My title page contents Press "Enter" to skip to content

হাতির হানা অব্যাহত জলদাপাড়ার জঙ্গল লাগোয়া বিস্তৃর্ন এলাকায়




আলিপুরদুয়ারঃ হাতির হানা অব্যাহত জলদাপাড়ার জঙ্গল লাগোয়া ফালাকাটা ও মাদারিহাট ব্লকের বিস্তৃর্ন এলাকায়।

হাতির হানা অব্যাহত মাদারিহাট বীরপাড়া ব্লকের বিভিন্ন এলাকায়।

লাগাতার হাতির অত্যাচারে নাজেহাল বাগান বস্তি উভয় এলাকার বাসিন্দারা। ক্ষোভ বাড়ছে বন দপ্তরের উপর।

স্থানিয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে প্রায় ৮/১০ টি হাতির একটি দল ডিমডিমা চা বাগানের তেরেঞ্জু লাইনের পৃথক চারটি শ্রমিক আবাসে তান্ডব চালায়।।

এ বিষয়ে ওয়াইড লাইফ ওয়ার্ডেন সীয়া চৌধুরী বলেন, “বাগানের ক্ষেত্রে ক্ষতি পূরন দেবার ব্যবস্থা নেই।”

জানা গেছে, হাতির আনাগোনা সব থেকে বেশি ফালাকাটার দক্ষিণ ধুলাগাও এলাকায়।

ওই এলাকায় রয়েছে প্রায় ৩০০ টি পরিবার। এই আতঙ্কে রাতে ঘুম কেড়ে নিয়েছে হাতির দল।

এলাকার বাসিন্দা চিরঞ্জিত রায় তিনি পেশায় কৃষক তিনি জানান,” দুশ্চিন্তা ও আতঙ্কের মধ্যে দিয়ে দিন কাটাছি।

আমাদের এলাকায় হাতি নিয়ে কোন দিন ও সচেতন শিবির ও করা হয়নি।

আমাদের কোন নিমন্ত্রণ বাড়ি গেলে বাড়ি ফেরা নিয়েও দুশ্চিন্তা হয় যে ঠিক ভাবে কি ফিরতে পারবো তো ?

এই ভাবনা গুলো আসতেই থাকে মনে। কৃষি জমি দিনের পর দিন নষ্ট করে দিচ্ছে কি করবো বুঝতেই পারছি না। ”

এই বিষয়ে জলদাপাড়ার মাদারিহাট রেঞ্জার খগেশ্বর কাজি বলেন,” ধুলাগাও এলাকায় অতো হাতি যায় না।

দক্ষিণ খয়ের বাড়ি থেকে মাঝে মধ্যে একটি হাতি বের হচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্তরা আবেদন করলে সরকারি নিয়ম মেনে ক্ষতিপূরণ দেবা হবে। ”

হাতির হানা রোজ রাতে গ্রামের এলাকায়




অন্ধকারের সঙ্গে প্রতিরাতে আতংক আসে জঙ্গল লাগোয়া বিভিন্ন গ্রামে।

প্রতিদিন রাতে হাতির হামলার ঘটনা ঘটছে ফালাকাটার ধুলাগাও গ্রামে।

জমির ফসলের টানে প্রায় দুই দিন অন্তর অন্তরে গ্রামে চলে আসছে হাতি জমি ফসল খেয়ে সবার করে দিচ্ছে হাতির দল।

জানা গেছে, ওই এলাকায় দু- তিন দিন পর পর হাতি এসে চলেছে। লাগাতার ভুট্টা খেত নষ্ট করে চলেছে হাতির দল।

বন দপ্তর এই গ্রামের মুখ হয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

এলাকার বাসিন্দা অঞ্জলি দাস জানান,”সন্ধ্যার থেকে আমরা হাতির ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে থাকি।

কখন আসে তার কোন ঠিক ঠিকানা নেই। প্রতি দিন ঠিক না তবে কখন যে আসে সেটার ও ঠিক নেই।

আমাদের ভুট্টা ক্ষেত দিয়ে নিজেদের রাস্তা বানিয়ে হাতির দল যাতায়াত করছে।

ভুট্টা ক্ষেত তছনছ করে দিচ্ছে হাতি। বন দপ্তরের কেউ আসে নি।

রাত ৮ টার সময় থেকে আর আমরা বের হই না বাড়ি থেকে খুব ভয় করে।




Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Mission News Theme by Compete Themes.