My title page contents Press "Enter" to skip to content

সাদা লাইনের বাইরে বার বার দোকান লাগানোর আসল কারণ এলো প্রকাশ্যে




রাঁচিঃ এলবার্ট এক্কা চকের আশেপাশে ফুটপাত দোকানদারদের প্রায়শই সাদা লাইনের বাইরে

পশরা সাজিয়ে বসতে দেখা যায়।

বড় সাহেবদের পর্যবেক্ষন শেষ হয়ে যাবার পর যখন রাস্তায় জ্যাম লাগে

তখনই এর আসল খেলা শুরু হয়ে যায়।

এই খেলার পেছনে কি ঘটনা আছে সেটি যখন ভালো করে দেখা হলো,

তখন বোঝা গেল যে আসলে পুলিশের লোকেরাই এর পেছনে আছে।

তারাই এই জ্যাম বাড়াচ্ছে এবং এর জন্য মাত্র কুড়ি টাকা হারে প্রতিদিন তোলা আদায় করা হচ্ছে।

এই ফিস যারা নগদে দেয় তাদের জন্য বিশেষ ব্যাবস্থা থাকে।

তারা সাদা লাইনের তোয়াক্কা করে না, উল্টে এই লাইনের থেকে বেরিয়ে নিজেদের জিনিসপত্র সাজিয়ে বসে।

ওই রাস্তা দিয়ে যে সমস্ত পুলিশ যাতায়াত করে,

তারা নিজেরাই খবর রাখে যে কোন দোকানদার এই ফিস দিয়েছে আর কে দেয় নি।

যারা সময়মতো ফিস দিয়ে দেয়, পুলিশ তাদের কিছু বলে না।

যখন এখানে জ্যাম লাগে তখন পুলিশের লোকেরা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা

রিক্সা এবং অটোচালকদের সরিয়ে রাস্তা পরিষ্কার দেখাবার চেষ্টা করে।

এই পরিশ্রমের আসল উদ্দেশ্য হলো সাদা লাইনের বাইরে দোকান সাজিয়ে বসা

লোকেদের যাতে পেছনে না করতে হয়।

এর ফলে প্রতিদিন সন্ধ্যেবেলায় এই রাস্তাটি ভীষণভাবে প্রভাবিত হয়।

এই ব্যাপারে যখন গভীরভাবে অধ্যায়ন করা হয়, তখন বোঝা যায় যে এই ফিসও আসলে

পুলিশ এবং দোকানদারদের মধ্যে আপোষ করে ঠিক করা হয়েছে।

ফিস পেয়ে পুলিশ দোকানদারদের জন্য কাজ করে

কোন দোকানদার ফিস জমা করেছে আর কে করে নি, কর্মীরা এই ব্যাপার খোঁজ খবর রাখেন।

যাতায়াত ছাড়াও স্থানীয় থানার পুলিশ এই ঘটনার ওপর নজর রাখেন।

সত্যি ঘটনা হলো যে এই কাজে নীচ থেকে ওপর পর্যন্ত সব জায়গায় ভাগ বাটোয়ারা হয়।

সেজন্যই যখনই কোন বড় অফিসার সেখানে আসেন তার আগে আস্তে করে

দোকানদারদের পেছনে সরে যাবার সংকেত দেওয়া হয়।

অবস্থা এমনই যে এলাকায় নগর নিগমের ধাবা দল যখন আসে তখন এই ফিস যারা দেয়,

সেই সব দোকানদারদের বিরুদ্ধে কোন রকম অ্যাকশন এবার সাহস ও তাদের হয় না।

তারাও জানে যে নির্ধারিত সীমার বাইরে বেরিয়ে যে সমস্ত দোকানদাররা

রাস্তার ওপর নিজেদের পসরা সাজিয়ে বসেন তাদের স্থানীয় পুলিশ সাহায্য করে।

সেই জন্য অতিক্রমন সরাবার নাম করে তারা ছোট দোকানদের ওপর এ্যাকশন নেয়।

তারা ঝুড়িতে করে ফল ও সবজি বিক্রেতাদের জিনিস জোর করে সরিয়ে দিয়ে আগে এগিয়ে যায়।

নগর নিগমের ধাবা দল পুলিশের নজরদারীর সাথে টক্কর দেবার অন্য উপায় খুঁজে বার করে নিয়েছে।

যখন কোন দোকানের জিনিস উঠিয়ে নেওয়া হয়,

তার ঠিক পরেই ওই জিনিস এর বদলে দোকানদারকে

আগে থেকে উঠিয়ে রাখা জিনিস ফিরিয়ে দিয়ে নতুন জিনিস গুলো বিক্রি করে দেওয়া হয়

এবং এর থেকে যে পয়সা পাওয়া যায় সেটি তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়।




Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Mission News Theme by Compete Themes.