My title page contents Press "Enter" to skip to content

ঝাড়খন্ডের বেশীর ভাগ বিজেপি সাংসদ মোদী ঢেউ এর ওপর নির্ভরশীল




  • সব জায়গাতেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ

  • বর্তমানে মাত্র দুজন বিজেপি এম পি এগিয়ে রয়েছেন

  • সরকার ও জনগণের ভেতর যে দূরত্ব তৈরী হয়েছে

  • দূর করতে হিমশিম খাচ্ছেন বড় বড় নেতারা

সংবাদদাতা

রাঁচিঃ  ঝাড়খন্ডের ১৪ টি সীটে বিজেপি প্রার্থীদের অধিকাংশই মোদী ঢেউ এর ওর
নির্ভরশীল।

রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে যেরকম খবর আসছে, তা থেকে বলা যায় যে মাত্র

দুজন প্রার্থীই বিগত পাঁচ বছরের কাজের ওপর নির্ভর করে নির্বাচনের রেসে এগিয়ে আছেন।

বাকি সব কটি সিটেই প্রার্থীরা মোদীর ভরসায় মাঠে নামছেন।

আসলে রাজ্যের বেশীর ভাগ এলাকার জনগণই রাজ্য সরকারের নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

রাজ্যের বিজেপি সরকারের জমি অধিগ্রহণ নিয়ে যেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে,

সেটি সরকারের বিরুদ্ধে গিয়েছে। এই নিয়ে জনতার প্রশ্নের কোন সঠিক জবাব

রাজ্য সরকার দিতে পারছে না।

ঝাড়খন্ডে বিগত পাঁচ বছর ধরে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে অনেক ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কিন্তু জমি সম্পর্কিত কিছু নীতি মানুষকে সরকার থেকে বিমুখ করেছে।

বিশেষভাবে কৃষকরা রাজ্য সরকারের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।

অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে এঁদের প্রতি কোন রকম নজর দেওযা হয় নি

কিংবা তাঁদের বিশ্বাস ফিরে পাবার জন্য কোন রকম চেষ্টাও করা হয় নি।

এর ফলস্বরূপ যখন বিজেপি প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারে গ্রামে যাচ্ছেন, তখন তাঁদের

এই সব প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

আবার অন্যদিকে যেই সকল বেজেপি প্রার্থী আগে এগিয়ে আছেন, তাঁদের পেছনে তাঁদের বিগত পাঁচ বছরের কাজের একটা ফলাফল দেখা যাচ্ছে।

এ ছাড়াও বিপক্ষ দলগুলির গুটবাজী এঁদের জন্য কিছুটা হলেও লাভ এনে দিচ্ছে।

বিপক্ষের মহাগঠবন্ধনের ফর্মূলা তৈরী হয়ে যাবার পরও গোষ্ঠী দ্বন্দ চলছে।

এর প্রভাব অবশ্যই সেই দলগুলির প্রার্থীদের ওপর পড়ছে, যার ফলে বিজেপি প্রার্থীদের লাভ হচ্ছে।

কিন্তু নির্বাচনে এর লাভ পুরোপুরি পাবার জন্য এবং দলের প্রার্থীদের জয় সুনিশ্চিত

করবার জন্য এঁদের সবাইকে নরেন্দ্র মোদীর হাওয়াকে ঝড়ে পরিণত করা

পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

খুঁটি সংসদীয় সীটের বিজেপি প্রার্থী রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অর্জুন মুন্ডাও

বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাস ও তাঁর সরকারের কার্যকলাপের শিকার হয়েছেন।

যদিও তিনি এই এলাকার প্রাক্তন সাংসদন কাড়িয়া মুন্ডা ও বিজেপির পুরো সমর্থন পাচ্ছেন

তাও পত্থলগাঢ়ী সময় পুলিশের অত্যাচারের জন্য এলাকায় ব্যপ্ত ক্ষোভের মুখোমুখি হতে
হচ্ছে।

অর্জুন মুন্ডার রাজনৈতিক পরিপক্কতা তাঁকে এই ক্ষোভের থেকে বেরিয়ে আসতে
সাহায্য করছে।

তিনি গ্রামবাসীদের প্রশ্নের জবাব দিতে সক্ষমও হচ্ছেন।

অন্যদিকে হাজারীবাগের গ্রামবাসীদের ওপর গোলা ছোড়ায় ঘটনার সেই এলাকার বাসিন্দারা সরকারের ওপর বেজায় খাপ্পা।

তাঁদের শান্ত করতে এলাকার সাংসদ জয়ন্ত সিন্হাকে মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হচ্ছে।

যেই সময় এখানে গুলি চলেছেল, তখন নির্বাচনের হাওয়া না থাকায় সরকারের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে বিশেষ নজর দেওয়া হয় নি।

কিন্তু যেমন যেমন নির্বাচন এগিয়ে আসছে, এই ঘটনাটি অন্য সব ঘটনাকে ছাপিয়ে যাচ্ছে।

প্রায় একই রকম পরিস্থিতি হয়েছে গোড্ডায়।

সেখানে অডানীর পাওয়ার প্লান্টের জন্য গ্রামবাসীদের উচ্ছেদ করার ঘটনার বদলা নিতে
তাঁরা প্রস্তুত হচ্ছেন।

এর জন্য সেখানকার বর্তমান সাংসদ নিশিকান্ত দুবেকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

সব মিলিয়ে রাজ্য সরকারের বিগত কার্যকাল কয়েকটি মামলায় ভালো হলেও মানুষের মনে দাগ কাটতে পারে নি।

তাই এখন যখন সুযোগ এসেছে, এলাকার মানুষজন দলের প্রার্থীদের ওপর বদলা নেবার জন্য কোমর বেঁধে তৈরী হচ্ছেন।

তাই মনে করা হচ্ছে যে যদি এরকম কিছু হয়,

তাহলে এই রাজ্যে বিজেপির সিট আগের বারে তুলনায় প্রায় অর্ধেক হয়ে যাবে।




Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Mission News Theme by Compete Themes.