চির যৌবনের আসল রহস্য লুকিয়ে আছে রক্ত কণাগুলিতে

চির যৌবনের আসল রহস্য লুকিয়ে আছে রক্ত কণাগুলিতে
Spread the love
  • বৈজ্ঞানিকরা চিহ্নিত করেছেন ডিএনএের ভেতরে মিথাইলেশন

  • রক্ত কোশিকা প্রায় কুড়ি বছর শরীরে প্রভাব রাখে

  • ক্যান্সার এবং বয়সের সম্পর্কিত রোগের চিকিৎসা সম্ভব

প্রতিনিধি

নয়াদিল্লীঃ চির যৌবনের আসল রহস্য কিন্তু আমাদের রক্তের কণাগুলিতে লুকিয়ে আছে।

শুধু মানূষ না যে কোন প্রাণীর এই রহস্য তার রক্তের কণায় থাকে।

নতূন গবেষনায় এটির প্রমাণ পাওয়া গেছে। এর পরে বৈজ্ঞানিকরা সেই আসল তত্বগুলি খূঁজে বের করতে চাইছেন, যেটি আসলে যৌবন কে ধরে রাখতে পারে।

তাঁরা যৌবনকে ধরে রাখার কারণের কাছাকাছি পৌঁচে গেলেও আসল কারণটা এখন অব্দি বূঝে উঠতে পারেননি।

ডিএনএ পরীক্ষার সাথে যুক্ত বৈজ্ঞানিকরা এক এক করে ডিএনএ তে লুকিতে থাকা সব সংকেত বোঝার চেষ্টা করছেন।

এই অনুসন্ধানে প্রতিদিন কিছূ নতূন ব্যাপার জানা যাচ্ছে।

ডিএনএর সাহায্যে বয়সের সনাক্তকরণ পদ্ধতির বিকাশের পরে এটির গবেষণা শুরু হয়েছিল।

আমেরিকার কেস ওয়েস্টার্ন রিজার্ভ বিশ্ববিদ্যালয়ে এই গবেষণা চলছে।

বিজ্ঞানীরা এই ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

এখন ডিএনএ গ্রুপ থেকে যৌবন বজায় রাখার উপাদানগুলির পরিচয় জানা গেছে।

চির যৌবনের মূল উপাদান গুলি আলাদা করার চেষ্টা চলছে

আসলে, বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন যে মানুষের রক্তে একটি জৈবিক ঘড়ি রয়েছে, যা অনেক কিছূ নিয়ন্ত্রণ করে।

এই ঘড়ির নির্দেশ মেনে শরীর কাজ করে। এমনকি অঙ্গ প্রতিস্থাপনের পরেও রক্তের এই ঘড়িটি সূক্ষ্ম কাজ করে।

তবে বয়স খুব বেশি হলে অনেক সময় এই ঘড়ি ঠিক ভাবে কাজ করতে পারে না।

পরীক্ষায় জানা গেছে যে ক্যান্সারের অবস্থায়ও, রক্ত কোষের এই জৈবিক বৈশিষ্ট্যগুলি স্বাভাবিক হিসাবে কাজ করে চলেছে।

গবেষণার সাথে জড়িত ব্যক্তিরা এই রাসায়নিক গ্রুপটিকে ডিএনএতে মিথাইলেশন বলে চিহ্নিত করেছেন।

এটি ডিএনএর সাথে সংযুক্ত রয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, লিউকোমিয়ার রোগিদের নতূন রক্ত দিলে তাঁদের কার্যক্ষমতা বেড়ে যায়।

এটা সম্ভব হয় রক্তে থাকা ডিএনএ নির্দেশের মাধ্যমে।

সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শিগামি মাত্সুয়ামা জানিয়েছেন যে অনেক সময়ে দেখা গেছে যে বেশি বয়সের শরীরে কোন যূবকের বা শিশুর রক্ত দেওয়া হলে বৃদ্ধের কার্যক্ষমতা বেড়ে যায়।

এটা সম্ভব হয় শুধু মাত্র রক্তে থাকা বিশেষ ডিএনএ থেকে পাওয়া নির্দেশের মাধ্যমে।

কোন ছোট বয়সের রুগিকে যখন বেশি বয়সের মানূষের রক্ত দেওয়া হয়, তখন শিশুর শরীরের ভেতরে বেশি বয়সের প্রভাব দেখা যায়।

তাই বোঝা যায় যে আসল চাবি এই রক্তের ভেতরে লুকিয়ে আছে।

নিয়মিত অনুসন্ধা করে বৈজ্ঞানিকরা জানতে পেরেছেন যে কারো শরীরে রক্ত দেওয়া হলে তার প্রভাব প্রায় কুড়ি বছর পর্য্যন্ত থাকে।

তাই বৈজ্ঞানিকরা এবার রক্তের ভেতরে লুকিয়ে থাকা সেই চাবিটি খূঁজতে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন।

বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন যে সনাক্তকরণের পরে, বহু বয়সের রোগের চিকিৎসাও সম্ভব হবে।

এটা সম্ভব যে এটি মানুষের গড় বয়স বৃদ্ধি করা যেতে পারে।

এতদূর পাওয়া 353 মিথালেশন মিশ্রণগুলি বিভিন্ন পরিচয় এবং বৈশিষ্ট্যগুলিতে দেখা হচ্ছে।

এই কাজ শেষ হওয়ার পর, ক্যান্সারের স্থায়ী চিকিত্সাও সম্ভব হবে।

Loading...