My title page contents Press "Enter" to skip to content

ঝাড়খন্ডে সরকারি মোবাইল ক্রয়ে খোলাখুলি দুর্নীতি




  • ছয় হাজারের মোবাইল নয় হাজারে কেনা হচ্ছে

  • সরকার ছাড়া সবাই জানে কত কমিশন পাবে

  • টেন্ডারে পাস কোম্পানি প্রযুক্তিগত শর্ত পূরণ না

  • খোলা বাজারের চেয়ে বেশি দামে কেনা নিয়ম বিরুদ্ধ

সংবাদদাতা

রাঁচিঃ ঝাড়খন্ডে সরকারি মোবাইল কেনার টেন্ডারে দূর্নীতি হচ্ছে।

খোলা চোখে দেখা যাচ্ছে যে এই মোবাইল কেনার নামে কিছূ লোক নিজের পকেট ভারী করতে চলেছে।

এই ব্যাপারটা বোঝার জন্য কোন স্পেশালিস্ট হবার দরকার নেই।

আজকাল অনেকেই অনলাইন জিনিষ কেনেন।

সেই অনলাইনে যে মোবাইল কম দামে পাওয়া যাচ্ছে সেটি তিন হাজারের বেশি দাম দিয়ে কেনার কারণ কি থাকতে পারে, সেটা বুঝতে অসুবিধা হয় না।

অনলাইন সাইটে এই মোবাইলের দাম 6571 টাকা।

সেই মোবাইল ঝাড়খন্ডে সরকার নয় হাজার টাকা দিয়ে কিনতে চলেছে।

এই ক্ষেত্রে, সরকার ব্যতীত সবাই জেনে গেছে যে এই মোবাইল কেনার জন্য কে কত মাল কমিশন পারে।

পরে হয়তো এই নিয়ে নতূন করে কোন ইনভেস্টিগেশান অর্ডার করা হবে।

কিন্তু এখন যারা এর সাথে যূক্ত সবাই নিজের পকেট ভারী করতে ব্যাস্ত আছে।

ঝাড়খন্ডে নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রনালয় এই মোবাইল ফোন কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নয় হাজার টাকার বেশি দামে প্রতি মোবাইল কেনার খবর পাবার পরে

সর্বপ্রথম অনলাইনে এই মোবাইলের দাম দেখা হয়।

সেখানে তার দাম ৬৫৭১ টাকা থাকার দরুন সন্দেহ বাড়ে।

তাই এই পূরো টেন্ডার পেপার দেখে বোঝা গেছে যে আসলে আগে থেকেই ঠিক করা ছিলো

যে এই কম্পানিকেই এই টেন্ডারটি দেওয়া হবে।

শর্ত গুলি দেখে বোঝা যায় যে হয়তো এই কম্পানির লোকেরাই টেন্ডার স্পেসিফিকেশন তৈরি করে ডিপার্টমেন্টের হাতে ধরিয়ে দিয়েছে।

তারা শুধু টেন্ডারটি ইশূ করেছেন।অনলাইন এবং অফিসিয়াল দামে এত অন্তর থাকার পরে

বাকি সব ব্যাপার গুলে খূঁটিয়ে দেখা হলে বোঝা যাচ্ছে যে এই টেন্ডারে সরকারের সব রকম নিয়মের পালন করা হচ্ছে না।

সরকার বা কেন্দ্র সরকারের নিয়ম হচ্ছে যে সরকার সবচেয়ে কম দামে কোন জিনিষ কিনবে।

ঝাড়খন্ডে এই মোবাইল কেনা পরে কিছূ লোককে জেলে পাঠাবে

এটা জানা থাকার পরেও বেশি দামে কেন মোবাইল কেনা হচ্ছে, সেটা পরে হয়ত কিছূ লোককে জেলে পাঠাবে।

এই ব্যাপারটির খোঁজ নিয়ে জানা গেছে যে এই অতিরিক্ত টাকার ভিতরে কে প্রতি মোবাইল এক হাজার টাকা এবং কোন অফিসার প্রতি মোবাইল ৫০০ টাকা পাবে।

ডিপার্টমেন্টের বাইরে এটি সবাই জানে।

এই বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পর, এই দরপত্রের প্রযুক্তিগত দিকগুলির তদন্তে এই কোম্পানির সাথে চুক্তিটি কীভাবে দেওয়া হয়েছিল, এই বড় প্রশ্নও উত্থাপিত হচ্ছে।

প্রযুক্তিগত মানদণ্ড অনুযায়ী, ক্রয়কৃত মোবাইলের গতি 1.3 গিগাহার্জ সেট করা হয়।

টেন্ডারে বলা হয়েছিলো যে মোবাইলের পর্দা পাঁচ সেমি থাকবে।

আলাদা করে পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে এই মোবাইল এই দূটি শর্ত পূরণ করে পারে না।

এই মোবাইলের ক্ষমতা ১.২৫ গিগাহার্জ এবং তার স্ক্রীনের সাইজ নির্ধারিত শর্তের চেয়ে কম।

তা সত্তেও মোবাইল কেনার ব্যাপারে এই এক কম্পানি এবং তার সাপ্লায়ারের ওপর

পুরো ডিপার্টমেন্ট নির্ভর করে আছে।

বাকি সব কম্পানিদের টেন্ডার রিজেক্ট করে দেওয়া হয়েছে।



Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.