ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী আর তফসিলি গ্রামগুলির উন্নয়ন সর্বাধিক নজর সিএম

0 9
রাঁচি (সং) – মুখ্যমন্ত্রী শ্রী রঘুবর দাস বললেন ঝাড়খণ্ডের আদিবাসী আর তফসিলি অধ্যুষিত গ্রামগুলির উন্নয়ন সর্বাধিক প্রাথমিকতাতে আছে|
এইসব অঞ্চলে সরকারের প্রকল্প সব সঠিকভাবে যাতে পৌছায় সেদিকে লক্ষ্য রাখা হচ্ছে| আর এদিকে নজর রেখেই আদিবাসী বিকাশ সমিতি এবং গ্রাম বিকাশ সমিতি গঠনের পরিকল্পনা হয়েছে|
গ্রামের মানুষকেই এই পরিকল্পনাতে রাখা হয়েছে| এই সমিতিই গ্রামের ছোট ছোট উন্নয়নমূলক প্রকল্প সব প্রস্তুত করবে| সরকার মডেল এস্টিমেট অনুসারে প্রস্তুত রাশি সমিতিকে দেবে|
প্রকল্পের ৮০ শতাংশ রাশি সমিতিকে দেওযা হবে অবশিষ্ট ২০ শতাংশ রাশি শ্রমদপ্তর মাধ্যমে গ্রামবাসীরা ব্যয় করবে| প্রথম চরনে ডোভা, বোরা বাঁধ, কুযো, পুকুর, চেকড্যাম এসবের প্রযোজনগুলি সমিতি বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেবে| আর এসবের জন্য খরচের রাশি সমিতিকে ব্যাঙ্কের খাতাতে জমা হবে|
গঠন হয়েছে এমন সব সমিতিকে ১৬ থেকে ২৩ শে মের মধ্যে বৈঠকের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে হবে| এরপরেই শীঘ্রই টাকা ব্যাংক থেকে বার করে নিতে হবে যাতে সময় থাকতে কাজ আরম্ভ করা যায়|
তাঁর মতে মানুষের সহযোগিতাই এই কাজে গতি দেবে| এই নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শ্রী রঘুবর দাস আধিকারিকদের দিলেন| তিনি আজ ঝাড়খণ্ড মন্ত্রকে গ্রাম বিকাশ সমিতি এবং আদিবাসী বিকাশ সমিতির দ্বারা কাজের নির্ধারনের জন্য বৈঠকটিতে বলছিলেন|

ঝাড়খণ্ডের গ্রামের লোকেদের বিশ্বাস করুন

শ্রী রঘুবর দাস বললেন গ্রামের মানুষকে বিশ্বাস করা উচিত্| গ্রামবাসীরা কখনও কাজে গোলমাল করবে না| গ্রামের মানুষের কাছে পয়সা পৌঁছালেই তারা সঠিকভাবে সেগুলি ব্যয় করে প্রকল্প সব থেকে সুবিধা প্রাপ্ত করবে|
এখন শুধুমাত্র আধিকারিকদের মাধ্যমেই প্রকল্প সবের কার্যোন্নয়ন হয়ে থাকে| নিজের গ্রামের উন্নয়ন আমি নিজেই করব এই মনোভাব থেকেই গ্রামবাসীরা নিজের গ্রামের উন্নয়নের দিকে খেয়াল রাখবে যা মনে করেন তিনি|
তাঁর মতে গ্রাম বিকাশ সমিতি এবং আদিবাসী বিকাশ সমিতির মাধ্যমে কাজগুলি সম্পাদিত হলে দালালদের হাত থেকে রক্ষা পাওযা যাবে|
এছাড়া গ্রামের বেরোজগার যুবকের কর্মসংস্থান হবে| অনেক মুখিযাই ঠিকভাবে কাজ করছে না| তারা শোষণ চালাচ্ছে| তাই সমিতির মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন হলে মুখিযার নির্ভরতা বিষয়টি সমাপ্ত হবে|
পঞ্চায়েত শাসন বিভাগের সচিব শ্রী বিনয় চৌবে জানালেন সারা রাজ্যতে ইতিমধ্যেই ষাট শতাংশ আদিবাসী সমিতি বা গ্রাম সমিতি গঠন হয়ে গেছে| সিমডেগা তথা জামতাড়ার সকল গ্রামেতেই সমিত্যির গঠন হয়ে গেছে|
বৈঠকে উন্নয়ন কমিশনার সহ অতিরিক্ত মুখ্য সচিব শ্রী সুখদেব সিংহ, অতিরিক্ত মুখ্য সচিব শ্রী ডিকে তেওযারি, অতিরিক্ত মুখ্য সচিব শ্রী ইন্দ্রশেখর চতুর্বেদী, শিক্ষা বিভাগের প্রধান সচিব শ্রী এ পি সিংহ, গ্রামান্নোয়ন বিভাগের প্রধান সচিব শ্রী অবিনাশ কুমার, মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান সচিব ডঃ সুনীল বর্নবাল, কল্যান বিভাগের সচিব শ্রীমতী হিমানী পান্ডে, কৃষি বিভাগের সচিব শ্রীমতী পুজা সিংঘল, পঞ্চাযে শাসন বিভাগের সচিব শ্রী বিনয় কুমার চৌবে ছাড়াও অন্যান্য আধিকারিকেরা উপস্থিত ছিলেন|

You might also like More from author

Comments

Loading...