My title page contents Press "Enter" to skip to content

মব লিঞ্চিং আটকাবার জন্য কঠোর আইনের দরকারঃ মায়াবতী




লখনৌঃ মব লিঞ্চিং আটকাবার জন্য কঠোর আইনের দরকার। এই উক্তি করেছেন বসপা প্রমুখ মায়াবতী।

এবার মব লিঞ্চিং এর বিরুদ্ধে মায়াবতীও মুখর হলেন। বহুজন সমাজ পার্টির অধ্যক্ষ মায়াবতী

মব লিঞ্চিং এর বিরোধিতা করে কঠোর আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়ে বলেছেন যে

এই মব লিঞ্চিং এর শিকার কেবল দলিত, আদিবাসী বা ধার্মিক সংখ্যালঘু সমাজের লোকেরাই নয়

বরঞ্চ সমাজের সাধারণ মানুষ এবং পুলিশও এর শিকার।

মায়াবতী লখনৌতে বলেন যে  এই ধরণের হিংসা একটি ভয়ানক রূপ ধারণ করে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন যে এই রোগটি ভারতীয় জনতা পার্টির সরকারের বিফলতার প্রতীক।

আসলে বিজেপি সরকার আইন-কানুনের ব্যবস্থা কায়েম করতে বিফল হয়েছে।

এর শিকার এখন শুধুমাত্র দলিত, আদিবাসী বা ধার্মিক সংখ্যালঘু সমাজের মানুষই নন।

সাধারণ সমাজ এবং পুলিশের লোকেরাও এর শিকার হচ্ছেন।

মব লিঞ্চিং এর ঘটনা আগে কদাচিৎ শোনা যেত

মায়াবতী বলেন যে মব লিঞ্চিং এর ঘটনা আগে কদাচিৎ শোনা যেত, কিন্তু বর্তমানে এটি একটি ভয়াবহ আকার নিয়েছে।

দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পারস্পরিক হানাহানি ও হিংসায় বদলে গেছে।

যার ফলে সভ্য সমাজে চিন্তা বেড়ে গেছে।

শীর্ষ আদালতও এই ব্যাপারে সকলের নজর টেনে এনে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে নির্দেশ জারি করেছে।

কিন্তু তা সত্ত্বেও কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার এই ব্যাপারে একটুও সিরিয়াস নয়।

এই ব্যাপারে উত্তর প্রদেশ রাজ্য বিধি আয়োগ এই ব্যাপারে যেই পদক্ষেপ নিয়েছে, মায়াবতী তাকে সমর্থন

করে বলেছেন যে “এই ব্যাপারে উত্তর প্রদেশের প্রচেষ্টাকে আমি স্বাগত জানাই।

আমি মনে করি যে এই ঘটনায় দোষীদের যাবজ্জীবন কারাদন্ডের শাস্তির জন্য যে সিফারিশ করা হয়েছে, তা সঠিক”।

বসপা অধ্যক্ষ বলেছেন যে, পাগলের মত এই ভিড়ের হিংসার যে ঘটনা বেড়ে চলেছে,

তাতে সমাজের মধ্যে পরস্পরিক সম্পর্ক খারাপ হচ্ছে।

অনেকেই মনে করছে যে জাতি এবং ধর্মের নামে তারা আইনের সাথে খেলা করতে পারে।

তারা মনে করে যে বিজেপি সরকার তাদের সংরক্ষণ দেবে।

এই রকম মনোবৃত্তির কারণেই হিংসার ঘটনা থামছে না।

তিনি বলেন যে উত্তরপ্রদেশের উন্নাওয়ে কিছুদিন আগেই যে ঘটনা ঘটেছে

সেটা প্রমাণ করে যে মানুষের সামাজিক জীবন কতটা চাপের মধ্যে রয়েছে

এবং সেটা প্রত্যেকেই কোন না কোন ভাবে প্রভাবিত করছে।

এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা।



Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.