My title page contents Press "Enter" to skip to content

বার বার অভিযোগ করা সত্ত্বেও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলো না




  • রাঁচি রাঁচি-টাটা সড়ক মামলার তদন্ত শুরু করে শুয়ে পড়ল সিবিআই

সংবাদদাতা, রাচিঃ রাঁচি-টাটা হাইওয়ে তদন্তের মামলায় সিবিআই এর গাড়ি হঠাৎ করে স্তব্ধ হয়ে গেছে।

এই মামলার তদন্তের জন্য বারবার কমিটি গঠন করা হচ্ছিল, কিন্তু তাতে মাঝে মাঝেই বিঘ্ন উৎপন্ন হচ্ছিল।

এরপর উচ্চ ন্যায়ালয়ের আদেশে সিবিআই এর তদন্ত শুরু করেছিল।

তদন্তের শুরুতেই প্রমাণিত হয়েছিল যে হাইওয়ের কাজ করার জন্য যে কোটি কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল,

সেটা অন্য কাজে খরচ করা হয়েছে।

অন্যদিকে রাস্তা তৈরীর কাজ এখনও পর্যন্ত শেষ হয় নি।

প্রাথমিক তদন্তের পর সিবিআই গত ৭.৮.২০১৮ তে মামলা দায়ের করেছিল।

উচ্চ ন্যায়ালয় আদেশের কথা উল্লেখ করে তদন্ত শুরু করা হয়েছিল।

এই ব্যাপারে যে নথিপত্র পাওয়া গেছে তার থেকে এটাই প্রমাণিত হয় যে

জাতীয় উচ্চ পথ ৩৩ এ বরহী থেকে বহড়াগোড়া পর্যন্ত ফোর লেন তৈরী এবং

তার দেখাশোনার জন্য মেসার্স মধুকরকে কন্ট্রাক্ট দেওয়া হয়েছিল।

এই কাজ সম্পূর্ণ করার জন্য মেসার্স মধুকরের সাথে একটি বিশেষ কোম্পানি গঠন করা হয়েছিল।

কোম্পানিটি কাজ শেষ করার জন্য কয়েকটি ব্যাংক থেকে ১১৯১.৬০  কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল।

এর মধ্যে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ত্রাবণকোড় একেবারে শেষ সময় ঋণ দিতে অস্বীকার করায়

মোট স্বীকৃত ঋণ এর রাশি কমে গিয়ে ১১৫১.৬০ কোটি টাকা হয়ে গিয়েছিল।

২৪৮.০১ কোটি টাকা অন্য কাজে ব্যায় হয়েছে

মামলার তদন্ত শুরু করার পর তদন্ত কমিশন বুঝতে পেরেছিল যে

এই কাজের জন্য যেই ধনরাশি পাওয়া গিয়েছিল, তার মধ্যে ২৮৪.০১ কোটি টাকা

অন্য কাজে খরচ করে দেওয়া হয়েছে।

এই টাকাটা উক্ত কোম্পানিকে হাইওয়ের কাজ করার জন্য দেওয়া হয়েছিল।

এই মামলায় সিবিআই উক্ত কোম্পানীর নির্দেশক শ্রীনিবাস রাও, এন সিতৈয়া এবং এন পৃথ্বী তেজ ও

অন্যদের বিরুদ্ধে এফ আই আর দায়ের করেছিল।

তদন্ত যেমন যেমন এগিয়েছে, তাতে জানা গেছে যে কম্পানি ভুল পদ্ধতিতে টাকা পাবার করার জন্য

ভুয়ো অডিট রিপোর্ট দিয়েছিল।

এখন এতদিন পেরিয়ে যাবার পরও মামলাটির তদন্ত এখানেই থেমে আছে।

এর আগেও অভিযোগ এসেছিল যে মধুকম কোম্পানির রাজনৈতিক সংরক্ষণ থাকার দরুন

তার বিরুদ্ধে প্রাথমিক ভাবে দোষ সব্যস্ত হওয়ার পরেও তার বিরুদ্ধে কোন অ্যাকশন নেওয়া হচ্ছে না।

এখন যখন রাজনৈতিক সংরক্ষণের কথা উঠে এসেছে, তার ফলে সিবিআই এর পক্ষ থেকেও

তদন্তের গাড়ি থেমে গেছে।

মধুকম কোম্পানির আর্থিক পরিস্থিত কেন ডামাডোল হল, এই কোম্পানির রাজনৈতিক সম্পর্ক কোথায়

এবং কার সাথে, এই কোম্পানির পয়সা আসলে কোথায় খরচ হয়েছে,

এই সব প্রশ্নের সঠিক তদন্ত হলে বেশ কয়েকটি চেহারার ওপর থেকে পর্দা করতে পারে।

এইজন্যই বারবার মামলাটির তদন্তের গাড়ি যাতে এগিয়ে না যায়,

তার জন্য প্রত্যেক স্তরে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।




Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Mission News Theme by Compete Themes.