My title page contents Press "Enter" to skip to content

গুরু গ্রহের চাঁদেও হয়ত আছে হলদে রংগের নূনের মতন পদার্থ




  • তবে তার যৌগিক নিয়ে বিজ্ঞানিরা একমত নন

  • এই উপগ্রহের মাটিতে হালকা হলুদ পদার্থ

  • পাঠানো স্পেক্ট্রোমিটার থেকে পাওয়া তথ্য

  • সেখানে মাটির নীচে সমুদ্রের খোঁজ চলছে


প্রতিনিধি

নয়াদিল্লীঃ গুরু গ্রহের চাঁদেও হয়ত শেষ অব্দি নূন পাওয়া যাবে।

মহাকাশ যান থেকে পাওয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করে বিজ্ঞানিরা এই কথা বলেছেন।

এই গুরু গ্রহের চাঁদের পৃষ্ঠের উপর হলুদ পদার্থ হয়তো আমারা যে নূন খাই তার কাছাকাছি।

তবে সেখানে নূন পাওয়া গেলে সেখানে আগে কি সমুদ্র ছিলো, সেই নিয়ে বিচার শুরু হয়েছে।

মহাকাশযান ভয়েজার এবং গ্যালিলিও এর ডেটা থেকে এই প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে।

বৈজ্ঞানিকরা এই ডেটা বিশ্লেষণ করে উপসংহারে এসেছেন যে সেখানে বরফের অবস্থায় সমুদ্রের জল আছে।

সেই সমুদ্র থেকে এই নূন উঠে এসেছে। এটা ওপর থেকে দেখতে হাল্কা হলূদ রংগের।

এই এলাকার ওপর দিয়ে যাওয়া গ্যালেলিও যানে একটি ইনফ্রারেড স্পেক্ট্রোমিটার ছিলো।

সেই যন্ত্র সেখানের অবস্থ্যা জানিয়েছে।

নাসার ভিডিও তে দেখুন ইউরোপা অভিযান

যান থেকে পাওয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করে একদল বিজ্ঞানী মনে করেন যে এটি ম্যাগনেসিয়াম সালফেটের মতন।

মানে আমরা খাবারে যে নূন খাই, তার কাছের লবণ।

এর সাথেই জানা গেছে যে সেখানে যে বরফ আছে, সেগুলি অপেক্ষাকৃত নতুন।

তাই ধরে নেওয়া হচ্ছে যে সেখানের ভৌগলিক পরিবর্তন এখনও ঘটে চলেছে।

তাই এর ওপর ভিত্তি করে বিজ্ঞানিরা সেখানে মাটির গভীরে সমুদ্র আছে কি না সেটা জানতে চান।

গুরু গ্রহের চাঁদেও লবণের বিভেক সম্পর্কে মতামত ভিন্ন

সেখান থেকে দেখতে পাওয়া এই হলূদ পদার্থের ব্যাপারে কিছূ বিজ্ঞানি মনে করেন যে

এটি আসলে ম্যাগনেসিয়াম সালফেটের নয়। এটি আসলে সোডিয়াম ক্লোরাইড হতে পারে।

এই সম্পর্কে প্রকাশিত একটি আন্তর্জাতিক থিসিসের সহ লেখক মাইক ব্রাউন জানিয়েছেন যে

ইনফ্রারেড স্পেক্ট্রোমিটার দিয়ে এই ব্যাপারে স্পষ্ট মত তৈরি করা কঠিন।

সেখানের ওপর দিয়ে যে যান গেছে তার ভিতরে একটিতে এই স্পেক্ট্রোমিটার ছিলো।

তাই এটা নিয়ে এখন আরও অনুসন্ধান চালান উচিত।

সেখানে লবণ থাকলেও সেটা কি ধরনের সেই ব্যাপারে এখন সূস্পষ্ট ভাবে কিছু বলা কঠিন।

ভবিষ্যতে স্থান মিশন এবং এটি সম্পর্কে আরও তথ্য প্রদান করতে আশা করা হচ্ছে।

এই গবেষণা প্রবন্ধের প্রধান লেখক সামান্থা ট্রূম্বো বলেছেন কোন সরঞ্জাম যে গাড়ির, যা সেখানে বা রেকর্ড থেকে তরঙ্গ পরিমাপ বলতে পারল না।

তাই এখন এটি সমগ্র কিছু অনুমান উপর ভিত্তি করে।

সুতরাং বৈজ্ঞানিক সেইসাথে লবণ তো দূরের কথা আরো স্পষ্ট ভবিষ্যতে জানাতে চাই।

এর পরে অনুসন্ধানের সাথে যুক্ত বাকি বিজ্ঞানিরা আবার থেকে সমস্ত ডেটা বিশ্লেষণ করে দেখছেন।

যাতে যদি কোন কিছূ দেখা ছেড়ে গিয়ে থাকে তো সেটার ভিত্তিতে এই অনুসন্ধানকে আরও আগে নিয়ে যাওয়া যাবে।

ভবিষ্যতে সেখানে আসলে কি আছে সেটা জানতে আরও পরীক্ষা হবে

জেনে রাখা ভাল যে সমস্ত মহাকাশ অভিযানের একটি উদ্যেশ্য আসলে মানূষ বা পৃথিবীর জীবনের জন্য অন্য একটি ঠিকানা খোঁজা।

তাই বিজ্ঞানিরা সমস্ত গ্রহ এবং তার উপগ্রহে বরফ বা জল খূঁজে বেড়াচ্ছেন।

এই দূটি পাওয়া গেলে সেখানে নতূন করে জীবন স্থাপিত করা সম্ভব হয়ে উঠতে পারে।

তাছাড়া বিজ্ঞানিরা এই সব জায়গায় পৃথিবী থেকে শেষ হয়ে যাওয়া সমস্ত খনিজ খূঁজে বেড়াচ্ছেন।

যাতে পৃথিবীর খনিজের ভাণ্ডার শেষ হয়ে গেলে তার অন্য ব্যাবস্থা করা যায়।


মহাকাশ বিজ্ঞানের আরও কিছূ ভাল খবর এখানে পড়ুন




Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Mission News Theme by Compete Themes.