My title page contents Press "Enter" to skip to content

বিজ্ঞানীরা খূঁজে পেলেন গ্যাসের বদলে ঠান্ডা করার নতূন পদার্থ




  • ফ্রীজ ঠান্ডা রাথতে কাজ করবে

  • বর্তমান পদ্ধতি অত্যন্ত ক্ষতিকারক 

  • নতুন পদার্থের পদ্ধতি কম ব্যয়বহুল

  • বিশ্বে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে বিশ শতাংশ

প্রতিনিধি

নয়া দিল্লীঃ বিজ্ঞানীরা নতুন উপাদান সনাক্ত করেছে, যে কোনও ডিভাইসকে ঠান্ডা করার সময়ে পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।

বর্তমানে, অনেক ধরনের জিনিষকে নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচাতে হলে তাকে ফ্রীজের ভিতর রাখতে হয়।

সাধারণত বাড়িতেও স্বাভাবিক বা উষ্ণ তাপমাত্রায় রাখা হলে খাবার নষ্ট হয়ে যায়।

এইসব জিনিসগুল বাঁচেয়ে রাখার জন্য ফ্রীজের ব্যাবহার করা হয়।

তবে বেশ কিছ ওযূধও এই ভাবে রাখার নিয়ম।

এই সব ফ্রীজে ভিতরটা ঠান্ডা রাখতে যে উপায় ব্যাবহার করা হয়, সেটি পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক, এটা সকলে আগে থেকেই জানে।

ফ্রিজে ব্যবহৃত গ্যাসগুলি পরিবেশের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে মনে করা হয়।

এখন, নতুন পদার্থ আবিষ্কারের পর, এই পরিবেশের বিপদ শীঘ্রই মুক্তির পথ খুলে দেবে।

বিজ্ঞানীরা পরিবেশের জন্য উপযুক্ত এই পদার্থ সম্পর্কে তথ্য দিয়েছেন।

বিস্তারিত তথ্য একটি আন্তর্জাতিক গবেষণামূলক জার্নালে জানান হয়েছে। এই অনুযায়ী, এই পদার্থ সলিড অবস্থ্যায় থাকে।

এটি বর্তমান টেক্নোলজির থেকে কম ব্যায়বহুল।

আরও ভাল ব্যাপার যে এটি সারা বিশ্বে সহজে উপলব্ধ এবং স্বাভাবিক তাপমাত্রায়ও ভাল কাজ করতে সক্ষম।

এই বর্তমান সিস্টেমের সব সমস্যার পরিত্রাণ পেতে একটি নতুন উপায় খুলবে।

যে দূটি গ্যাস বর্তমানে ফ্রীজকে ঠান্ডা করতে ব্যাবহার করা হয়, সেগুলি এইচএফসি এবং এসসি।

এই দূটির নাম হাইড্রোফ্লূরোকার্বন এবং হাইড্রোকার্বন।

উভয় গ্যাস মানুষের শরীরের জন্য বিপজ্জনক এবং বিষাক্ত।

এছাড়াও, পরিবেশে মিশে গিয়ে তারা আশেপাশের পরিবেশে প্রচুর ক্ষতি করে।

বিজ্ঞানীরা বর্তমান পদ্ধতির গ্যাস সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন।

বিজ্ঞানিরা জানালেন এটি পৃথিবীতে সহজে পাওয়া যায়

বলা হয়েছে যে এই দুটি গ্যাস অত্যন্ত জ্বলনশীল কোন কারনে গ্যাস লিক হলে আগুন লাগতে পারে এবং ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।

ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা দল এই বিষয়ে অনেক গবেষণা করেছে।

এই গবেষণা দলের সাথে যুক্ত য্যাভিয়ার মোয়া, বলেছেন যে বর্তমান পদ্ধতিতে ব্যবহৃত এইচএফসি এবং এইচসি গ্যাসের যে পদ্ধতিগুলি খুব কার্যকর নয়।

এ কারণেই, গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের বিশ্বব্যাপী উষ্ণায়নের হুমকির বিষয়ে সবাই ভালভাবে সচেতন।

তিনি বিশ্বব্যাপী পরিসংখ্যান উদ্ধৃত করেছেন এবং বলেন যে বর্তমানে ফ্রীজ ধরনের যে কোন ডিভাইসকে ঠান্ডা করার জন্য বিশ্বে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় কুড়ি শতাংশ খরচ হয়।

তা ছাড়াও ধারাবাহিকতায় গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে।

অন্যদিকে, বিজ্ঞানীরাও নিশ্চিত যে সূর্যের অতি-বেগুনি রশ্মি রক্ষা করে এমন একটি অদৃশ্য ছারা আমাদের বায়ুমণ্ডলের উপরে রয়েছে, সেই ছাতাটিতে এই গ্যাসগুলির জন্য ছেঁদা হয়ে গেছে।

এই গর্তের কারণে, সূর্যের বিপজ্জনক অতি-বেগুনি রশ্মি সরাসরি পৃথিবীতে পৌঁছেছে এবং ক্ষতি বাড়ছে।

যে পদার্থ এই পদ্ধতি কে পাল্টে দেবে সেটি আসলেই নিউপেনটিগল গ্লাইকোল স্ফটিক।

এর ছোট ছোট টুকরা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় সক্রিয় থাকে এবং বিশ্বজুড়ে সহজে পাওয়া যায়।

এই সমগ্র বিশ্বের এনার্জী খরচ কম করা যাবে। এই গবেষণায় ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি দুটি স্প্যানিশ বিশ্ববিদ্যালয়ও কাজ করেছে।

বর্তমান গ্যাসগুলির সাথে ডিভাইসটি শীতল করার পদ্ধতিটি গ্যাস ভিত্তিক,

তবে এই নতুন পদ্ধতিতে ছোট ছোট প্লাস্টিকের কণাগুলি সাধারণ তাপে শুধু চাপের ভিত্ততে কাজ করবে এবং মেশিন ঠান্ডা করে রাখবে।



Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.