নক্সালী লেভী মামলায় যার বিরুদ্ধে এনআইএ তদন্ত, তাকেই দেওয়া হয়েছে ৮ দেহরক্ষী

naxal levi
Spread the love

 

আলাদা আলাদা জেলা থেকে দেওয়া হয়েছে দেহরক্ষীদের

পুলিস অফিসারদের আইনকে বুড়ো আঙ্গুল

সংবাদদাতা, রাঁচি – নক্সালী লেভীর মামলা জনসমক্ষে আসার সাথে সাথেই

এর সাথে জড়িত অন্যান্য তথ্য সামনে আসতে শুরু করেছে।

পুলিসের থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী যার বিরুদ্ধ এনআইএ তদন্ত চলছে

সেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ঝাড়খন্ড পুলিসের পক্ষ থেকে ৮ জন দেহরক্ষী দেওয়া হয়েছে।

এনআইএ কার কার বিরুদ্ধে তদন্ত করছে, সেই ব্যাপারে পুলিস হেডকোয়ার্টার সব কিছু জানা সত্ত্বেও চুপ করে আছে।

তাদের কাছে এই প্রশ্নের কোন উত্তর নেই যে এই রকম একজন অভিযুক্তকে কিভাবে দেহরক্ষী দেওয়া হল।

এই ঘটনার পেছনে পুলিসের হাত আছে তাতে কারও সন্দেহ নেই।

জানা গেছে যে নিজেদের বাঁচাতে পুলিসের বড় কর্তারা এই সব সন্দেহজনক

ব্যক্তিদের আলাদা আলাদা জেলা থেকে দেহরক্ষী মোতায়েন করেছেন।

আইনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য এই সব করা হচ্ছে।

উল্লেখযোগ্য যে দেহরক্ষী মোতায়েন করার জন্য প্রত্যেকটি জেলার নিজস্ব কিছু নিয়ম থাকে।

একটি জেলা থেকেই ৮ জল দেহরক্ষী মোতায়েন করতে গেলে প্রশ্ন উঠতে পারে,

তাই চারটি আলাদা আলাদা জেলা থেকে ২ জন করে দেহরক্ষী এই অভিযুক্তকে দেওয়া হয়েছে।

অভিযুক্তর সাথে ৮ জন দেহরক্ষীর কথা জানাজানি হতেই সবার চক্ষুস্থির।

লোকেদের বক্তব্য যে এই দেহরক্ষী থাকার ফলে অভিযুক্ত নক্সলী খুব সহজেই লেভী আদায় করতে সক্ষম হয়।

এখন বলা হচ্ছে যে জেলাগুলিতে খোঁজ নিলেই জানা যাবে যে একজন অভিযুক্তকে

আলাদা আলাদা জেলা থেকে দেহরক্ষী দেওয়ার পেছনে কি কারণ ছিল।

পুলিশ কর্তাদের মুখে কুলুপ

অথবা এই দেহরক্ষীদের অন্য কাউকে দেওয়া হয়েছে, যে স্বেচ্ছায় তাদের এই নক্সালীর কাছে পাঠিয়েছে।

যদিও সূত্র থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী পুলিসের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরাই এর পেছনে আছেন।

তাঁরা সব জেনেশুনে মুখে কুলুপ এঁটেছেন।

পুলিস বিভাগের কর্তারা এক এক করে সব তথ্য জোগাড় করে সব গুলো নাম খুঁজে বার করার চেষ্টা করছেন।

এই দেহরক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে কে কার সাথে কোথায় দেখা করতে যেত, তার হিসাব বার করা হচ্ছে।

এমনিতেও এর আগে দুর্গাপুরের একটি বিশেষ জায়গার ব্যাপারে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন,

যেখানে এই নক্সালী অন্যদের সাথে দেখা করতে যেত।

এই সব নিয়ে তদন্তকারীদের মধ্যেও আলোচনা চলছে যে,

আগামী দিনে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলালে বেশ কয়েকজন এর মধ্যে অবশ্যই ফাঁসবেন।

বিশেষ করে পুলিসের কয়েকজন কর্তার ওপর এর রেশ পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এখন যে সমস্ত পুলিস কর্তারা নির্বাচনে নামতে প্রস্তুত হচ্ছেন, তাঁদের ওপরও এর প্রভাব পড়তে পারে।

আর সেরকম কিছু হলে তাঁদের ভোটের ময়দানে টিকে থাকাটাই কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

Author: Bangla R khabar

Loading...