ভারতীয় স্যাটেলাইট চন্দ্রযান জানালো যে চাঁদে আছে জল

ভারতীয় স্যাটেলাইট চন্দ্রযান জানালো যে চাঁদে আছে জল
Spread the love
  • বরফ হয়ে রয়েছে প্রচুর জল

  • নাসার বৈজ্ঞানিকরা স্বীকার করেছেন

  • জীবনের খোঁজ এবার আবার শুরু হবে

প্রতিনিধি
নয়াদিল্লি: ভারতীয় স্যাটেলাইট চন্দ্রযান একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠিয়েছে।

এই তথ্য যাচাই করা হয়েছে, এবং এবার নাসার বৈজ্ঞানিকরা স্বীকার করেছেন যে ভারতীয় স্যাটেলাইটের পাঠানো তথ্য ঠিক যে চাঁদে জল আছে।

এই জল বর্তমানে বরফের অবস্থায় রয়েছে। তাই জল পাবার পরে ওখানে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে বৈজ্ঞানিকরা খূশি। আমেরিকান স্পেস রিসার্চ নাসার বিজ্ঞানীরা এই তথ্য সম্পর্কে খুব উৎসাহিত হয়েছেন।

ভারতের উপগ্রহ চন্দ্রযানের পাঠানো তথ্য বিশ্লেষণের পর, নাসা স্বীকার করেছে যে চাঁদে জল আছে।

এই জল বরফ হয়ে রয়েছে। চাঁদের মেরুতে আছে ওনেক গুলি বড় বড় গর্ত। সেই সব গর্তে জমে রয়েছে বরফ।

এখানে দেখুন নাসার ভিডিও তে চাঁদের জলের ব্যাপারে বৈজ্ঞানিকরা কি জানিয়েছেন

নাসার প্রশাসক জিম ব্রিডস্টাইন বলেন যে আরও তথ্য এই তথ্য থেকে চন্দ্র অভিযানের প্রত্যাশা অনেক বেড়ে গেছে।

তিনি একটি আন্তর্জাতিক টিভি চ্যানেলকে বলেছিলেন যে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শত শত বিলিয়ান টন জল এই বরফের মধ্যে রয়েছে।

নাসা তার সাথে সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক তথ্য প্রকাশ করেছে।

ভারতীয় স্যাটেলাইট চাঁদের খোজ খবর নিতেই পাঠানো হয়েছে

চন্দ্রাযান একটি ভারতীয় উপগ্রহ, সেটিকে চাঁদের ওপরে অনুসন্ধান করতেই পাঠানা হয়েছে।

এই উপগ্রহ ওখান থেকে ক্রমাগত তথ্য এবং ছবি পাঠাচ্ছে, যেগুলির বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক তথ্য ভিত্তিতে, সেখানে জল থাকার কথা নিশ্চিত করা হয়েছে।

সেখানে থেকে উপগ্রহের ছবি বিশ্লেষণ করার পর বিজ্ঞানীরা এই উপসংহারে এসেছেন যে এই তুষারটি চাঁদের সহচেয়ে ঠান্ডা অঞ্চলে ভরে আছে।

সেখানে জীবন থাকার আশায়ও বিজ্ঞানীরা খনিজ জ্বালানি ও অক্সিজেনের প্রাপ্যতা সম্পর্কে আরো বেশি উৎসাহিত।

অক্সিজেন থাকা মানেও জীবনের সন্ধান। মানে সেখানেও মানূষ বা পৃথিবির অন্য প্রানীরা থাকতে পারবে।

তবে বিজ্ঞানীরা এটা নিয়ে চিন্তা করছেন যে এই বরফ কতটুকু এবং কি ভাবে ব্যবহার করা যায় এবং কতটা জল পাওয়া যাবে।

ভারতীয় স্যাটেলাইট থেকে তথ্য পাবার পর এবার রিমোট গাড়ী পাঠাবার চিন্তা

সেটার জন্য বৈজ্ঞানিকরা সেখানে এবার রিমোট গাড়ি পাঠাতে চান। এ

ই গাড়ি নিয়মিত ভাবে এই এলাকার মাটির নমূনা সংগ্রহ করবে এবং সেটির বিশ্লেষণ করে আসল ব্যাপারটা জানা যাবে।

চাঁদে জল পাওয়ার পরে এর আগের পরিকল্পনা প্রারম্ভ হয়ে গিয়েছে।

বৈজ্ঞানিকরা চান যে পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যবর্তী একটি দীর্ঘস্থায়ী স্পেস স্টেশন তৈরি করা হোক।

এই কেন্দ্র থেকে বিজ্ঞানীরা বার বার চাঁদে আসতে যেতে পারবেন এবং তাতে কম কময় লাগবে।

সেই কারনে ওকানে আরও বেশি বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান করা যাবে।

Loading...