My title page contents Press "Enter" to skip to content

সোনার প্রযুক্তি দিয়ে তাড়াতাড়ি সনাক্ত করা যাবে জলের অশুদ্ধি




  • লেসার রে এই মুহূর্তে বিশুদ্ধতা জানাবে

  • আলো থেকে তৈরি শব্দ তরঙ্গ পরিণাম জানাবে

  • অন্যান্য তরলে কতটা ভেজাল সেটাও বলে দেবে

প্রতিনিধি

নয়াদিল্লীঃ সোনার প্রযুক্তি এখন বিশ্বের বিশুদ্ধ জল পরীক্ষার দ্রুত এবং সস্তা উপায় হতে যাচ্ছে বলে মনে করা হয়।

প্রাথমিক পরীক্ষায় তার সাফল্যের লক্ষণ দেখা গেছে।

এই কৌশলটি জানাতে পারবে যে জল কে পরিষ্কার করার সময় তাতে কোনও পরিবর্তন ঘটেছে বা পাল্টে গেছে।

এই সোনার প্রযুক্তি জল সম্পর্কে জানাবে যে এই জল খাওয়া যাবে কি না।

যদি জল কোন অশুদ্ধ থাকে তবে এই সোনার কৌশলটিও তার সংকেত দেবে।মিসৌরি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অ্যান্ড গবেষকরা ডাল্টন কার্ডিওভাসকুলার রিসার্চ সেন্টার স্কুল এই প্রযুক্তি প্রস্তুত করে রেখেছেন।


এইগুলি পড়ে দেখতে পারেন


এই গবেষণায় অনেক উপায়ে তৈরি পরিষ্কার জলের অভ্যন্তরীণ গঠন সনাক্ত করতে পারা গেছে।

এই গবেষণা সম্পর্কে প্রফেসর লুইস পোলো পারাদা জানিয়েছেন যে কি ভাবে এই সহজ উপায় জল বিশুদ্ধ কি না সেটা জানান দেবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে, বিশেষ করে পরিষ্কার সমুদ্রের লবণাক্ত জল থেকে তৈরি খাবার জল ঠিক আছে কি না সেটা দেখা যাবে।

বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ার সময় জল প্রাকৃতিক অবস্থ্যা সঠিক আছে না পাল্টে গেছে সেটা জানা এই সোনার প্রযুক্তি তদন্ত করবে যে সামনে রাখা জল আসলে জলের মতন দেখতে হলেও সেটা আসল জল না অন্য কিছূ।

সোনার প্রযুক্তি দিয়ে ছোট আকারের যন্ত্র তৈরি করা হয়েছে

সোনার প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে ছোট সরঞ্জাম দিয়ে এটা বিজ্ঞানীরা তৈরি করেছেন।

এই সরঞ্জামটি সব ধরণের তরল পদার্থের বিশ্লেষণ করতে পারে।

গবেষকরা নোনা জল, ডেয়ারীর দুধ, বা গলিত সল্ট সব কিছূ পরীক্ষা করতে পারে।

এই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সফল হবার পরে যে কোন তরল পদার্থ কতটা শুদ্ধ সেটা মুহুর্তের ভিতরে জানা যাবে।

এই গবেষনার সাথে যূক্ত অন্য বিজ্ঞানী প্রফেসর গ্যারি এ বেকার বলেন যে এটা আসলে সূর্যের আলোর ওপর ভিত্তি করে এটা তৈরি করার কথা ভাবা হয়েছিলো।

সোনার প্রযুক্তি হিসেবে জানা আছে যে কোন জায়গায় সূর্যের আলো পড়লে সেটা থেকে একটি শব্দ তরঙ্গ তৈরি হয়।

সেই তরঙ্গ শুনে যে কোন বিষয়ে জানা যেতে পারে।

তরল পরীক্ষায় সেই উপায় কাজে লাগান হয়েছে।

এই পদ্ধতিতে বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা তরঙ্গ তৈরি করার জন্য সূর্যের আলোর বদলে লেজার রে ব্যাবহার করেছেন।

তাই ছোট্ট একটি ডিভাইস তরল মধ্যে অন্তর্মুখী তরঙ্গ শনাক্ত করার ব্যাবস্থা করা হয়েছে।

এক মুহূর্তের আলোক ঝলকানি দিয়ে কাজ হয়




বিজ্ঞানীরা এই কাজ করার জন্য উলকি সরানোর একটি ছোট মেশিন কাজে লাগিয়েছেন।

এই উলকি সরানোর লেজার মেশিন থেকে মাত্র দশ ন্যানো সেকেন্ড আলোক ঝলকানি তৈরি করা হয়।

এটি হালকা ফাইবার অপটিক তারের যা তরল ধারণকারী টেপ এক প্রান্ত সংযুক্ত মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়।

এই তারের শেষ তরলের মধ্যে ডূবিয়ে রাখা হয়।

আলোক ঝলকানি পেলেই তরলের ভিতর একটি শব্দ তরঙ্গ তৈরি হয়।

এই শব্দ তরঙ্গ সেখানে রাখা মাইক্রোফোন রেকর্ড করে এবং আসল বা শুদ্ধ তরলের সাথে এই তরঙ্গের মান মিলিয়ে জানিয়ে দেয় যে এটা শুদ্ধ কি না।

কাজ বর্তমান অবস্থায় সম্পন্ন করা যেতে পারে এবং এর ফলাফল অবিলম্বে অর্জন করা যেতে পারে।

এই পদ্ধতির সাফল্যের পর, বিজ্ঞানী তার বাণিজ্যিক উৎপাদন জন্য ব্যস্ত।

এটা সহজ এবং সস্তা পদ্ধতি মধ্যে উপলব্ধ করা হবে।

যাতে এটা সেই সব লোকেদের কাজে আসতে পারে যারা সব সময় তরলের শুদ্ধতা পরীক্ষায় ব্যাস্ত বা যেখানে জলের অশুদ্ধির পরিমাণ বেশি।

বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন যে মাত্র এই পদ্ধতি দ্বারা জলের বিশুদ্ধতা ছাড়া যে কোন ধরনের তরলের শুদ্ধতা পরীক্ষা করা যাবে।

এক ভাবে যে কোন তেল বা মদের শুদ্ধতা কতটা সেটা জানা যাবে।

এমনকি মধুর ভিতরে চিনি কতটা মেশান আছে, সেটাও বলে দিতে পারবে এই মেশিন।

এই গবেষণায় যুক্ত বিজ্ঞানীরা এই বছরে এই কাজটি সম্পন্ন করতে চান।


বিজ্ঞানের কিছূ ভাল খবর এখানে পড়ূন




Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Mission News Theme by Compete Themes.