মস্তিষ্কের বিজ্ঞানীরা হাসির নতূন গোপন তথ্য আবিষ্কার করেছেন

মস্তিষ্কের বিজ্ঞানীরা হাসির নতূন গোপন তথ্য আবিষ্কার করেছেন
Spread the love

হাসলে পরে শরীরে অনেক কিছূ ভাল হয়ে যায়
মৃগীরোগিদের ওপরে করা এক্সপেরিমেন্ট সফল
হাসলে পরে শরীরে বিশেষ কারেন্ট ছড়িয়ে পড়ে
মাথা ঠান্ডা রাখতেও করে এটা সাহায্য

প্রতিনিধি

রঞ্চি: মস্তিষ্কের বিজ্ঞানের একটি নতুন আবিষ্কার আমাদের হাসি।

মানুষ যখন মন খূলে হাসে তখন তার মাথার একটি বিশেষ কেন্দ্র থেকে বিশেষ ধরনের ইলেকট্রিকাল কারেন্ট বেরিয়ে আসে।

সেই কারেন্ট পূরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে, যেটি শরীরে ভিতরে একটি ভাল অনুভূতি সৃষ্টি করে।

এই গবেষণার সাথে যূক্ত বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেয়েছেন যে, এই তরঙ্গ মানুষের শরীর শান্ত এবং অনলস করে তোলে।

বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য, এই বৈদ্যুতিক তরঙ্গ মৃগীরোগীদের উপর ব্যবহার করা হয়েছে।

তার ব্যবহার রোগীর পুরো শরীরের উপর ভাল প্রভাব পাওয়া গেছে।

বৈজ্ঞানিক যন্ত্রের সাহায্যে সমস্ত কার্যক্রম রেকর্ড করার পর গবেষকরা এই সিদ্ধান্তটি উপসংহার করেছেন।

একজন রোগীর এই পদ্ধতির সাথে তৈরি করা হয়েছিল যাতে তার মস্তিষ্ক পূর্ণ জাগৃত থাকার সময়ে তার অপারেশন করা হয়।

যদিও এই কাজটি করতে তাঁদের দূই দিন সময় লেগেছিলো।

এই পরীক্ষা এমরি ইউনিভার্সিটির মস্তিষ্ক বিজ্ঞান বিভাগ,চালিয়ে যাচ্ছে।

এটি পাওয়া গেছে যে মানুষের মস্তিষ্কের ভিতরে একটি বিশেষ ভাগে এই কারেন্ট তৈরী হয়।

যেখানে এই তরঙ্গ তেরী হয়ে সেই ভাগকে সিঙ্গুলুম বলা হয়।

সাধারণ মানূষের হিসাবে মাথার ভিতরে সাদা রঙ্গের থকথকে ভাগ যেটাকে ঘিলু বলা হয়, তারই এক ভাগে এটি থাকে।

নিজেদের অনুসন্ধার করার সময় বৈজ্ঞানিকরা সব রকমের ঘটনার প্রভাবের ভিডিও রেকার্ডিংগ করেছেন।

তারা আধুনিক মেশিনের এই কারেন্ট দেবার পরে কি সব ঘটছে, সব ডাটা রেকর্ড করে সেটিকে সর্বসমক্ষ্যে এনেছেন তবে এটিতে রোগির পরিচয় গোপন করা হয়েছে।

এটি পাওয়া গেছে যে যাদের মস্তিষ্ক অসুস্থতা বা অন্যান্য কারণে খুব উত্তেজিত রয়েছে, তাদের মাথা এই কারেন্ট পাবার পরে শান্ত হয়ে যায়।

মস্তিষ্কের এই কাজে অপারেশন করা সহজ হবে

এটা হলে রুগি মাথার সার্জারি করা সহজ হয় এবং রুগিকে অজ্ঞান করার ঝামেলাও থাকে না।

বৈজ্ঞানিকরা জানতে পেরেছেন যে যে রুগিদের সার্জারির পরে কথা বলতে অসুবিধা ছিলো, তারাও এটিতে লাভ পেয়েছেন।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ডয় কেলি বিজানাকি বলেন, অনেক সময় মানসিকভাবে শক্তিশালী রোগীদেরও অপারেশন চলাকালে ভয় আসে। সেই পরিস্থিতি খূব বিপজ্জনক।

অতএব, এই পদ্ধতি দ্বারা রোগীর ভিতরে এই ঘটনা ঘটা রোখা যেতে পারে।

বৈজ্ঞানিকরা এটির নাম সিঙ্গুলুম স্টিমূলেশন দিয়েছেন।

সিঙ্গুলুম মস্তিষ্কের এই সাদা অংশের, যার মধ্যে লক্ষ লক্ষ তন্তু একসাথে কাজ করে।

এই তন্তু পূরো শরীরকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে।

প্রকৃতপক্ষে এইগুলি খুব সূক্ষ্ম ফাইবার কানেক্শান, যেগুলি সম্পূর্ণ শরীরের সাথে মাথার সংকেত জূড়ে রাখে।

তার বৈদ্যুতিক সংকেত উন্নতির প্রভাব আরও কার্যকর এবং ড্রাগ চেয়ে কম বিপজ্জনক প্রমাণিত হয়েছে।

এই গবেষণায় যুক্ত অন্য একজন বিজ্ঞানী ড. জন টি উইলি বলেছেন, ডাক্তারদের জটিল অপারেশন সঞ্চালন করা সহজ হবে

কারণ রোগীর সংবেদনশীল হওয়ার প্রক্রিয়াগুলির সমস্যার সমাধান হবে।

সুতরাং আপনি সুস্থ এবং শান্ত হতে চান তাহলে হাসতে থাকূন।

Loading...