My title page contents Press "Enter" to skip to content

নিজের বাবার মৃতদেহ থেকেই মাংস ছিড়ে খাচ্ছিলো মানসিক ভারসাম্য হীন ছেলে




  • তিন দিন ধরে ঘরে ঝূলে ছিলো বাবার এই মৃতদেহ

  • ঝামেলা সহ্য না পেরে আত্মহত্যা করেছে বাবা

  • দুর্গন্ধ পেয়ে গ্রামবাসীরা অবস্থা দেখে অবাক

মেদিনীনগর (পালামু): নিজের বাবার মৃতদেহ থেকেই মাংস ছিড়ে খাচ্ছিলো।

গত তিন দিন ধরে বাবা ফাঁসী লাগিয়ে আত্মহত্যা করার পরে তাকে খাবার দেবার কেউ ছিলোনা।

ঘরে সামনে নিজের বাবার লাশ টি ঝূলে ছিলো।

তাছাড়া আর কেউ ছিলোনা যে এই মানসিক ভাবে অসুস্থ বালককে খাবার দেয়।

কিছূ বূঝতে না পেরে সে নিজের চেনা একমাত্র মানূষ মানে

নিজের বাবার মৃতদেহ থেকেই মাংস ছিড়ে খেয়েছে।

আশে পাশের লোকেরা যখন বেশি দূর্গন্ধ পেলো, তখন বাড়ির ভিতের ঢূকে ব্যাপার দেখে আঁতকে উঠেছে।

তবে সবাই জানত যে এই ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন এবং অন্য কারুর সাথে কথা বলতে পারে না।

ঘটনাটি এখানকার পাঁকি থানার এলাকায় ঘটেছে।

ব্যাপার দেখে গ্রামবাসিরা পুলিসকে খবর দেয়।

পুলিস আসার পরে লাশ নামিয়ে এনে পোস্টমার্টমে পাঠান হয়।

এর সাথ সেই ১২ বছরের ভারসাম্যহীন ছেলেকে হাসপাতালে পাঠান হয়েছে।

নিজের বাবার মৃতদেহ খেয়েছে ক্ষিদের চোটে

এখন জানা গেছে যে আসলে মৃতক সুরেশ মোচি তার এই ১২ বছরের মানসিক প্রতিবন্ধী ছেলেটির সাথে একা থাকতো।

সুরেশ মোচি পারিবারিক ঝামেলায় খূব কষ্টে এবং মানসিক অশান্তিতে ভূগছিলো।

ডিসেম্বর ২০১৮ সালে সুরেশের স্ত্রী তার দেওরকে হত্যা করার পর পালিয়ে যায়।

সুরেশের দুই ছেলে ও দুই মেয়ে আছে। একটি পুত্রির বিয়ে হয়ে গেছে,

সে নিজের শশুরবাড়িতে থাকে।

বড় ছেলে চাকরি করার দরুন বাইরে থাকে।

দেওরকে হত্যা করার পরে মাঁ নিজের অন্য মেয়েকে সাথে নিয়ে পালিয়ে গেছে।

বাড়িতে সুরেশ নিজের এই ছেলের সাথ থাকতো।

তিন দিন আগে সুরেশ ফাঁসীতে ঝূলে পড়ে।

সেখানে কেউ ছিলো না যে এই খবর টা বাইরে আসে।

ঘরের ভিতরে থাকা ছেলে কিছূ বূঝতে না পেরে বাবার মৃতদের থেকেই ক্ষিদে মিটিয়েছে।

এখন এই ছেলেটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।




Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Mission News Theme by Compete Themes.