My title page contents Press "Enter" to skip to content

ইন্দৌরে সুমিত্রা মহাজনের অনুপস্থিতিতে বিজেপির রাস্তা অনেক কঠিন হয়ে গেছে




ইন্দৌরঃ ইন্দৌরে সুমিত্রা মহাজনের অনুপস্থিতিতে কংগ্রেস প্রার্থী পঙ্কজ সিংঘবী ও বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর লালওয়ানীর মধ্যে জোরদার টক্কর হতে চলেছে।

যদিও ইন্দৌর লোকসভা আসনে বিজেপি, কংগ্রেস, বসপা এবং অন্যান্য দল ও নির্দল মিলিয়ে ২০ জন প্রার্থী নিজেদের ভাগ্য পরীক্ষা করছেন,

কিন্তু প্রধান লড়াই বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে হবে।

গত ৮ বার থেকে ইন্দৌরের সাংসদ সুমিত্রা মহাজন ১৯৮৯ এ প্রথমবার নির্বাচনে জয়লাভ করে সংসদে পৌঁছেছিলেন।

স্থানীয় পরিভাষা অনুযায়ী তাই (বড় বোন) নামে জনপ্রিয় শ্রীমতী মহাজন জীবনের ৭৫ টি বসন্ত পার করে ফেলেছেন।

বিজেপিতে বেশী বয়সের নেতা-নেত্রীদের প্রার্থী না করার যে চল শুরু হয়েছে, তাতে সুমিত্রা মহাজন নিজেই নির্বাচনে প্রার্থী হতে অস্বীকার করেন।

এরপর দলের ভেতরে গভীর মন্ত্রনা হয়। তারপর লালওয়ানীকে এখান থেকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ইন্দৌরে পারমার্থিক এডুকেশন ইনস্টীট্যুটের সঞ্চালক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত শ্রী সিংঘভী এর আগে ১৯৯৮ (১২তম লোকসভা) এর নির্বাচনে সুমিত্রা মহাজনকে বেশ নাকাল করেছিলেন।

সিংঘভী সুমত্রা মহাজনের থেকে মাত্র ৪৯,৮৫২ ভোটে পিছিয়েছিলেন।

অন্যদিকে লালওয়ানী ইন্দৌর বিকাস প্রাধিকরণের দু বার অধ্যক্ষ হয়েছিলেন।

এ ছাড়াও তিনি বিজেপির নগর অধ্যক্ষ পদ সামলেছেন। শ্রী লালওয়ানী বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার সুবাদে স্থানীয় মানুষজনের মধ্যে বেশ চেনা মুখ।

নিজের নিজের দলের প্রার্থীর হয়ে দুটি দলেরই শীর্ষ নেতারা এখানে বেশ কয়েকটি জনসভাও করেছেন।

বিজেপির তরফে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীস, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানী,

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গডকরী, নরেন্দ্র সিংহ তোমর সমেত প্রায় এক ডজন হেভী ওয়েট নেতাকে বিজেপি এখানে নিয়ে এসেছিল।

বিজেপির রণনীতি ডিমনিটাইজেশন, জিএসটির মতো সরকারের বিভিন্ন নীতিকে সমর্থন করা এবং নরেন্দ্র মোদির পরিষ্কার ছবিকে মানুষের সামনে রাখার ওপর ফোকাস করে ভোট সংগ্রহ করা।

২০০৯ এ (১৫তম লোকসভা নির্বাচন) কংগ্রেস মাত্র ১১,৪৮০ ভোটে ইন্দৌর আসনে পরাজিত হয়েছিল।

২০১৪ (১৬ তম লোকসভা) তে মোদি ঢেউ এর জন্য শ্রীমতী মহাজন নিজের লোকসভা আসনে রেকর্ড ভোট

৪,৬৬,৯০১ ভোটে জয়লাভ করেছিলেন।

ইন্দৌরে সুমিত্রা মহাজন রেকর্ড ভোটে জয়লাভ করেছিলেন

বর্তমান পরিস্থিতিতে কংগ্রেস গত বছরের বিধানসভা নির্বাচনে ইন্দৌর লোকসভা ক্ষেত্রের ৮ টির মধ্যে ৪ টি বিধানসভা আসনে কব্জা করতে সক্ষম হয়েছিল।

তাই কংগ্রেস নিজেদের জয় নিয়ে এবারও আত্মবিশ্বাসী।

কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, নভজ্যোৎ সিংহ সিধু, ভুপেশ বঘেল এর মতো স্টার প্রচারকরা দলের প্রার্থীর পক্ষে প্রচার করে গেছেন।

বিজেপির তরফে স্থানীয় বিধায়ক রমেশ মেন্দৌলা লোকসভা সমন্বয়কের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান, সুমিত্রা মহাজন শ্রী লালওয়ানীর জন্য জনসম্পর্ক করছেন।

অন্যদিকে কংগ্রেসের তরফে তাঁর রণনীতিকার হিসাবে মধ্যপ্রদেশ সরকারের মন্ত্রী সজ্জন সিংহ বর্মা, তুলসীরাম সিলাওয়াট এবং জীতু পটওয়ারীর হাতে আছে।

মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথ নিজে স্থানীয় ব্যবসায়ী, ইন্ডস্ট্রিয়ালিস্টদের এবং অন্য ভোটারদের সাথে দেখা করছেন।

মধ্য ভারতের আর্থিক রাজধানী হিসাবে স্থাপিত ইন্দৌর লোকসভা আসনের মধ্যে শহর এবং সীমান্ত অঞ্চলে গ্রামীণ বসতি আছে।

এখানকার একটি বড় জনসংখ্যা চাকুরীজীবী।

এ ছাড়াও শিক্ষা, ব্যাবসা, ইন্ডাস্ট্রী এখানকার অর্থিনীতির মূল আধার।

অন্যদিকে গ্রামীণ এলাকার একটা বড় অংশ কৃষিকাজ করে জীবন নির্বাহ করে।

গত বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের কব্জায় ইন্দৌর গ্রামীণের তিনটিই এবং শহর এলাকার একটি বিধানসভা আসন এসেছিল।

অন্যদিকে বিজেপি ইন্দৌর শহরের ৪ টি বিধানসভা আসনে কব্জা করেছিল।




Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Mission News Theme by Compete Themes.