Press "Enter" to skip to content

মুজফ্ফরপুরের শেল্টার হোম আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিলো আদালত




নয়াদিল্লি: মুজফ্ফরপুরের আশ্রয়কেন্দ্রে মেয়েদের নির্যাতন ও শারীরিক হয়রানির মামলার

শুনানি মঙ্গলবার দিল্লির সাকেত আদালতে করা হয়েছিল। আদালত প্রধান আসামি ব্রজেশ

ঠাকুরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। আদেশ অনুসারে, ঠাকুরকে তাঁর বাকী জীবন কারাগারে

কাটাতে হবে। এর আগে এই মামলার শুনানি হয় দিল্লির সাকেত আদালতে। আদালত প্রধান

আসামি ব্রজেশ ঠাকুরসহ ১৮ জনের সাজা সংক্রান্ত রায় ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংরক্ষণ করে।

মুজফ্ফরপুরের আশ্রয়কেন্দ্রে যৌন নির্যাতনের মামলার আসামি ব্রজেশ ঠাকুরকে যাবজ্জীবন

কারাদণ্ডের আবেদন করেছিল সিবিআই। এই মামলায় অন্য আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিও

করেছিল সিবিআই। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, মুজফ্ফরপুরের শেল্টার হোম মামলায় আদালত ২০

জানুয়ারী ব্রজেশ ঠাকুর এবং আরও ১৮ জনকে বেশ কয়েকটি মেয়ের যৌন শোষণ ও শারীরিক

হয়রানির জন্য দোষী সাব্যস্ত করেছিল। কেন্দ্রের কন্ডাক্টর ছিলেন বিহার পিপলস পার্টির প্রাক্তন

বিধায়ক ব্রজেশ ঠাকুর। আদালত এর আগে ১৪ জানুয়ারির মধ্যে এক মাসের জন্য এই আদেশ

স্থগিত করেছিল। এ সময় মামলার শুনানিকারী বিচারপতি সৌরভ কুলশ্রেষ্ঠ ছুটিতে ছিলেন।

এর আগে নভেম্বরে আদালত এই সিদ্ধান্তটি এক মাসের জন্য পিছিয়ে দেয়। তারপরে জাতীয়

রাজধানীর ছয় জেলা আদালতে আইনজীবীদের ধর্মঘটের কারণে তিহার কেন্দ্রীয় কারাগারে

থাকা ২০ জন আসামিকে আদালত প্রাঙ্গণে আনা যায়নি। আদালত 20 মার্চ, 2018 এ ঠাকুরসহ

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছিলেন। এর মধ্যে আটজন মহিলা এবং ১২ জন

পুরুষ রয়েছে। এই অভিযোগগুলি সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রাখে।

মুজফ্ফরপুরের ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক আলোড়ন উঠেছিলো

এই ঘটনার পরে আসামীর রাজনৈতিক পৃষ্ঠভূমির কারণে বিহার সরকারের ওপর অনেক

আক্ষেপ করা হয়েছিলো। এই নিয়ে খোদ নীতিশ কুমারের আলোচনা করা হয়। অনেক বিরোধী

দলের নেতারা এই ঘটনার জন্য দায়ী ঠাকুরের বিরুদ্ধে পুলিস কোন কাজ করছে না, এই কথাও

বলেন। ব্যাপারটি নিয়ে প্রচুর জল ঘোলা হবার পরে এই কেসের তদন্ত সিবিআই কে দেওয়া হয়।


 

Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.