মহাকাশে এবার ব্ল্যাকহোল তৈরী হবার ঘটনা দেখলেন বৈজ্ঞানিকরা

মহাকাশে ব্ল্যাকহোল
Spread the love
  • পৃথিবী থেকে প্রায় দূশ মিলিয়ান প্রকাশ বর্ষ দূরের ঘটনা

  • প্রথম বার গত ১৭ জুন পাওয়া যায় তার ইঙ্গিত

  • একটি তারাকে দেখতে গিয়ে খূজে পাওয়া গেল দূর্লভ ঘটনা

নয়াদিল্লীঃ মহাকাশে একটি অনন্য অজানা ঘটনাবলী দেখার জন্য সৌভাগ্য বিজ্ঞানীরা প্রাপ্ত করলেন।

তাঁদের মাধ্যমে সারা পৃথিবী এই ঘটনার ব্যাপারে জানতে পারলো।

প্রথম বার এই বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে যে আসলে ব্ল্যাক হোল কি ভাবে তৈরী হয় এবং সেখানের দৃশ্য কেমন দেখতে লাগে।

গত ১৭ জূন মহাকাশে একটি জোরালে আলো দেখতে পাবার পরে এই আলোর সন্ধানে ছিলেন বৈজ্ঞানিকরা।

মহাকাশে উত্তর দিকে এর উত্যস খূঁজে পাওয়া যায়। সেটার ওপর নজর রাখতে গিয়ে

বৈজ্ঞানিকরা অন্য সব ঘটনা দেখতে পান।

যে তারাটির ওপরে নজর রাখা হয়েছিলো, সেটি খূব তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাচ্ছিলো।

সেখানে নজর রাখতে গিয়ে বৈজ্ঞানিকরা দেখতে পান যে তার আশে পাশে বেশ কিছূ তারা এই একভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

এই সব তারাগুলি শেষ হয়ে যাবর মুহূর্তে দেখা গেছে ব্ল্যাক হোলের জন্ম।

তবে সেটিকে বেশি ক্ষণ দেখা যায় নি।

সব প্রকাশ নিজের ভেতরে শুষে নিয়ে এই ব্ল্যাক হোল আবার অন্ধকারে হারিয়ে গেছে।

তারাটির ওপর নজর রাখতে গিয়ে বৈজ্ঞানিকরা দেখতে পান যে সেটি থেকে ছোট ছোট কণা বেরোচ্ছে এবং গ্যাস চার পাশে ভরে আছে।

এটি আসলে যেকোন তারা শেষ হয়ে যাবার ঘটনা। সমস্ত তারাদের নিজের ভেতরে শুষে নেবার সময় শুধু ব্ল্যাক হোল কে কিছূ ক্ষনের জন্য দেখা গেছে।

তারা গুলি ভেঁগে শেষ হয়ে যাবার মুহূর্তে যে গ্যাস তৈরী করেছিলো, সেই সবও এই হোলের ভেতরে চলে গেছে।

মহাকাশে এই ঘটনা দেখার ঘটনা এই প্রথম

নর্থওয়েস্টর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক এই ঘটনার উপর নজর রাখেন।

প্রকৃতপক্ষে তারা যে তারার দিকে তাকিয়ে ছিলেন,সেটি এক এক করে অনেক খন্ডে ছড়িয়ে পড়েছিল।

সম্পূর্ণ ঘটনা দেখার পরে বিজ্ঞানীরা নিয়মিত পদ্ধতির এই ঘটনাক্রমের বিবরণও দিয়েছেন।

তারা সবাই বলেছিল যে তেজস্ক্রিয় আলোচনার সময় তারা যখন মহাকাশের দূরত্বে সাহায্য করে তখন উত্তর দিকের দিকে নজর রাখে, তখন এক তারা তার উপর মনোযোগ নিবদ্ধ করে।

এই তাড়া দ্রুত নিজের আকার হারিয়েছে।

এই তারের নাম এটি 2018 সিওডব্লিউ মানে কাঊ রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞানীরা এটা দেখেছেন যে এই তারা যতটা দ্রুত আলো ছড়ায়

তার খুব কম সময়ের ভেতরে সে ব্ল্যাক হোলের ভেতরে চলে যায়। তার পরে আর কিছূ দেখা যায় না।

এই গবেষণামূলক দলটির নেতা রাফেলিয়া মারগুটি বলেন,

আগে আমাদের এই ব্ল্যাক হোলের বনে যাওয়া সম্পর্কে ঐতিহ্যগত তথ্য ছিল।

এটা প্রথম সুযোগ যখন আমরা তাকে তার চোখ থেকে টেলিস্কোপ এর মাধ্যমে দেখতে পাচ্ছি।

Loading...