আন্তর্জাতিক আদালতে পাকিস্তানের আর্জি খারিজ

ICJ
Spread the love

হেগ – আন্তর্জাতিক আদালত পাকিস্তানের আর্জি খারিজ করে দিল।

পাকিস্তান আদালতের কাছে আর্জি জানিয়েছিল যে যতক্ষণ পর্য্যন্ত নতুন বিচারপতির নিযুক্ত না হচ্ছেন,

ততদিন পর্য্যন্ত কুলভূষণ জাধবের মামলার শুনানি স্থগিত রাখা হোক। আদালত এই আর্জি মানতে নারাজ।

জম্মু কাশ্মীরের পুলওয়ামাতে সিআরপিএফ এর কনভয়ের ওপর সন্ত্রাসবাদী আক্রমনের পর ভারত ও পাকিস্তানের

সম্পর্কের অবনতির মধ্যেই সোমবার আন্তর্জাতিক আদালতে কুলভূষণের বিচার শুরু হয়েছে।

হেগের আদালতে চার দিন পর্য্যন্ত এই বিচারের শুনানি চলবে।

পাকিস্তানের জৈশ-এ-মুহম্মদের সন্ত্রাসবাদীদের আক্রমনে সীআরপীএফএর চার জন জওয়ান শহীদ হয়েছেন।

এই ব্যাপারে পাকিস্তান মঙ্গলবার স্টেটমেন্ট দিয়েছে।

নতুন এডহক বিচারপতির নিয়োগের আপীল খারিজ

আদালতে পাকিস্তান বলেছে যে একজন এডহক বিচারপতির শরীর খারাপ থাকায়

আন্তর্জাতিক আদালতে শুনানি স্থগিত রাখা হোক।

ইন্টরনেশনল কোর্ট অফ জাস্টিসে কুলভূষণ যাধবের মামলার শুনানি শুরু হওয়ার ঠিক আগে

বিচারপতি তস্সদুক হুসৈন জিলানীর হ্রদয়াঘাত হয়।

পাকিস্তানের পক্ষ সওয়াল করছেন সেই দেশের এটর্নি জেনারেল মনসুর খান।

তিনি বলেন যে আমরা আমাদের অধিকারের প্রয়োগ করে একজন এডহক বিচারপতি নিয়োগ করার কথা বলছি।

কারণ আদালতে এই মুহুর্তে আমাদের একজন বিচারপতি থাকা বিশেষ দরকার।

পাকিস্তানের পক্ষ থেকে বলা হয় যে অসুস্থ বিচারপতির জায়গায় অন্য একজন বিচারপতিকে নিয়োগ করা হোক।

এটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫-৫ এর নিয়মের মধ্যে পড়ে।

তাঁর নিযুক্তি পর তাঁকে সমস্ত ব্যাপার বুঝবার ও জানবার জন্য প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া হোক।

কিন্তু আন্তর্জাতিক আদালত পাকিস্তানের এই আর্জি মেনে নিতে অস্বীকার করে।

আদালত বলে যে অসুস্থ বিচারপতির বদলে অন্য কোন এডহক বিচারপতির নিয়োগের কোন দরকার নেই।

তাঁর অনুপস্থিতিতেই পাকিস্তানকে তাদের পক্ষে সওয়াল করতে বলা হয়।

শুনানি শুরু হওয়ার প্রথম দিন ভারত আদালতের কাছে যাধবের মৃত্যুদন্ডের বদলে তাঁর মুক্তির আপীল করে।

ভারত বলে যে পাকিস্তানের সৈন্য আদালতের ফয়সালা হাস্যাস্পদ মামলার ওপর সাজানো হয়েছে।

এতে আদালতের ন্যুনতম প্রক্রিয়াও পালন করা হয় নি।

যাধব ভারতীয় নৌসেনার প্রাক্তন অফিসার। তাঁর শুনানি রূদ্ধ দ্বারে হয়েছিল।

তাঁকে আগে গ্রেফতার করা হয়েছে ও পরে এফআইআর করা হয়েছে।

তাঁকে মিথ্যে কথা বলে আটকে রাখা হয়েছে।

এমনকি তাঁর পক্ষের উকিলকেও তাঁর সাথে দেখা করতে দেওয়া হয় নি।

তাঁর নামে যে অডিওটি শোনানো হচ্ছে, তাতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে তাঁকে ভয় দেখিয়ে মিথ্যা কথা বলতে বাধ্য করা হচ্ছে।

পাকিস্তানের সৈন্য আদালত ২০১৭ তে তাঁর ওপর গুপ্তচরবৃত্তি ও সন্ত্রাসবাদের

মিথ্যে অপবাদ দিয়ে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে, যেটা সম্পূর্ণ ভুল।

Author: Bangla R khabar

Loading...