My title page contents Press "Enter" to skip to content

পেট্রোলের দাম পরপর ছয় দিন কম হওয়ার মুখে




  • সাধারণ মানুষের আশা, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমবে

নয়া দিল্লিঃ পেট্রোলের দাম এখন কমের দিকে চলছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ক্রমশঃ কমছে।

যার ফলে দেশের বাজারেও পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম কম হওয়ার প্রবণতা দেখা দিচ্ছে।

মঙ্গলবার ষষ্ঠ দিনেও পেট্রোলের দাম কমেছে।

ডিজেলের দামেও ২০ থেকে ২২  পয়সা কম হয়েছে।

নরেন্দ্র মোদি সরকারের দ্বিতীয় কার্যকালের শুরুর দিকেই আন্তর্জাতিক বাজারে

কাঁচা তেলের দাম কম কম হওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার কাঁচা তেলের দাম ছিল ব্যারেল প্রতি ৭০ টাকা।

সোমবার সেটা কমে গিয়ে ব্যারেল প্রতি ৬১ টাকায় দাঁড়ায়।

কাঁচা তেলের দাম কমার এই প্রবণতাকে দেখে মনে হচ্ছে যে আগামী দিনগুলোতে

জ্বালানির দাম আরও কম হতে পারে।

পেট্রোলের দাম কম হলে সব জিনিষের দাম কমা উচিত

শ্রী নরেন্দ্র মোদি ৩০ মে তে প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছিলেন।

সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত ডিজেল লিটার পিছু ১.১৩ টাকা  ও পেট্রোল লিটার পিছু ৬৪  পয়সা সস্তা হয়েছে।

আজ দেশের চারটি বড় মহানগরে পেট্রোলের দামে ৭ পয়সা থেকে ১৩ পয়সা ও ডিজেলের দামে

লিটার পিছু ২০ থেকে ২২ পয়সা হ্রাস পেয়েছে।

দিল্লিতে পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম কমে লিটার প্রতি ক্রমশঃ ৭১.২৩ ও ৬৫.৫৬ টাকা হয়ে গেছে।

দেশের আর্থিক রাজধানী মুম্বাইয়ে এর দাম ক্রমশঃ ৭৬.৯১ ও ৬৮.৭৬ টাকা প্রতি লিটার হয়েছে।

কোলকাতায় পেট্রোল ৭৩.৪৭ ও ডিজেল ৬৭.৪৮ টাকা প্রতি লিটার দরে বিক্রী হচ্ছে।

চেন্নাইতে পেট্রোলের দাম হয়েছে প্রতি লিটার ৭৪.০১ টাকা।

সেখানে ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ৬৯.৩৬ টাকা হয়েছে।

পেট্রোল, ডিজেল এবং অন্যান্য জ্বালানির দাম কম হওয়ার ফলে আশা করা যাচ্ছে যে

আমাদের দেশে জিনিসপত্রের দাম কিছুটা কম হতে পারে।

সাধারণতঃ জ্বালানির দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যায়।

তার প্রধান কারণ হলো পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পাওয়া।

আসলে জিনিসপত্র এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পাঠাবার জন্য যে খরচ হয়,

জ্বালানির দাম বাড়ার ফলে সেই খরচ আরও বেড়ে যায়।

তার সাথে সাথে অসৎ ব্যবসায়ীরা জিনিসপত্র স্টক করে রেখে

বাজারে আর্টিফিশিয়াল ক্রাইসিস তৈরি করে এবং পরে সেই সব জিনিসপত্র

বেশি দামে বিক্রি করে নাফা কামায়।

লোকসভা নির্বাচনের পর  যখন  নরেন্দ্র মোদি সরকার কেন্দ্রে

দ্বিতীয় বার সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়েছে, তখন

জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা এই সরকারের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ।



Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.