My title page contents Press "Enter" to skip to content

বিজ্ঞানীরা স্মার্টফোনের আরো বিপদ সম্পর্ক সতর্ক করে দিলেন




  • তরুনদের মাথায় দেখা যাচ্ছে শিং

  • স্মার্টফোনের ছোট স্ক্রীনের ওপর নজর রাখার প্রভাব

  • এই পরিবর্তন ভবিষ্যতে অনেক শারীরিক সমস্যা আনতে পারে


প্রতিনিধি

নয়াদিল্লী: বিজ্ঞানীরা স্মার্টফোনের আরও বিপদ সম্পর্কে আবার সতর্ক করে দিলেন।

তাঁরা খুঁজে পেয়েছেন যে স্মার্টফোনের ক্রমাগত ব্যবহারের কারণে মানুষের খুলির ভিতরে পরিবর্তন হচ্ছে।

অনেক লোককে দেখা গেছে যাদের মাথায় এই শিং এর মতন হাড় গজিয়ে উঠেছে।

মানূষের কপালের টেক্সচার পরিবর্তন হচ্ছে।

তরুণ প্রজন্মের অনেক মানুষের মাথায় এই পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।

যে হাড়টি উঠে আসছে সেটাকে ভবিষ্যতের শিং বলা যেতে পারে।

পশুদের অনেক প্রজাতির এই শিং আছে।

কিন্তু মানুষের এই ধরনের পরিবর্তন প্রথমবার দেখা হচ্ছে।

এই জন্য বিজ্ঞানীরা স্মার্টফোনের ব্যবহার সম্পর্কে সতর্ক করেছেন।

কিছু ক্ষেত্রেও দেখা গেছে যে এই শিং মানূষের ঘাড়ের ঠিক ওপরে পিছন দিকে বেরিয়ে এসেছে।

সেটা বাইরে থেকে দেখলেও বোঝা যায়।

বিজ্ঞানিরা স্মার্টফোনের সম্পর্ক এই সতর্ক বার্তা দেবার সময় পুরো ব্যাপারটি বূঝিয়ে বলেছেন।

তাঁরা অনুসন্ধান করে বূঝতে পেরেছেন যে ক্রমাগত স্মার্টফোনের ছোট পর্দায় নজর রাখার সময় মানূষের মাথা সামনের দিকে ঝূঁকে থাকে।

সেটা থেকে এই শিং সৃষ্টি হচ্ছে।

মোবাইলের ক্রমবর্ধমান বিকাশ মানুষের কাজ সহজ করে দেবার সাথে সাথে নিজেদের পরিচিতদের সাথে ক্রমাগত যোগাযোগ রাখতে সুবিধা দেয়।

কিন্তু আমরা ইতিমধ্যে মোবাইল ফোনের বিকিরণ সম্পর্ক জেনে গেছি।

মানূষ ছাড়াও অনেক পাখিরা এর কবলে পড়েছে।

নিজের আশে পাশে দেখলে আমরা খূঁজে পাই যে আর চড়ুই পাখি বেশি দেখা যায় না।

এই চড়়ুই পাখি কীট পতংগ খেয়ে আমাদের অনেক রকম ঝামেলা থেকে বাঁচিয়ে রাখতো।

মানুষের মধ্যে শিং গজানোর পিছনে স্মার্টফোনের ব্যাবহারের কথা প্রথম বার জানা গেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে যে এই প্রবণতা তরুণদের মধ্যে আরও বেশি দেখা যায়।

অনেক বিদেশী যুবক যুবতিরা হাসপাতালে আসার পরে তাঁদের মাথার সামনে বা পিছন দিকে এই শিং দেখা গিয়েছে।

বেশ কিছূ তরুনদের ঘাড়ের ওপরে মাথার পিছন দিকে এই শিং দেখা যাচ্ছে।

বিজ্ঞানীরা স্মার্টফোনের ব্যবহার পদ্ধতি গবেষণা করেছেন




গবেষণার সাথে জড়িত বিজ্ঞানীরা বলেছিলেন যে সামনের দিকে ক্রমাগত নজর রেখে এই স্মার্টফোনের ছোট স্ক্রীন দেখার সময় মানূষের মাথার ওপর বেশি চাপ পড়ে।

এই চাপ মানুষের পেশী মাথা এবং মেরুদণ্ডের ওপর থাকে। এটি মানূষের শরীরের পক্ষে স্বাভাবিক নয়।

এই চাপের ফলে মাথার খুলির ভিতর এই শিং তৈরি হচ্ছে।

বিশেষ করে তরুণদের কপালের বা মাথার পিছন দিকে এই পরিবর্তন বেশি দেখা যাচ্ছে।

এই কথা জানার আগে থেকেই আমরা জেনে গেছি যে ক্রমাগত মোবাইল ব্যাবহারের কারণে

অনেক লোক নিজেদের বূড়ো আঙুলের ব্যাথায় ভুগছেন।

এই ঝামেলার আবার চিকিত্সাও শুরু হয়ে গেছে।

এই কষ্ট শুধু মাত্র বূড়ো আঙুল দিয়ে মোবাইলের টেপার জন্য।

বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন যে এই পরিবর্তনের পর ডাক্তারের কাছে যাওয়ার আগে,

তরুণ স্বজন বা তাদের অভিভাবকরা গলার পেছনের দিক এবং সামনে স্পর্শ কর এটা বূঝতে পারেন।

এই গবেষণার বিষয়ে, এটি সানসাইন কোস্ট ইউনিভার্সিটি, কুইন্সল্যান্ড (অস্ট্রেলিয়া) -এও তার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

মানব শরীরের টেক্সচারের এই পরিবর্তনটি বিশেষ করে আধুনিক বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত স্মার্টফোনটির কারণে বিশেষভাবে হাইলাইট করা হয়েছে।

অতএব, তাদের অভ্যাসে এই পরিবর্তনগুলির সময় অভ্যাসগুলি পরিবর্তন করে, এটি আরও খারাপ হওয়া থেকেও রোধ করা যেতে পারে।

এখন স্মার্টফোনের ডিজাইন পাল্টানোর কথা শুরু হয়েছে

এই গবেষণার সিদ্ধান্তগুলি জনসমক্ষে প্রকাশ করার পরে বেশ কিছূ লোক মোবাইলের কাঠামো এবং ডিজাইন নিয়ে আলোচনা করেছেন।

তারা মনে করেন যে সাধারণ মানুষের জীবনে স্মার্টফোন এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসাবে বিবেচিত।

এখন এর বিপদ জানার পরে তার কাঠামো পরিবর্তন করে এই ঝামেলা এড়ানোর কথা উঠেছে।

তারা যুক্তি দিয়েছেন যে এই স্মার্টফোনের এমন কিছু হওয়া উচিত যাতে মানুষের মোবাইল ব্যাবহার করলেও শারীরিক ক্ষতি না হয়।

এই বিষয়ে প্রকাশিত গবেষণায় প্রধান লেখক ডেভিড শাহার বলেছেন যে

আপনি এটাকে শিং, পাখির ঠোট বা মোবাইল হাড় বলতে পারেন, যা মানুষের মাথায় গজাচ্ছে।

কিন্তু বাস্তবে এটি মানুষের প্রাকৃতিক কাঠামোর জন্য একটি বড় বিপদ।

ভবিষ্যতে মানুষ এই পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন ধরণের সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে।


বিজ্ঞানের আরও কিছূ ভাল খবর এখানে পড়ুন




Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Mission News Theme by Compete Themes.