রাজস্থানের নির্বাচনী সমীক্ষায় কংগ্রেসের সংখ্যাগরিষ্ঠতার সংকেত

রাজস্থানের নির্বাচনী সমীক্ষায় কংগ্রেসের সংখ্যাগরিষ্ঠতার সংকেত
Spread the love
  • বিজেপিকে আগামী পাঁচ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকতে হতে পারে

  • সচিন পায়লটের জনপ্রিয়তা সর্বাধিক

  • বর্তমানের রাজে সরকারের ওপর জনতা রুষ্ট

  • বিদ্রোহীদের সমীকরণ খেলা বিগড়ে দিতে পারে

রাসবিহারী

নয়া দিল্লী-রাজস্থানের নির্বাচনী সমীক্ষা আগের সংকেতকে আরও পুষ্ট করছে।

কয়েকটি মীডিয়ার করা সমীক্ষাও সেই কথাই বলছে, যা আগেও বলা  হয়েছে।

সমীক্ষা অনুযায়ী বর্তমান বসুন্ধরা রাজে সরকারের ওপর রাজ্যের জনতা প্রচন্ড ভাবে চটে আছেন।

আর সেই জন্যই সেখানে শচীন পায়লটের প্রভাব আরও বেশী করে পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

নতুন হওয়া সমীক্ষা অনুযায়ী ২০০ সদস্যের এই বিধানসভায় কংগ্রেস ১১০ থেকে ১২০ টি আসনে জয়লাভ করে

সরকার গঠন করার পক্ষে প্রয়োজনের থেকে অনেক বেশী ভোট তুলে নেবে।

অন্যদিকে বিজেপি মাত্র ৭০ থেকে ৮০ টি আসনে সীমাবদ্ধ থাকবে বলে ধারনা।

২০১৩ তে বিজেপি এই রাজ্যে ১৬৩ টি আসনে জয়ী হয়েছিল, অন্যদিকে কংগ্রেসকে মাত্র ২১ টি সীটে জিতে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল।

সমীক্ষা অনুযায়ী কংগ্রেস ৪৩.৫ শতাংশ ভোট পেতে পারে।

অন্যদিকে বিজেপির পক্ষে ৪০.৩ শতাংশ ভোট পড়বে বলে অনুমান।

এই রাজ্যে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে অন্যতম দল বাসপাও তিনটি আসন পেতে পারে।

মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শচীন পায়লট এগিয়ে

কংগ্রেসের ভেতরে মুখ্যমন্ত্রীর পদের দাবীদারদের মধ্যে অন্যতম শচীন পায়লট অনেকখানি এগিয়ে আছেন।

তাঁর প্রতিদ্বন্দী হিসাবে অশোক গহলোত আছেন, কিন্তু তিনি জনপ্রিয়তায় অনেকটাই পিছিয়ে।

যদিও বেশ কয়েকটি মিডিয়া হাউস নিজের নিজের মতো করে সমীক্ষা করেছে,

কিন্তু সবগুলিকে একসাথে দেখলে এটাই মনে হচ্ছে যে এবারের নির্বাচনে কংগ্রেস সরকার গঠন করার মত অবস্থায় থাকবে।

অন্যদিকে আলাদা আলাদা সমীক্ষায় বিজেপির সিটের সংখ্যা কম বেশী দেখানো হচ্ছে।

গত নির্বাচনে ৪৫ শতাংশ ভোট পেয়ে ১৬৩ টি আসনে জয়লাভ করার পরও বিজেপির পিছিয়ে যাবার পেছনে

বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর সরকারকেই দায়ী করা হচ্ছে।

সমীক্ষা অনুযায়ী গত বিধানসভায় জয়ী হবার পর মন্ত্রীরা রাজ্যের জনতার মুখোমুখি হন নি।

এর ফল এই বিধানসভা নির্বাচনে পেতে হতে পারে।

এমনিতেও গত ২৫ বছরে কোন দলেরই পর পর দুবার জয়লাভ করে সরকার গঠন করার সুযোগ আসে নি।

সেইজন্য নির্বাচনের ফলাফল ছাড়াও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজের দ্বিতীয় বার জয়ী হওয়াও অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ।

এই সকল নির্বাচনী সমীক্ষা থেকে আলাদা নির্বাচনী গণিত সম্বন্ধে ওয়াকিবহালরা

এই সব সম্ভাবনার পেছনে লুকিয়ে থাকা অদৃশ্য অঙ্কটিও জুড়তে চাইছেন।

তাঁদের মত অনুযায়ী কংগ্রেস এবং বিজেপি দুটি দলকেই নিজের নিজের দলের বিদ্রোহীদের থেকেও বেগ পেতে হবে।

দলকে ডুবিয়ে দিতে নিজের নিজের এলাকায় এই বিদ্রোহী নেতারা উঠে পড়ে লেগেছেন।

তাঁরা নির্বাচনের পরিনামে অদল-বদল ঘটাতে পারেন। এই সমস্ত কিছু ৭ ডিসেম্বরের মতদানে পরিষ্কার হবে।

তার পরেই ভোট গননা। তখনই এই সবের অঙ্কগুলো প্রমাণিত হবে।

Author: Bangla R khabar

Loading...