশ্লেষনে গিয়ে দেখা যায়,তৃনমুল জেলা সভাপতি সুব্রত সাহা,সহ সভাপতি অশোক দাস,বহরমপুর টাউন সভাপতি নাড়ুগোপাল মুখার্জির, দের মত নেতাদের নিজেদের ওয়ার্ডের তৃনমুল কংগ্রেস ভোট পেয়েছে অধীরের তুলনায় অতি সামান্যই।

আর এই পরিস্থিতেই সামনের বিধানসভা কে নজরে রেখেই মুর্শিদাবাদ জেলা কমিটিতেই এই ব্যাপক রদবদল করল তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ফলে সেক্ষেত্রে দলের জেলা সভাপতি থাকা দীর্ঘ দিনের তৃনমুল নেতা সুব্রত সাহাকে সরিয়ে বসানো হল দলের চেয়ারম্যান পদে।

আর সেই জন্য বর্তমান চেয়ারম্যান পদ থেকে প্রৌঢ় মহম্মদ সোহারাবকেও সরানো হয়েছে।

একই সঙ্গে এন বিএসটিসি এর নতুন চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আনা হয় অপূর্ব সরকার ওরফে ডেভিড কে।

এই ব্যাপারে প্রাক্তন তৃনমুল জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক সুব্রত সাহা বলছেন,”দল যে দায়িত্ব দেবে

সেটাই পালন করা আমার একমাত্র কাজ।এর বেশি কিছু বলার নেই”।




Spread the love
More from নির্বাচনMore posts in নির্বাচন »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Mission News Theme by Compete Themes.