My title page contents Press "Enter" to skip to content

মানুষের ব্যক্তিত্বের গবেষণার একটি নতুন ফলাফল সামনে এলো




  • আন্তর্জাতিকভাবে গবেষণার পরে ফলাফল জানান হয় 

  • ঘাড় ঝুঁকিয়ে যারা কথা বলেন তাদের প্রভাব বেশি

  • মানূষের প্রতিটি মুদ্রার বিশ্লেষণ করা হয়েছে

  • অনলাইন পরীক্ষা হয়েছে সবার শেষ


প্রতিনিধি

নয়া দিল্লি: মানুষের ব্যক্তিত্বের বিশ্লেষণের ওপরে একটি বড় গবেষণা করা হয়েছে।

গবেষকরা এখন এই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেছেন।

এর রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে ইন্টারন্যাশনাল সাইকোলজি জার্নালে।

গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা সাধারণত ঘাড়ে সামনের দিকে ঝুঁকিয়ে রাখেন, তারা ভিতরে থেকে শক্ত মানূষ।

যদিও এই মানুষের মুখের অভিব্যক্তিগুলি সাধারণত বোঝা যায় না।

মানসিক বিশ্লেষণ দেখায় যে এই ধরনের ভাব আসলে জানান দেয় যে এই মানুষের ওপর কোনো চাপে পড়ে না।

গবেষকরা সামনে দিকে ঝূঁকে থাকা চিবুকের বিশ্লেষণ করেছেন।

এই ধরনের মানুষের চিবূক সামনে দিকে প্রায় দশ ডিগ্রী ঝূঁকে থাকে।

সামান্য অবস্থায় যারা এই ভাবে কথা বলেন, তাঁদের গলা শিরা ফোলে না।

এই মুদ্রায় ব্যক্তির প্রভাব সামনে বেশি থাকে।

গবেষণার অধীনে, বিভিন্ন মুদ্রায় থাকা মানুষের আচরণ এবং প্রভাব তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়।

এখন এই পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে, এটি উপসংহারে পৌঁছানো হয়েছে যে

সাধারণ ভাবে এই ভালে মুখ রাখলে কোন চাপ পড়ে না।

কিন্তু যখন কেই অস্বাভাবিক ভাবে এই ভাব তৈরি করতে চায়,

তখন তাঁদের গলার শিরায় টান পড়ে এবং সেটা স্পষ্ট বোঝা যায়।

ব্রিটিশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গবেষণা দলের জেকারি বিটাকো এবং জেসিকা ট্রেসি জানিয়েছেন

যে নকল ভাবে এই চেহারা আসলে পরে সামনে মানূষের ওপর কোন প্রভাব পড়ে না।

কোন কোন পরিস্থিতে তে হঠাত এই ধরনের অবস্থ্যার সৃষ্টি হলে মানূষের এই দৃঢ়তা প্রকাশ পায়।

অন্যদিকে, যখন কেউ জোর করে এইরকম করে, তার মুখে উত্তেজনা আসে, যা বোঝা যায়।

নকল ভাবে এই মুখ তৈরি করতে গেলেই মানুষের এই চেহারায় ইংরাজি ভাষার ভি এর আকার তৈরি হয়।

সামনে থাকা মানূষ এই নকল চেহারা বূঝতে পারে।

কিন্তু যখন এটি স্বাভাবিক অবস্থায় থাকে, সামনের মানূষের ওপর প্রভাব সৃষ্টি করে।

মানূষের এই গুণ তার নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে আসে




এই গবেষণার গভীরতার মধ্যে গিয়ে, বিজ্ঞানীরা

খুঁজে পেয়েছেন যে, স্বাভাবিকভাবেই, সামাজিক জীবনের এই ঘাড় ঝূঁকিয়ে কথা বলার প্রবণতা অর্জন করা হয়।

পরিবেশ, সংস্কৃতি ও সামাজিক অ্যাক্টিভেশন মধ্যে অবচেতন মন মানূষের ভিতরে এই শক্ত ভাব তৈরি করে।

এই কারণে, সেই মানূষ স্বাভাবিক ভাবে নিজের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে।

তার ভাব দেখে বোঝা যায় যে এই মানূষ গম্ভীর প্রকৃতির এবং আজেবাজে কথা বলে না বা পছন্দ করে না।

তার মুখোমুখি হওয়ার পরেও, যে ব্যক্তি তার সাথে কথা বলছে, সে কেবল তার অঙ্গীকার থেকে তার গম্ভীরতা অনুভব করে।

এতে কোন ফাঁকিবাজী চলে না কেননা সেটা সামনে থাকা মানূষের চোখে এবং মস্তিষ্কে ধরা পড়ে যায়।

মানুষের বিভিন্ন দল তৈরি করে পরীক্ষা করা হয়

গবেষণাকে আরও ভাল উপসংহারে পরিণত করার জন্য, বিভিন্ন দলগুলি বিভিন্ন মানুষের মধ্যে এই মুদ্রার অবস্থানের মানসিক বিশ্লেষণ করেছে।

এবং পিছনের দিকে হেলে থাকা মাথার সব গুণ দোষ দেখা হয়েছে।

সব রকমের মানূষের সাইকোলজি বোঝার পরে বিজ্ঞানীরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন।

গবেষকরা আরও নিখুঁত ফল জানার জন্য শেষ দিকে অনলাইন পরীক্ষায় চালান।

এই অনলাইন পরীক্ষার প্রথম ধাপে 101 জন অংশগ্রহণ করেছে।

তাদের বিভিন্ন মুখ রেকর্ডিং, ফলাফল তাদের দ্বারা জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন উপর ভিত্তি করে ছিল।

এই প্রাথমিক গবেষণা ফলাফলের পর, পরবর্তী পদক্ষেপগুলি পুনরায় পরীক্ষা করা হয়।

এই দ্বিতীয় বারে 570 জন মানুষকে পরীক্ষা করা হয়েছিলো।

সব কিছূ বোঝার পরে বিজ্ঞানিরা জানিয়েছেন যে সোজা ঘাড়, সামনের দিকে ঝূঁকে থাকা ঘাড়

এবং পিছনের দিকে টান টান থাকা ঘাড় মানূষের ভিতরের অবস্থ্যা স্পষ্ট করে দেয়।

মজার ব্যাপার হল যে এই কাজটি নকল ভাবে করতে গেলেই সামনের সাধারণ মানূষরা সেটা সহজ ভাবে বূঝতে পারে।


বিজ্ঞানের আরও কিছূ ভাল খবর এখানে পডুন




Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Mission News Theme by Compete Themes.