My title page contents Press "Enter" to skip to content

এইচআইভি ঠিক করার পথে প্রচুর এগিয়েছেন জেনেটিক বৈজ্ঞানিকরা




  • ইঁদূরের ওপর পরীক্ষা 39 শতাংশ সফল হয়েছে

  • এই রোগের ভাইরাস শরীরের ডিএনএ ভিতরে লুকিয়ে থাকে

  • ডিএনএ থেকে ভাইরাস আলাদা করার সাফল্যতা পেয়েছেন বিজ্ঞানিরা


প্রতিনিধি

নয়াদিল্লীঃ এইচআইভি একটি জীবন বিপদজনক রোগ, আমরা সবাই খুব ভাল জানি।

বিজ্ঞানীদের এই রোগ থেকে মুক্তির পরীক্ষা এবার বোধহয় সঠিক পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

সুসংবাদ হচ্ছে বিজ্ঞানী সম্ভবত এই মারাত্মক রোগের মোকাবিলা করার একটি সমাধান আবিষ্কার করেছেন।

ইঁদুর উপর পরিচালিত পরীক্ষায়, এই পদ্ধতি সম্পূর্ণরূপে সফল হয়েছে বলে জানা গেছে।

এইচআইভি রোগ ধরা পড়ার পরে এটা মেনে নেওয়া হত যে সেই রুগির মৃত্যু নিশ্চিত।

কেননা গত চল্লিস বছর ধরে অনুসন্ধান চলার পরেও এই রোগ ঠিক করার কোন উপায় বেরোয় নি।

এখন হয়তো এই পরীক্ষা সেই চিন্তা থেকে দুনিয়াকে মুক্তি দিতে পারবে।

যদি এমন হয়, তবে এই জগতের অনেক লোক এই রোগ থেকে বেঁচে উঠবে।

ইতিমধ্যে এই রোগ সম্পর্কে জানা গেছে যে প্রকৃতপক্ষে শরীরের ভিতরে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতাকে এই রোগের বিষাণু শেষ করে ফেলে।

তার পরে কোন সামান্য রোগ হবার পরেও সেটা ঠিক হয় না।

রোগী ভাল না হয়ে এবং ধীরে ধীরে মৃত্যুর কবলে চলে যায়।

এই রোগ সম্পর্ক গবেষণা ও চিকিত্সা প্রচেষ্টা ১৯৮০র দশকের শুরু থেকে শুরু হয়েছে।

1987 সালে, রোগের প্রতিরোধের জন্য একটি পদ্ধতি প্রস্তুত করা হয়েছিল

যা গত চল্লিশ বছরের জন্য একটি জীবন বিপন্ন রোগ হিসাবে প্রমাণিত হয়েছিল।

শুধু মাত্র একটি ওষূধ বাজারে এসেছিলো যার নাম জিডূভূডিন।

তার পর থেকে ক্রমাগত ভাবে একের পর এক বিধি সামনে এসেছে।

এই সব বিধি শুধু মাত্র রোগের বিষাণুকে কন্ট্রোলে রাখতে সাহায্ করে।

সব মিলিয়ে প্রায় ২০ রকমের উপায় বেরিয়েছে।

কিন্তু এর ভিতরে কোনটাই রোগ শেষ করতে পারে না।

এইচআইভি রোগ সম্পর্ক অনুসন্ধান করার পরে বিজ্ঞানিরা জানিয়েছেন যে আসলে এই রোগের বিষাণু

শরীরে ভিতরে এমন ভাবে লুকিয়ে থাকে যে কোন ওষুধ তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে না।

প্রচলিত পদ্ধতিগুলিতে শুধু মাত্র এই বিষাণু কে ওষূধের প্রভাব নিয়ন্ত্রিত রাখা যায়।

এইচআইভি রোগ নির্ণয়ের জন্য বিজ্ঞানিরা প্রচুর গবেষনা করেছেন

এই ব্যাপারে প্রচুর অনুসন্ধানের পরে এই বিধি যারা তৈরি করেছেন তাঁরা দাবি করেছেন যে

আসলে এইচআইভি রোগের বিষাণু মানূযের ডিএনএ এর ভিতরে লুকিয়ে থাকে।

তাই কোন ওষূধ তার ওপর কোন প্রভাব ফেলতেই পারে না।

বিজ্ঞানিরা নিজেদের অনুসন্ধানে এই ডিএনএর ভিতরে লুকিয়ে থাকা ভাইরাস কে পৃথক করতে সফল হয়েছেন।

এই কাজ টি জেনেটিক এডিটিংগ দিয়ে সম্ভব হয়েছে।

এর আগে তাদের ডিএনএ থেকে আলাদা করা যেত না। যার ফলে কোন ওষূধ কাজ করতো না।

শরীরের ভিতরে ডিএনএ তে লুকিয়ে থেকে এই বিষাণু শরীরে ভিতরে হামলা চালিয়ে যেত।

বিজ্ঞানীরা এখন ডিএনএ থেকে এটিকে বের করে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

ডিএনএ থেকে ভাইরাস বিচ্ছেদ হওয়ার পরে সেটাকে শেষ করে ফেলা সহজ হবে।

ভাইরাস আলাদা করার পরীক্ষা সফল হয়েছে

এই কাজটি নেব্রাস্কা মেডিক্যাল সেন্টারের টেম্পল ইউনিভার্সিটির লুই কার্টেজ স্কুল অফ মেডিসিন (ইউএনএমসি) তে করা হয়েছে।

এই কেন্দ্রটি আসলেই জেনেটিক সম্পাদনার কাজই করে।

এখানে বিজ্ঞানীরা এইচআইভি কোষে ভাইরাস বিচ্ছেদ করার এই পদ্ধতি চেষ্টা করেছেন।

জেনেটিক সম্পাদনা দিয়ে ডিএনএ থেকে ভাইরাস আলাদা করার পরে তার প্রয়োগ দেখা হয়েছে।

ইঁদূরের ওপর এই পরীক্ষা চালান হয়েছে। এই ইঁদুরের ভিতরে মানূষের শরীরের অবস্থ্যা সৃষ্টি করা হয়েছিলো।

বিজ্ঞানিরা এই বিধির নামকরণ করেছেন। তার নাম রাখা হয়েছে লেজার পদ্ধতি।

এই পদ্ধতিতে শরীরে ভিতরের ওষুধ এক যোগে কাজ না করে ধীরে ধীরে শরীরে নিজের প্রভাব ছাড়তে থাকে।

বিশেষ করে তাদের লক্ষ্যে, নির্দিষ্ট কোষ রাখা হয়েছে।

এই অনুসন্ধানে ওষূধের প্রভাব যাতে প্লীহা, অস্থি মজ্জা এবং মস্তিষ্ককে অব্যাহত থাকে সেই ব্যাপারে নজর রাখা হয়েছিলো।

এটা এই কারণে করা হয়েছিলো কেননা এইচআইভি বিষাণু এই তিনটি জায়গায় বেশি আঘাত হানে।

এই গবেষণায় যূক্ত বিজ্ঞানীরা তাদের একটি পদ্ধতি তৈরি করেছেন।

এই পদ্ধতি নাম ক্রিসপার-ক্যাস 9। এই পদ্ধতিটি লুকানো এইচআইভি ভাইরাসকে ডিএনএ থেকে আলাদা করে।

পরীক্ষার সময়, বিজ্ঞানীরা ২3 টি 9 ইঁদুর থেকে ভাইরাসের প্রভাব পূরোপূরে শেষ করতে সফল হয়েছেন।

এই ভিত্তিতে, সাফল্যের শতাংশ প্রায় 39 শতাংশ আনুমানিক করা হয়।এই ব্যাপারে একটি বৈজ্ঞানিক পত্রিকায় এই ব্যাপারে জানান হয়েছে।

এই রিসার্চ পেপারের সহ-লেখক কামেল খালিলি, যিনি এই গবেষণায় প্রকাশ করেছেন, তিনি প্রমাণ করেছেন যে

এটি পুরোপুরি মুছে ফেলা যেতে পারে।

কিন্তু একসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে বর্তমান কাজকে আরও আগে নিয়ে যেতে হবে।

তার হিসেবে তাঁরা মঙ্গলে গ্রহের যাত্রা শুরু করেছেন।

এখন তাঁরা মাত্র চাঁদ অব্দি পৌঁচাতে পেরেছেন।

তাই এই গবেষণাকে আরও আগে নিয়ে যাবার প্রয়োজন আছে।


স্বাস্থ্য বিজ্ঞানের কিছূ ভাল খবর এখানে পড়ূন



Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.