তিতলীতে মারা যাওয়া মেয়ের দেহ আঠ কিলোমিটার নিয়ে যেতে হল বাবাকে

তিতলীতে মারা যাওয়া মেয়ের দেহ আঠ কিলোমিটার নিয়ে যেতে হল বাবাকে

ভুবনেশ্বর: তিতলীতে ঝড়ে মারা যাওয়া নিজের মেয়ের দেহটি আঠ কিলোমিটার কাঁধে রেখে হাঁটলেন বাবা।

উড়ীসায় এই ঝড়ে প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। তার মধ্যে সোশাল মিডিয়ায় এই ঘটনার ছবি সামনে আসার পরে অন্য ধরনের ঝড় উঠেছে।

এই আগেও উড়ীসায় এই ঘটনা ঘটে গেছে। তাই সরকারের বিপক্ষে সাধারন মানূষ।

ঘটনাটি ঘটেছে গজপতি জেলায়। সেখানের বাসিন্দা মুকুন্দ দোরা পুলিসকে জানিয়েছিলেন যে গত ১১ অক্টোবার তাঁর মেয়ে ঝড়ের সময় হারিয়ে গেছে।

রিপোর্ট করার প্রায় এক সপ্তাহ পরে মেয়েটির দেহ খূঁজে পাওয়া যায়।

পুলিসকে খবর দিলে তাঁরা এসে কাগজে সব লিখে চলে যান।

গ্রামের একজন মুকুন্দকে জানান যে মেয়েটির পোস্টমর্টম না হলে সে কোন ক্ষতিপুরণ পাবে না।

তাই পোস্টমর্টম করার জন্য শোকগ্রস্ত বাবাকে নিজের সন্তানের মৃতদেহ নিয়ে হাঁটতে হয়েছে আঠ কিলোমিটার।

গ্রামের লোকেদের অভিযোগ যে পুলিস বা অন্য কোন সরকারী বিভাগ কোন সাহায্য করে নি।

তিতলীতে মারা যাবার পরে কোন বিভাগ সাহায্য করে নি

তাই মেয়ের মৃতদেহ নিয়ে নিজের গ্রাম থেকে কাইনপুর নিয়ে যেতে হয়েছে।

ফোটোটি সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে যাবার পরে পুলিস বলেছে যে মেয়েটির গ্রাম অব্দি গাড়ী যাবার কোন রাস্তাই ছিলো না।

ধান ক্ষেত হয়ে পুলিসরা সেখানে গিয়েছিলো। তাই গাড়ির ব্যাবস্থা করা হয়ে উঠতে পারেনি।

তবে পারালেখেমুন্ডির এসডিপিও বলছে যে বাপের কাঁধে মেয়েটির লাশ হওয়ার খবর পাওয়া গেলেই

পুলিশ তার নিকটবর্তী এলাকা থেকে এক অটোরিকশা জোগাড় করে।

সেই অটোরিকশায় করে মৃতদেহটি কাইনপুর থেকে প্যারলেখ্মুমন্ডী হাসপাতালে পোস্টমার্টম করতে পাঠানো হয়েছিল।

Please follow and like us:
Loading...