My title page contents Press "Enter" to skip to content

সোনা ভরা উল্কাপিন্ডের ওপর নজর গেছে সারা বিশ্বের




  • নাসা নতূন করে অনুসন্ধান করছে

  • এই উল্কাপিন্ডে সোনা ছাড়ায় খনিজ ভান্ডার

  • সারা পৃথিবীর মানূষ এখান থেকে কোটিপতি হয়ে যাবে

  • পৃথিবীতে খনি দূষণের বোঝা এখন থেকে অনেক কম হবে


প্রতিনিধি

নয়া দিল্লি: সোনা ভরা এই উল্কাপিন্ড সারা বিশ্বের ধ্যান আকৃষ্ট করেছে। জ্যোতির্বিদদের পাশাপাশি খনির কোম্পানিগুলির মনোযোগ এর ওপর আছে।

নাসা বিজ্ঞানীরা একটি নতুন করে এই পুরানো উল্কা সম্পর্কে গবেষণা করা শুরু করেছেন।

সাইক 16 নামক এই উল্কাটি মঙ্গল এবং বৃহস্পতির গ্রহের অক্ষের মধ্য অবস্থিত।

এটি সম্পূর্ণরূপে শক্ত ধাতু দিয়ে তৈরি। 17 মার্চ 1852 সালে এটি প্রথম বার দেখা যায়। তারপর থেকে, এটি নিরীক্ষণ করা হচ্ছে। তবে নতুন তথ্য এই যে এই উল্কাপিন্ডে সোনা ভর্তি আছে।

তাই এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পরে সবার নজর এটির ওপরে এসেছে। এখন, বিশ্বের পরিবর্তনশীল পরিবেশের কারণে, মানুষের মনোযোগ এই উপর পুনর্নবীকরণ করা হয়েছে।

সাধারণ অনুমান অনুযায়ী, এত খনিজ আছে যে এটি সমগ্র বিশ্ব জনসংখ্যার প্রতিটি মানূষকে কোটিপতি করে তুলতে পারে।

তবে এটি মাত্র একটি কল্পনা। কারণ সেখান থেকে সোনা আনার লাভ তারাই পারে, যারা এটি আনবে।

আমরা আগে থেকেই জানি যে সারা বিশ্বের সম্পদের 90 শতাংশ মাত্র কিছূ শতাংশ মানুষ দখল করে রেখেছে।

তা সত্যেও ইকোনমিস্টরা আশা করেন যে ভিন গ্রহ বা উল্কাপিন্ড থেকে সোনা এলে পৃথিবীর অর্থনীতির চেহারা পাল্টে যাবে। এখন বিশ্বের অর্থনীতি কোন দেশের কাছে কত সোনার ভান্ডার আছে, তার ওপর স্থির হয়ে।

বিশ্বের ব্যাবসায়ী জগত হীরের স্টক দিয়ে এই সোনার ভান্ডারের ওপর হুকুম চালায়।

পৃথিবীতে সোনার প্রচুরতা এলেই এই ব্যাবস্থা নিজে থেকেই শেষ হয়ে যাবে।

তাই এটা আন্দাজ করা হচ্ছে যে এই উল্কাপিন্ড তার নিজস্ব ধাতুর ভান্ডারের কারণে বিশ্বের চেহারা পাল্টে দিতে পারে।

সেখান অব্দি পৌঁচাতে পারলে, পৃথিবীর প্রতিটি মানূষের মাথা পিছূ কয়েক কোটি টাকার সম্পদ সৃষ্টি হবে।

সেখান থেকে সোনা আসা শুরু হলেই সোনার বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতি রাতারাতি পাল্টে যাবে।

সোনা ছাড়াও এই উল্কাপিন্ডে লোহা এবং দস্তাও রয়েছে

যাইহোক, এই উল্কাপিন্ডে অনুমান অনুযায়ী সোনা ছাড়া লোহা এবং দস্তা একটি বিশাল ভান্ডার আছে। বিজ্ঞানীদের মতে, এই ভান্ডার এত বিশাল যে এটি সমগ্র বিশ্ব জনসংখ্যার গড়ে ট্রিলিয়ন কোটি টাকার সম্পদ তৈরি করতে পারে।

খনির কাজে আগ্রহী এমন কোম্পানিগুলিও এই নিয়ে পুনর্বিবেচনা করছে।

প্রকৃতপক্ষে, পৃথিবীর পরিবেশের দ্রুত নষ্ট হয়ে যাবার একটি কারণ হল খনি শিল্প।

এই খনির শিল্পের প্রয়োজন আছে, কিন্তু তাতে পরিবেশ খারাপ হয়েছে।

এভাবে, যদি এই খনিজ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয়তাগুলি অন্য কোনো উল্কাপিন্ড থেকে পুরণ হয়, তবে পৃথিবী অবশ্যই অনেক উপায়ে উপকৃত হতে পারে।

এই উল্কাপিন্ডের নতূন নাম টাইটন অফ গোল্ড

সেখানে বিশাল সোনা ভান্ডার খূঁজে পাবার পরে এর নাম টাইটন অফ গোল্ড রাখা হয়েছে। এর গভীরে প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ টন সোনার রিজার্ভ আছে।

সেই সোনা পৃথিবীতে আসা শুরু হলে, পৃথিবীর অর্থনীতির ওপর এটির প্রভাব পড়বে।

এই উল্কা নাম সাইক 16।

কানাডিয়ান খনির কোম্পানি বিশ্বাস করে যে খনি ভবিষ্যতের স্থানটিতে সম্ভবত অন্য গ্রহে হবে।

তাতে পৃথিবীর ওপর বর্তমান চাপ কমে যাবে। এটা হলে পৃথিবীর অবস্থ্যাও ভাল হবে।

টরোন্টোর ইউরোসান মাইনিং কোম্পানির সিইও স্কট মুরের এই বক্তব্যটি হ’ল যে,

যদি কোনও সংস্থার খনিতে জড়িত থাকে তবে ভবিষ্যতে খনির সাথে যুক্ত হতে হলে

তাদের অবশ্যই অবশ্যই পৃথিবীর বাইরে মহাকাশে তাদের ব্যবসা নিতে হবে।


মহাকাশ বিজ্ঞানের কিছূ ভাল খবর এখানে পড়ুন



Spread the love

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.