My title page contents Press "Enter" to skip to content

ঝারখণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে নিয়ে কেন্দ্রে আলোচনা শুরু




রাঁচিঃ ঝারখণ্ড বিধানসভা নির্বাচনের পালা। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রে এই নির্বাচন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে।

এখন যখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীমন্ডল গঠন করা হচ্ছে, তার মধ্যেই এই আলোচনা উঠে আসছে।

এই নতুন মন্ত্রীসভায় ঝাড়খণ্ডের সাংসদরা কে কি জায়গা পাবেন তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়ে গেছে।

৩০ মে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণের পর পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হয়ে যাবে আশা করা যাচ্ছে।

ভাবা হচ্ছে যে এই বার মন্ত্রীমন্ডল গঠন করার সময় ঝাড়খন্ডে আগামী বিধানসভা নির্বাচনের ব্যাপারটিকেও নজরে রাখা হবে।

লোকসভা নির্বাচনের পর এমন শোনা যাচ্ছে যে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বর্তমান বিধায়কদের অনেকেই হয়তো জায়গা পাবেন না।

যদিও মোদি এবং আমিত শাহ দুজনেই জানেন যে ঝারখন্ড থেকে কাকে কাকে মন্ত্রী করা হবে,

কিন্তু যখন তাঁরা মন্ত্রমন্ডল গঠন করবেন, তখন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের তারিখও মাথায় রাখবেন।

বিজেপির অভ্যন্তরে যে ধরনের আলোচনা চলছে, তাতে মনে করা হচ্ছে যে, যে সমস্ত রাজ্যে এই বছর

বা আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচন হবে, মন্ত্রীমন্ডল গঠন করার সময় সেই সব রাজ্যগুলির দিকে দল বিশেষ নজর দেবে।

ঝারখণ্ড বিধানসভা নির্বাচন এই বছরের শেষে হব। বিহারে সামনের বছর বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।

তার পরের বছর পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হবে।

২০১৪ লোকসভা নির্বাচনের পর যে মন্ত্রীসভা গঠিত হয়েছিল, তাতে রাজ্য থেকে দুজন সাংসদকে মন্ত্রী পদ দেওয়া হয়েছিল।

তার মধ্যে সুদর্শন ভগত ও জয়ন্ত সিনহা ছিলেন।

এই দুজন মন্ত্রী ২০১৯ এর লোকসভা ভোটেও জয়লাভ করেছেন।

এর পরে বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে সাঁওতাল পরগনাতেও পার্টি বিশেষ নজর দেবে।

রাজ্যের আদিবাসীদের মধ্যে ব্যাপ্ত অসন্তুষ্টিকে দূর করার চেষ্টাও করা হবে।

ঝারখণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির রাস্তায় অনেক কাঁটা

কেননা লোকসভা নির্বাচনে যদিও পাঁচটি সংরক্ষিত আদিবাসী সংসদীয় সিটে তিনজন বিজেপি প্রার্থী

জয়লাভ করেছেন কিন্তু এই জয়ের ব্যাবধান খুব সামান্য ছিল।

মোদি ঢেউয়ের পরেও দল, বিশেষ করে প্রার্থীদের বেশ কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল।

ঝাড়খণ্ডের বিজেপিকে যাঁরা জানেন সেইসব রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন যে এইবার

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভায় অনগ্রসর শ্রেণীর প্রতিনিধিত্ব থাকবে।

রাজ্য থেকে মন্ত্রী কোটা দুই থেকে বাড়িয়ে তিন করা হতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাস সহ বিজেপি

এবং সহযোগী দলের নেতা এবং নবনির্বাচিত সাংসদরা শনিবার দিল্লিতে ছিলেন।

তাঁরা সকলেই নরেন্দ্র মোদিকে এন ডি এ সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করার ব্যাপারে আয়োজিত বৈঠকে

উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সংগঠনের সব তাবড় নেতারা এখন দিল্লিতে রয়েছেন বলে জানা গেছে।




Spread the love
More from নির্বাচনMore posts in নির্বাচন »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Mission News Theme by Compete Themes.