My title page contents Press "Enter" to skip to content

তদন্তের বদলে নিজেদের বাঁচাতে ব্যস্ত কোতোয়ালি থানা পুলিশ




  • ভুল লোককে গ্রেফতার করে ফেঁসে গেছে পুলিশের দল

সংবাদদাতা, রাঁচিঃ পুলিশ ডিপার্টমেন্টের একটি ভুল কাজের জন্য তোলপাড় পুরো পুলিশ মহল।

ওপর থেকে নীচুতলার সব পুলিশকর্মীরা একটি মামলাকে ঘুরিয়ে দেবার ষড়যন্ত্র করছে।

মামলা কোতোয়ালি থানা এলাকার।

এটি আসলে সিভিল কেসের মামলা ছিল।

পুলিশের বিরুদ্ধে এক পক্ষের চাপে পড়ে অপর পক্ষের একজনকে গ্রেফতার করে

জেলে পাঠিয়ে দেবার অভিযোগ ছিল।

যদি ঘটনাটির ঠিকমতো তদন্ত হয় এবং জেলে পাঠানো ব্যক্তি যদি নির্দোষ প্রমাণিত হয়,

তাহলে আগের সব ফয়সালাতেই প্রশ্নচিহ্ন লেগে যাবে।

আর এই জন্যই পুলিশ মামলাটির ঠিকভাবে তদন্ত করতে চাইছে না।

ঘটনাটি অঙ্কিত অগ্রবাল বনাম দিলীপ পোদ্দার এর।

দুজনের মাঝে পারিবারিক সম্পত্তির ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে বিবাদ শুরু হয়েছিল।

এই পুরো ঘটনাটির পৃষ্ঠভূমিও ভীষণ ইন্টারেস্টিং।

এই মামলায় মামা দিলীপ পোদ্দার আরিয়ন নামের কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে

নিয়মবিরুদ্ধভাবে ব্যাংক থেকে  টাকা বার করার অভিযোগ পুলিশের কাছে দায়ের করেছিল।

অভিযোগকারী জানিয়েছিল যে সে আরিয়ান নামে কাউকে চেনে না।

এই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অঙ্কিত আগরওয়ালের বিরুদ্ধে কাজ করেছিল।

অঙ্কিত আগরওয়ালের ওপর নিয়মবিরুদ্ধভাবে সই জাল করে ব্যাঙ্ক থেকে

লাখ লাখ টাকা তুলে নেবার অভিযোগ উঠেছিল।

ঘটনার এতদিন পরেও পুলিশ জানতে পারে নি যে সেই সই জাল করা হয়েছে কি না।

এই ব্যাপারে ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করেও এখনও পর্যন্ত সত্যি ঘটনা জানা যায় নি।

এটাও বোঝা যাচ্ছে না যে আসলে অভিযোগকারী যে অভিযোগ করেছিল সেটা ঠিক কি ভুল।

প্রাথমিক তদন্তে এটাই জানা গেছে যে অভিযোগকারী কোন আরিয়ান নামের ব্যক্তির বিরুদ্ধে

তার ব্যাংক একাউন্ট থেকে ৫০ লাখ টাকা বার করে নেবার অভিযোগ করেছিলেন।

আরিয়ান নামের সাথে গোলমাল

এই মামলায় অভিযুক্ত অঙ্কিতের ডাক নাম আরিয়ান।

তাই প্রারম্ভিকভাবে অঙ্কিত আগরওয়ালের ওপর সন্দেহ হবার পর

তদন্ত করলেই সমস্ত ঘটনা পরিস্কার হয়ে যেত।

আসলে অভিযোগের ভিত্তিতে যেই তারিখগুলি উল্লেখ করা হয়েছে,

সেই তারিখের আগেও আরিয়ান এর নামে ব্যাংক থেকে লেনদেন হয়েছে।

এই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে জানা গেছে যে দিলীপ পোদ্দার ভাইয়ের ফার্মের লেনদেনও

কোন আরিয়ান এর মাধ্যমে হয়ে থাকে।

আরিয়ান এর নামে আগে থেকেই আরো দুটো ফার্ম থেকে চেক ইস্যু করা হয়েছিল,

কিন্তু একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল।

তাই এই ব্যাপারে কিছু গলযোগ দেখা দিয়েছিল।

কিন্তু পুলিশ এখনও এই মামলার ভেতরে ঠিকমতো ঢুকতে পারে নি।

এর ভেতরেই পুলিশ অঙ্কিত আগরওয়ালকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠিয়ে দেয়।

কিন্তু আসল আরিয়ান কে, দিলীপ পোদ্দার যে অভিযোগ করেছেন

সেই ব্যাপারে ব্যাঙ্ক কি বলছে এসব জানার জন্য পুলিশের কোন আধিকারিক এখনও পর্যন্ত ব্যাঙ্কে যান নি।

অন্যদিকে ঘটনার অভিযোগ দায়ের হবার পর থেকে থানায় কয়েকজন আধিকারিক বদলী হয়ে এসেছেন।

আর সেই জন্যই মামলাটি জটিল হয়ে গেছে। অভিজ্ঞরা মনে করেন যে

কোন কারণে যদি কোন আধিকারিক ভূল তদন্ত করে বা ষড়যন্ত্র করে কোন বেকসুর ব্যক্তিকে

জেলে পাঠিয়ে থাকেন, তাহলে সেই মামলাটিকে শুধরে তাকে নির্দোষ প্রমাণ করে

জেল থেকে বার করে আনার প্রক্রিয়া খুব জটিল

এবং এতে অন্য পুলিশ আধিকারিকরাও ফেঁসে যেতে পারেন।

আগামী দিনগুলোতে সেই সব আধিকারিকদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠবে

যারা এই ঘটনাটির তদন্ত করেছিলেন।

ভুল নির্ণয় নেবার জন্য সকলেই সমানভাবে দোষী সব্যস্ত হবেন।

মনে করা হচ্ছে যে ঠিক এই কারণেই পুলিশে তদন্ত ঠিক জায়গায় নিয়ে গিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ভয় পাচ্ছে।




Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Mission News Theme by Compete Themes.