Press "Enter" to skip to content

কোরোনার প্রকোপের একশ বছর পরে রাঁচি শর্ট ফিল্ম

রাঁচিঃ কোরোনার প্রকোপের শেষ কি ভাবে হবে কেউ জানে না। বিশ্ব জুড়ে এই ভাইরাস পরাস্ত করার উপায় খুঁজে চলেছেন

বৈজ্ঞানিকরা। লক ডাউন থাকাকালীন বাড়িতে যারা বসে আছেন, তারা সবাই কোন ভাবে এই সময়টা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা

করে চলেছেন। লোকেদের একে ওপর থেকে দুরত্বে থাকাও ভাইরাস থেকে বাঁচার সবচেয়ে সহজ উপায়।

কোরোনার প্রকোপের এই ভিডিও একটি কল্পনা মাত্র

বেশ কিছূ দেশ এই সোশ্যাল ডিসটেন্সিংগ কে মেনে নিতে পারেন নি। তাঁদের হিসেবে এটি তাঁদের নিজস্ব জীবনের অধিকার।

এবার বোঝ ঠেলা। হাসপাতালে আর জায়গাই নেই। হাজারে হাজারে মানূষ মরে যাচ্ছে। মানে বলতে গেলে যে সব মানূষের চিন্তা

ভাবনা আছে, তাদের ঘূম কেড়ে নিয়েছে এই কোরোনার প্রকোপের অবস্থ্যা। রাঁচি শহরেও এক এক করে বেড়ে চলেছে রুগি।

তাবলিগি জামাতের এক মালেশিয়া থেকে আসা মহিলার থেকে কোরোনার প্রকোপের হামলা হয়েছে এখানে। তার পর হিন্দপীড়ী

এলাকা থেকে একের পর এক রুগি পাবার ঘটনা ঘটে চলেছে। যার উপসর্গ দেখা দিয়েছে সে যাবে আইসোলেশনে আর যাদের এই

কোরোনার প্রকোপের প্রভাবে থাকার আশংকা আছে তাকে থাকতে হবে আলাদা। প্রথমে যারা ভেবেছিলেন এটাও পাশ কেটে

বেরিয়ে যাবে, তাঁরা ভূল ছিলেন। যত দিন যাচ্ছে কোরোনার প্রকোপের বলি সারা দেশে বেড়ে চলেছে। প্রথমে হাল্কা ভাবে নিলেও

এখন তো লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলেছে মৃত্যুর কবলে পড়া লোকেদের সংখ্যা। অন্য দিকে অকারণে রাস্তা বেরিয়ে পুলিসের মার

খেয়ে বাড়ি ফেরা লোকেদের সংখ্যাও বাড়ছে। এই ধরনের লোকেদের ভিতরে কম বয়সী ছেলেদের সংখ্যা বেশি। রাস্তায় রাস্তায়

সতর্ক ভাবে দাড়িয়ে থাকা পুলিসের ধৈর্য কম হয়েছে। তাই ধরা পড়লেই বেঁত। এর আগে অনেক রকমে বোঝাবার চেষ্টা

হয়েছিলে যাতে সবাই বাড়ির ভিতরে মানে কোরোনার প্রকোপের হাত থেকে দুরে থাকে। কে জানে পাশে দাড়িয়ে থাকা যে

লোকটি কাশছে বা হাঁচছে সে নিজে এই ভাইরাস নিয়ে বেড়াচ্ছে না তো।

কোরোনার প্রকোপের সম্পর্কে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিয়ম আছে

এই বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দিষ্ট সতর্কতামূলক নিয়ম রয়েছে।

কিন্তু বাড়িতে স্বেচ্ছাবন্দি থাকতে হলে আগে থেকে খাবার দাবার,

অন্যান্য অবশ্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র মজুত করে রাখা দরকার।

তার মানে অবশ্য এই নয় যে আতঙ্কের বশে সব জিনিসই প্রয়োজনের

চেয়ে বেশি একগাদা করে কিনে জমিয়ে রাখবেন, মোটামুটি দু’ সপ্তাহ

ভালোভাবে চলে যাবে, সেই পরিমাণ জিনিসপত্র, খাবারদাবার কিনে

রাখা ভালো। প্রথম দিকে থেকেই এই জিনিষ মজূত করে রাখার দোষটা বোধহয় সবচেয়ে বেশি ভারতবর্ষে দেখতে পাওয়া যায়।

মোদ্দা কথা হল এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হলেই সব কিছু আঁকড়ে রাখা। 

কে বোঝাবে যে যদি রোগের হামলা হয় তো এই সব মজূত করা খাবার দাবার তো কোন কাজেই লাগবে না। লক ডাউন

এখন মে মাসের তিন তারিখ অব্দি বাড়িয়ে দেবার পরে ধৈর্য ধরে পরীক্ষার সময়। তাই খালি সময়ে এই চিন্তা স্বাভাবিক যে

কোরোনার প্রকোপের পরে যদি সারা পৃথিবী এর ভাইরাসে কবলে পড়ে তো আমাদের শহর রাঁচি তখন মানে সেই একশ বছর

পরে দেখতে কেমন হবে।


 

Spread the love
  • 10
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  

One Comment

Leave a Reply

Mission News Theme by Compete Themes.
error: Content is protected !!