My title page contents Press "Enter" to skip to content

প্রসূতি মৃত্যূ ঘিরে তান্ডব সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল জুড়ে




জঙ্গিপুরঃ প্রসূতি মৃত্যূ ঘিরে তান্ডব সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল জুড়ে।

আর তারই মধ্যে শনিবার এক প্রসূতির মৃত্যূকে ঘিরে  উত্তাল হয়ে উঠল

মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর মহকুমার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল।

মৃতের পরিবারের লোকেরা একজোট হয়ে হাসপাতালে ঢুকে কার্যত তান্ডব চালায় বলে অভিযোগ।

এমনকি ঘটনার সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রসেনজিৎ দাসকে মারধোর করার জন্য

ইঁট হাতে নিয়ে দাপিয়ে বেড়ায় বলেও অভিযোগ করেন হাসপাতাল কতৃপক্ষ।

ঘটনার খবর পেয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে  ছুটে আসে রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশ।

পুরো হাসপাতাল ক্যাম্পাস নিরাপত্তায় বলয়ে ঘিরে ফেলা হয়।

দীর্ঘ সময় ধরে অচলাবস্থা কাটিয়ে বিকেলের পরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসে হাসপাতালের পরিষেবা।

পরিস্থিতি আয়ত্ত্বে রাখতে মোতায়েন রাখা হয়েছে পুলিশ।

এই ব্যাপারে থানার আইসি সৈকত রায় বলেন,”খবর পেয়েই পুলিশ এসে

উত্তেজনা সামাল দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছে।

কি কারণে এই ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে”।

প্রসূতি মৃত্যুর ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয় নি এখনও

শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এই ঘটনায় কেউ গ্রেপ্তার হয় নি বলেই সূত্রের খবর।

মৃতার আত্মীয় ফারুক শেখ অভিযোগ করে বলেন,

“আমাদের পেশেন্ট সুস্থই ছিল,ডাক্তারের সঠিক চিকিৎসা না করায় এই মৃত্যূ হয়েছে”।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে রঘুনাথগঞ্জ থানার পানানগর এলাকার বাসিন্দা

রেক্সনা বিবি (২৫) প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার মহিলা ওয়ার্ডে ভর্তি হন।

প্রসবের একদিন পরে এইদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই প্রসূতির মৃত্যূ হয় বলে

পরিবারের লোকেদের জানায় হাসতাল কর্তৃপক্ষ।

এই খবর শুনেই ক্ষোভে ফেটে পরেন মৃতার বাড়ীর লোকেরা।

তাঁদের অভিযোগ,চিকিৎসায় চরম গাফিলতির জন্যেই এই ঘটনা ঘটেছে।

আর এই কারণে রেক্সনার পরিবারের লোকেদের সাথে প্রথমে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বচসা বাধে।

মুহূর্তে সেখান থেকেই ধুন্ধুমার কান্ড শুরু হয়ে যায় হাসপাতাল চত্বর জুড়ে।

ঘটনার জেরে হাসপাতালের ভিতরে  হাসপাতাল চত্বরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অন্যান্য রোগীরা।

মৃতার বাড়ীর লোকজন ইঁট,পাটকেল,লাঠি নিয়ে হাসপাতালে প্রবেশ করে

ডাক্তার ও নার্সদের উপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ।

হাসপাতালের কর্মীরাও এই ঘটনায় উপযুক্ত নিরাপত্তা দাবি করেছেন প্রশাসনের কাছে।

এই পুরো ঘটনায় হাসপাতালের ‘সিক নিউ বর্ন কেয়ার ইউনিট’ (এস.এন. সি.ইউ)

এর মেডিক্যাল অফিসার (এম.ও) সুব্রত মাঝি বলেন,

“শুরু থেকেই ওই প্রসূতির শারীরিক অবস্থা খুব ক্রিটিক্যাল ছিল।

তা আমরা ভর্তির সময় রোগীর বাড়ীর আত্মীয়কে জানিয়ে দিয়েছিলাম।

এমনকি অন্যত্র নিয়ে যাবার কথাও বলা হয়েছিল।

কিণ্তু তারা রাজি হয়নি।

ফলত রোগিণীর বাড়ীর লিখিত সম্মতি নিয়েই আমরা প্রসূতির সিজার করি।

উচ্চ রক্ত চাপ ও অন্যান্য শারীরিক জটিলতা করণে এই মৃত্যূ হয়েছে”।




Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Mission News Theme by Compete Themes.