প্রতিবেদক

রাঁচি: জেল থেকে নিজের চূরির ব্যাবসা সে বহাল তবিয়তে চালিয়ে যাচ্ছিলো।

এক অন্য অপরাধীকে ধরার পরে পুলিস এই কথা জানতে পেরেছে। সেই সুত্রে জেলে

থেকে যে এই কারবার চালাতো, তার বাড়িতেও হানা দেয় পুলিস। সেথান থেকে

বেশ কিছূ জানা চূরির মাল পাওয়া গেছে। তবে সেখান থেকে যা সব জিনিষ

পাওয়া গেছে, সেগুলি অন্য চূরির মালও হতে পারে।

পুলিসের এই রেড হয়েছে গাড়ীখানা এলাকায়। রাঁচির সুখদেবনগর থানার পুলিশ

এই অভিযান পরিচালনা করে। সেখান থেকে উদ্ধারকৃত মালামালের ভিত্তিতে

পুলিশ ধরে নিচ্ছে যে এই মামলায় আরও অনেক বড় বড় অপরাধ প্রকাশ করা

যেতে পারে।

তদন্তের সময় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এমন চুরির ঘটনা ছাড়াও সেখান থেকে

এ জাতীয় জিনিসপত্র পাওয়া গেছে, যা অন্য অপরাধ হতে পারে। এ কারণে পুলিশ

মামলাটি তদন্ত করছে। চুটিয়ার কুনাল পাসওয়ানকে গ্রেপ্তার করার পরে, এর

লিঙ্কগুলি একে একে প্রকাশিত হয়েছিল। এই মামলায় বর্তমানে খুঁটি জেল বন্দী

শ্যামসুন্দর জালান ও ধীররাজ জালানকেও আসামি করা হয়েছে।

জানা গেছে যে জেল থেকেই সে এই ধরনের চূরির পরিকল্পনা করতো।

এর আওতায় অপরাধীরা বদ্ধ যানবাহনের কাঁচ ভেঙে তাতে রাখা মালামাল চুরি

করে নিয়ে যায়।পুলিশরা এই এলাকার কারাগারের আসামির বাড়িতে অভিযান

চালালে অনেক জিনিস উদ্ধার করা হয়। এই ক্রমানুসারে অস্ত্র এবং বৈদেশিক মুদ্রাও

পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে পুলিশ বলেছে যে কারাগারে সহ্য করার বিষয়ে ইতিমধ্যে

অনেক মামলা রয়েছে।

রাঁচি জেলা এবং আশেপাশের থানায় অনেক মামলাও এই ধরণের অপরাধের সাথে

সম্পর্কিত। যাইহোক, সূত্রগুলি যদি বিশ্বাস করা যায় তবে যানবাহন চুরির ঘটনায়

কারাবন্দী ধীরাজের নাম আগে এসেছিল।

কোনও মামলায় ধরা পড়ার পরে চুরি হওয়া অন্যান্য গাড়ি কোথায় এবং কীভাবে

উদ্ধার করা হয়েছে তা তদন্ত করেনি পুলিশ।

এখন মাল উদ্ধার হওয়ার পর আরও বেশ কয়েকটি মামলাও একের পর এক

প্রকাশিত হয়েছে বলে জানা গেছে।

Spread the love

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.