Press "Enter" to skip to content

এই ধরনের লোকেরা পিঠে বেত না খেলে বুঝতে চায় না

রাঁচি: এই ধরনের লোকেরা শুধু রাঁচি না বোধহয় সারা দেশেই আছে। এই ধরনের লোকেদের অভ্যাস

হল যে পিঠে বেত পড়লে পরেই তারা বুঝতে পারে যে কাজটা বেশি গোলমাল হয়ে গেছে। সারা

রাজ্যে লক ডাউন ঘোষণা করার পরেএ এই ধরনের লোকেদের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। সবাইকে যখন

বাড়ির ভিতরে বা অন্য লোকেদের থেকে দুরে থাকতে বলা হচ্ছে তখন তাঁরা কেরামতি দেখাতে

ব্যাস্ত। জনতা কারফিউ চলাকালীন রাঁচির অনেক অঞ্চলে এই ধরনের লোককে দেখা গেছে। কিছু

লোক সবেমাত্র শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে এই তামাশা দেখতে গিয়েছিল। এই ধরনের লোকদের

যুক্তিযুক্তভাবে ব্যাখ্যা করা খুব কঠিন। যাইহোক, প্রতিটি অঞ্চলে এমন কিছু উজ্জীবিত প্রকৃতির

প্রাণী রয়েছে, যা সঠিকভাবে বললে কোনও ভাল জিনিস বুঝতে পারে না। তাঁদের জন্য কাজে লাগে

মোক্ষম পুলিস দাওয়াই। সেটা পড়লেই সব ঠিক। এই সব মানূষদের অভ্যাস অনেকটা গোঁয়ার

ষাঁড়ের মতোই। যতক্ষণ কোনও লাঠি খাবে সহজে বুঝতে না।

জনসাধারণের কারফিউ লাগার পরে যখন শহরের অন্য সমস্ত লোক তাদের নিজেদের বাড়ির

ভিতরে রেখেছ। এমন পরিস্থিতিতে যদি রাস্তায় কাউকে ক্রিকেট খেলতে দেখা যায় তো এদের কি

বলা উচিত। এই সাহসীরা নিজেদের সাথে সাথে নিজেরপরিবারের সকল সদস্যদের বিপদে ফেলছে,

সম্ভবত তারা বুঝতে রাজি না। লোকজনকে কেবল করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার জন্য ঘরে

বসে থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। এটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে করোনাটি ভারতে ছড়িয়ে

পড়েছে। যত দিন যাচ্ছে রোগীদের সংখ্যা বাড়বে। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে যে আমাদের

দেশে ইতালির মতো চিকিত্সা সুবিধা নেই। সুতরাং, সংক্রমণের পরে চিকিত্সা এড়ানো ভাল।

শীতকালীন আবহাওয়া অতিবাহিত হচ্ছে এবং উচ্চ তাপমাত্রার ঘটনা ঘটলে এই ভাইরাসের প্রকোপ

দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এর কোন গ্যারান্টি পাওয়া যায় নি।

এই ধরনের লোকেরা অঘটন ঘটার অপেক্ষায়

কেবল ভাবুন যে করোনায় আক্রান্ত সমস্ত রোগী মারা যাবেন ভুল হবে। ভারতে করোনায় ভুগছেন

এমন ত্রিশ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে এসেছেন। সুতরাং, ভাইরাস আক্রমণের পরেও তরুণ এবং

আরও ভাল শারীরিক প্রতিরোধের লোকেরা এটি কাটিয়ে উঠবে। বয়স্ক ব্যক্তি এবং অসুস্থদের জন্য

বিপদটি আরও বেশি। আমরা সরকারী নির্দেশনা উপেক্ষা করে ভাইরাসকে আক্রমণ করার জন্য

খোলা রাস্তা করে দিচ্ছি। এটি হতে পারে যে ক্রিকেট খেলেন এমন বেশিরভাগ বিশিষ্ট ব্যক্তির

শারীরিক প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি, তবে তারা তাদের বাড়ির অভ্যন্তরে তাদের সাথে যে সংক্রমণটি

নিয়ে থাকে তা বাড়ির সমস্ত সদস্যকে বাঁচাতে পারে, যারা এর গ্যারান্টি কে দেবে। সুতরাং,

জনসাধারণের কারফিউয়ের পরে, যখন লক-ডাউন ঘোষিত হয়েছে, তখন কেবল এই ধরনের

লোকেদের পশ্চাতে জোরালো বেঁত পড়লেই হয়তো তারা আসল ভূল বুঝতে পারবে। না হলে তারা

মনে করে যে তারাই স্মার্ট আর বাকি সব বোকা। অন্য এক ভদ্রলোককেও আগের দিন পুলিশ থেকে

মালা পরা অবস্থায় দেখা গেছে। তিনি মোটরসাইকেলের দুই জন মহিলাকে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এটা

সম্মানের বিষয় যে পুলিশ কেবল ফুল দিয়ে তাদের স্বাগত জানিয়েছে। একা থাকলে এই ধরনের

লোক পুলিসের তরফ থেকে  কি ধরনের সম্মান পেত সেটা বুঝে ওঠা সহজ।


 

Spread the love
  • 5
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  

Be First to Comment

Leave a Reply

Mission News Theme by Compete Themes.
error: Content is protected !!