My title page contents Press "Enter" to skip to content

নমো টিভি গায়েব হবার পর জানা গেল লাইসেন্স ছাড়াই চলছিলো




  • আসল মালিক বললেন আমি কিছূ জানি না

  • আইবি মন্ত্রালয়ের কাছে কোন খবর নেই

  • চ্যানেলটি সরকারে রেজিস্টার্ড ছিলো না

  • এক লাখ টাকা দিয়ে ৬৫ লাখ লাভ

প্রতিনিধি

নিউ ডেলি: নমো টিভি হঠাত টিভি থেকে উধাও হয়ে গেছে। তার ওয়েব সাইটও বন্দ করে দেওয়া হয়েছে।

এটি বন্দ হবার পর খোঁজ খবর নিতে যে কেঁচো খুড়তে সাঁপ বেরিয়ে আসার ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে।

দেশের সমস্ত ডিশ টিভি প্লেটফর্মে চলার পরেও আসলে এর মালিক কে এবং কি নিয়মে এটা চালান হয়েছে, তার কোন উত্তর কারুর কাছে নেই।

এই চ্যানেল নিয়ে যখন দিল্লিতে আম আদমী পার্টী নির্বাচন কমিশনে কমপ্লন করে, তার পরে নির্বাচন কমিশন ইনফরমেশন এন্ড ব্রাডকাস্টিংগ মিনিস্ট্রী থেকে জবাব চায়।

মিনিস্ট্রী জানিয়েছে যে তাদের কাছে এই চ্যানেলের কোন খবর নেই। এমনি এটি সেখানে রেজিস্টার্ড ও ছিলো না।

তবে এতদিন এটি কি করে চলেছে, সেটা জানতে গিয়ে নতূন নতূন ব্যাপার বেরিয়ে এসেছে।

অন্যদিকে, বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যে লোকসভা নির্বাচনের শেষে, এর উপযোগিতা শেষ হয়ে গেছে।

সুতরাং এটি তার অপারেটিং খরচ বাঁচানোর জন্য এটি বন্ধ করা হয়েছে।

কিন্তু এই পরেও অনেক নতুন প্রশ্ন উঠেছে। এটিতে শুধুমাত্র নরেন্দ্র মোদি প্রচারের হত।

বন্দ হয়ে যাবার পর এই নমো টিভি র আসল মালিকের নাম খূঁজে পাওয়া গেছে।

তখন গুজরাটের ব্যবসায়ী ব্যবসায়ী সুজয় মেহতা এর মালিক।

মিডিয়ার প্রশ্নের জবাবে মেহতা বলেন, তিনি অনেক দিন আগেই এটা থেকে সরে গেছেন।

তাই এই ব্যাপারে তিনি কিছূ জানেন না। তবে মেহতা এটা জানাতে পারেন নি যে তিনি এই চ্যানেল কার হাতে দিয়েছেন।

মজার ব্যাপার হল যে বিজেপি নিজে এই নমো টিভির মালিকানা দাবি করেছে না।

তবে পার্টির সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের প্রচার ক্রমাগত চলেছে।

31 মার্চ যখন এই টিভিটি হঠাৎ দেখা দেয়, তখন বিজেপির আবেদনটি সোশ্যাল মিডিয়ায় চলতে থাকে।

কাগজ ঘেঁটে জানা গেছে যে এটি ২01২ সালে নিউ হোপ ইনফোটেক নামে একটি কোম্পানি তৈরি করা হয়েছিল।

নমো টিভি কাগজে ডাক্তার সুজয় মেহতার নামে

হোমিওপ্যাথ ডাক্তার সুজয় মেহতা এর মালিক ছিলেন।

তিনি আহমেদাবাদের ভাসাপুর এলাকায় তাঁর হোমিওপ্যাথিক ক্লিনিক পরিচালনা করেন।

যে চ্যানেল প্রথম অক্টোবর 2012 সম্প্রচার করা হয়। সে সময় গুজরাটের নির্বাচন চলছে।

এই চ্যানেলে অফিসিয়াল নথিতে একই ঠিকানা রয়েছে, যেখানে মেহতা তার ক্লিনিকে চালান।

স্থানীয় কংগ্রেস নেতাদের দ্বারা নির্বাচন কমিশনের অভিযোগের পর, চ্যানেলটি হঠাৎ একদিন বন্ধ হয়ে যায়।

তার পরের দিন থেকে চ্যানেল আবার শুরু হয়। সেই সময়ে এই কম্পানির সাথে সঞ্জয় রসিকালাল শাহ নামে একজন আরও ছিলেন।

মাত্র এক লাখ টাকা দিয়ে শুরু করা এই কম্পানি এক বছরের সম্প্রচারে, কোম্পানিটি 3.5 কোটি টাকার ব্যাবসা করে 65 লাখ টাকা লাভ কামিয়েছে।

তার পর থেকে কম্পানি আবার বসে ছিলো। মামলাটি ধরা পড়ার পর, সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নথিপত্রও তদন্ত করা হয়েছে।

যার মধ্যে এই সংস্থাটি একটি উপগ্রহ চ্যানেল পরিচালনা করার অনুমতি দেওয়া হয় নি।




এটি মন্ত্রণালয় একটি উপগ্রহ চ্যানেল হিসাবে নিবন্ধিত হয় না।

, যখন আম আদমি পার্টির নির্বাচন কমিশনে ন্যামোর টিভি অভিযোগ করা হয়েছিল, তখন নির্বাচন কমিশন মন্ত্রণালয়ের তথ্য চেয়েছিল।

এর সব রাউন্ড সত্ত্বেও, দস্তাবেজ এখনও দেখাচ্ছে যে তার কার্যালয়টি প্রকৃতপক্ষে বিজেপির দিনদয়াল রোডের সদর দপ্তর।

সম্প্রতি সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও বিজেপির নেতারা কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিচ্ছেন না।




Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Mission News Theme by Compete Themes.