My title page contents Press "Enter" to skip to content

রাজস্থানে দুটি দলেই পার্টি থেকে বহিষ্কৃত নেতাদের আলিঙ্গনের ধুম




  • কিরোড়ী সিংহ বৈসলার বিজেপিতে যোগদান

  • জাট নেতার সাথেও হাত মেলালো দল

  • কর্নেল সোনারাম ঘুরছেন দরজায় দরজায়

জয়পুরঃ রাজস্থানে কংগ্রেস এবং ভারতীয় জনতা পার্টি রাজ্যে বেশি সিট জেতার জন্য এবং দলকে জেতাতে পারেন এমন নেতাদের সাহায্য নিচ্ছে

আর তার জন্য দুটি দলই নিজেদের আদর্শের সাথে আপস করছে।

তার সাথে সাথে এই নেতাদের পুরনো ইতিহাস ভুলতেও তারা রাজি।

দুটি দলই লোকসভা নির্বাচনে জেতার জন্য প্রচন্ড ভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে আর তার জন্য যেন তেন প্রকারেণ এগিয়ে যাচ্ছে।

দলকে ক্ষতির মুখে ঠেলে দেওয়া নেতাদেরও এই পার্টি আলিঙ্গন করছে।

শুধু তাই নয়, নির্বাচন ম্যানেজ করার মত কাজও তাঁদের দেওয়া হচ্ছে।

গত বিধানসভা নির্বাচনে রাজস্থানে বিজেপিকে হারের মুখ দেখতে হয়েছিল।

এর একটা প্রধান কারণ ছিল দলের প্রতি গুর্জরদের ক্ষোভ। সেই জন্য এইবার গুর্জর নেতা কর্নেল কিরোড়ী সিংহ বৈসলাকে পার্টিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সেই রকমই প্রাক্তন মন্ত্রী হেম সিংহ ভড়ানাকেও পার্টিতে ফেরত নেওয়া হয়েছে।

শ্রীযুক্ত ভড়ানা গত বিধানসভা নির্বাচনে দল থেকে বেরিয়ে গিয়ে নির্দলীয় প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন।

এইবার বিজেপি জাটদের ভোট পাবার জন্য রাষ্ট্রীয় লোক তান্ত্রিক পার্টির নেতা হনুমান বেনীওয়ালের সাথে হাত মিলিয়েছে।

সেই সঙ্গে তাঁকে একটি সিট ছেড়ে দিয়েছে।

শ্রী বেনিওয়াল গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে একহাত নিয়েছিলেন।

তিনি বিজেপির যথেষ্ট ক্ষতি সাধনও করেছিলেন।

অন্যদিকে কংগ্রেস ও বিজেপি ছেড়ে আসা কয়েকজন প্রথম শ্রেণীর নেতাদের দলে শামিল করে নির্বাচনে তাদের সাহায্য নিচ্ছে দুটি দলই।

এঁদের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের যতই আপত্তি থাকুক না কেন নির্বাচনে জিততে এঁদের হাত কংগ্রেসের সম্বল।

বিজেপি সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী রাজকুমার ঋন্বা খনি কেলেঙ্কারি মামলায় ফেঁসে ছিলেন।

কংগ্রেস তাঁর পদত্যাগের দাবি জানিয়েছিল।

বিজেপি তাঁকে টিকিট না দেওয়ায় তিনি নির্দলীয় প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে লড়াই করেন।

এবার তিনি কংগ্রেসের হয়ে লড়াইতে নেমেছেন।

চুরুতে জাট, মুসলিম ও ব্রাহ্মণের ভোট পেতে কংগ্রেস পার্টি রাজকুমার ঋন্বাকে নিজেদের দলে টেনে নিয়েছে।

এই চুরুতেই কংগ্রেস গত বিধানসভা নির্বাচনে পার্টির বিরুদ্ধাচরণ করে আলাদা হয়ে যাওয়া চন্দ্রশেখর ব্যাদকেও দলে শামিল করে নিয়েছে।

দৌসাতে কিরোড়ী লাল মিনাকে বিজেপিতে শামিল করার পরেও তাঁর বিশেষ সাহায্য না পাওয়ায় বিজেপি জাটেদের ওপর বেশি ভরসা করছে।

অন্যদিকে নীচু তলার মিনা নেতাদেরও দলে টানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

জয়পুর ও অন্যান্য কয়েকটি জায়গায় জাতীয় সমীকরণকে মাথায় রেখে

কাউন্সিলর এবং পঞ্চায়েত সদস্যদের নিয়ে টানাটানি চলছে।

বাড়মেড়ের সাংসদ কর্নেল সোনারামই একমাত্র সংসদ যাঁকে কংগ্রেস বা বিজেপি

কেউই পছন্দ করছে না।

বিজেপির পক্ষ থেকে টিকিট না পাওয়ায় সোনারাম দিল্লিতে কংগ্রেস অফিসের সামনে ঘুরঘুর করছেন।

কিন্তু তাঁকে কেউই দলে নিতে রাজি নয়।

তাই বিজেপি এই ব্যাপারে নিশ্চিত যে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে

কর্নেল সোনারাম বিজেপ প্রার্থীকে কোনরকম চ্যালেঞ্জ জানাবার অবস্থায় নেই।



Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.