জলপাইগুড়িঃ চিতাবাঘের আতংক ছড়িয়ে পড়েছে এই এলাকার অনেক

চা বাগানে। গত এক মাস ধরে ডুয়ার্সের লক্ষ্মী পাড়া চা বাগান দাপিয়ে

বেড়ানো চিতাবাঘ টিকে খাঁচা বন্দী করতে চা বাগানের ১৪ নং সেকশানে

ছাগলের টোপ দিয়ে খাঁচা পাতে বনদপ্তর। প্রায় একমাস পর সেই খাচায়

বন্দী হোলো একটি পূর্ন বয়স্ক চিতাবাঘ। আর এতে হাফ ছেড়ে বাঁচলো এই

চা বাগানের শ্রমিকরা। শুক্রবার সকালে চা বাগানে কাজ করতে এলে

চিতাবাঘের গর্জন শুনে এগিয়ে আসে চা বাগানের শ্রমিকরা। দেখেন খাঁচায়

দাপাদাপি করছে একটি চিতাবাঘ। এরপর তারা খবর দেয় বিন্নাগুড়ির

ওয়াইল্ড লাইফ স্কোয়াডে। বিন্নাগুড়ি ওয়াইল্ড লাইফ স্কোয়াডের রেঞ্জার

অর্ঘ্যদীপ রায় জানান লক্ষী পাড়া চা বাগানের বাসিন্দাদের চিতাবাঘের

হামলার অভিযোগে প্রায় একমাস আগে আমরা খাচা পেতেছিলাম।

আজ ধরা পড়লো। এটি একটি পূর্ণ বয়স্ক স্ত্রী চিতাবাঘ। আমরা এর

পর্যবেক্ষণ করে জঙ্গলে ছেড়ে দেবো।

চিতাবাঘের আতংক দেখে লাগান হয়েছিলো খাঁচা

আলিপুরদুয়ার জেলার তুলসীপাড়া চা বাগান খাঁচাবন্দী হল একটি

কমবয়সী পুরুষ লেপার্ড। আলিপুরদুয়ার জেলার তুলসীপাড়া চা বাগান

খাঁচাবন্দী হল একটি কমবয়সী পুরুষ লেপার্ড। বনদপ্তরের পাতা খাঁচায়

তুলসীপাড়া চা বা গানের ৩ নং সেকশন থেকে খাঁচাবন্দী হয় লেপার্ডটি ।

উল্লেখ্য গত ১৭ ডিসেম্বর গ্যা রগেণ্ডা চা বাগানের একটি যুবতিকে লেপার্ড

আক্রমণ করে এবং পরবর্তীতে তুলসীপাড়া চা বাগান থেকে সেই যুবতীর

রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পরবর্তীতে বনদপ্তর থেকে তুলসীপাড়া, গ্যা

রগেণ্ডা , রামঝোড়া, ধুমচিপাড়া চা বাগানে প্রায় নয়টি বেশি খাঁচা বসানো

হয়। শুক্রবার সকালে তুলসীপাড়া চা বাগানে ৩ নং সেকশনে কাজ করতে

গিয়ে বাগানের শ্রমিকরা লক্ষ্যত করে একটি লেপার্ড খাঁচাবন্দী হয়েছে।

শ্রমিকরা বনদপ্তরে খবর দেয় ঘটনাস্থলে লঙ্কাপাড়া রেঞ্জের বনকর্মীরা এসে

খাঁচাবন্দী লেপার্ডটিকে উদ্ধার করে দক্ষিণ খয়েরবাড়ি নিয়ে যায়।

গত বছর গুলির তুলনায় এই বছর চিতাবাঘের হামলা বেড়ে গেছে বলে

বোঝা যাচ্ছে। চা বাগান এলাকার অনেক বসতি গুলোর আশে পাশেও

তাঁদের আসতে দেখা যাচ্ছে। যেখানে এদের ওপর নজর পড়েনি, সেখানেও

চিতাবাঘের পায়ের ছাপ গ্রামের লোকজন দেখতে পাচ্ছেন


 

Spread the love

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.