প্রতিনিধি

ঢাকাঃ ভারতের প্রধান বিচারপতিকে নরেন্দ্র মোদির চিঠির ব্যাপারটা

মিথ্যা বলে  জানিয়েছে ভারতীয় হাইকমিশন। বুধবার বাংলাদেশের বিভিন্ন

গণমাধ্যমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অযোধ্যর বাবরি মসজিদ

মামলার রায়ের জন্য প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গোগোইকে শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা

জানানোর খবর প্রকাশিত হয়েছে।

নবেন্দ্র মোদির চিঠির সঙ্গে তাঁর ছবি দিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে সংবাদটি প্রকাশ হয়।

সংবাদটি  মিথ্যা দাবি করে বুধবার ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন থেকে

গণমাধ্যমে পাঠানো পাঠানো বার্তায় বলা হয়েছে, সংবাদটি সেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা

ও বিদ্বেষপূর্ণ। বার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়, ভারতীয় হাই কমিশনের গোচরে

স্থানীয় যোগাযোগমাধ্যমের একটি সংবাদ এসেছে যেখানে দাবি করা হচ্ছে যে,

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতের প্রধান বিচারপতিকে চিঠি

লিখেছেন। এই চিঠি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিদ্বেষপূর্ণ। এর উদ্দেশ্য বাংলাদেশের

মানুষকে বিভ্রান্ত করা ও সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্ট করা। জনপরিসরে ভারত

সম্পর্কে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা ও ভুল তথ্য প্রচার করার এই অপচেষ্টা অত্যন্ত গর্হিত

ও অনুচিত।

উল্লেখ্য, এরই মধ্যে বাবরি মসজিদ রায়ের প্রতিবাদ জানিয়ে ভারত অভিমুখে

লংমার্চ করার ঘোষণা দিয়েছে ইসলামী শাসতন্ত্র বাংলাদেশ নামের ধর্মভিত্তিক

সংগঠন।

ভারতের প্রধান বিচারপতিকে লেখা চিঠি ছড়িয়েছে

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অযোধ্যর বাবরি মসজিদ মামলার রায়ের জন্য

দেশটির প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গোগোইকে শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

গত সোমবার প্রিয় প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গোগোই সম্বোধন করে পাঠানো এই

চিঠিতে নরেন্দ্র মোদি বলেন, আমি আপনাকে এবং আপনার বেঞ্চের বিচারপতি এস

এ ববদে, বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচুদ, বিচারপতি অশোক ভূষণ ও বিচারপতি এস

আবদুল নাজিরকে হিন্দু রাষ্ট্রে আপনাদের অসাধারণ অবদানের জন্য শুরুতেই

অভিনন্দন জানাচ্ছি। হিন্দুরা আপনার উল্লেখযোগ্য ও স্মরণীয় রায়ের জন্য সর্বদা

আপনার এবং বিচারক দলের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবেন, এ রায় হিন্দু রাষ্ট্রের জন্য

একটি নতুন ইতিহাস তৈরি করবে। প্রধানমন্ত্রী চিঠিতে উল্লেখ করেন, আমি

আপনার এবং আপনার পরিবারের জন্য উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কল্যাণ কামনা করছি।

একই সাথে এই অসাধারণ রায়ের জন্য আপনাকে আবারো অভিনন্দন জানাচ্ছি।

এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অনন্য সাধারণ সমর্থনের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

ভারত থেকে ইনপুট, ভারতে যারা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ব্যাপার জানেন, তারা

এক নজরেই বুঝতে পারবেন যে আসলে এই চিঠি শুধুমাত্র জালসাজি। প্রধানমন্ত্রীর

অফিস থেকে এই ধরনের কাগজ বা লেটার প্যাড ব্যাবহার করা হয় না।

তবে জেনে রাখা উচিত যে ইদানিং কালে ভারত এবং বাংলাদেশের কূটনৈতিক

সম্পর্ক খুব একটা ভাল যাচ্ছে না। ত্রিপুরায় বাংলাদেশ সেনা কিছূ সৈনিক ধরার

পরে পশ্চিম বাংলা সীমান্তে গুলি চলার ফলে এক ভারতীয় সৈনিক মারা গিয়েছে।

তার পরে দু দেশের সীমানায় অতিরিক্ত  সৈনিক সতর্কতা চলছে।

Spread the love