My title page contents Press "Enter" to skip to content

কুমির কে মেরে গিলে ফেললো অজগর সাপ ক্যামেরায় ধরা গেছে




  • মাউন্ট ইশার মুনডারা লেকের ঘটনা

  • দুজনের মধ্যে প্রায় পাঁচ ঘন্টা ধরে সংঘর্ষ

  • মেরে ফেলার পরে তাকে গিলতে বেশি সময় নিয়েছে

  • অস্ট্রেলিয়া একটি ফটোগ্রাফার পূরো ঘটনাটি ক্যামেরায় দেখালেন


প্রতিনিধি

নয়া দিল্লি: কুমির কে ধরা, মেরে ফেলা এবং তার পরে সেটাকে গিলে ফেলা। এই অদ্ভূত ঘটনাটি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার ফোটোগ্রাফর মার্টিন মূলার তার ক্যামেরায় একটি অনন্য শিকার ঘটনা রেকর্ড করেছেন।

তিনি নিজের কাজের সুত্রে আস্ট্রেলিয়ার মাউন্ট ইশার কাছে ছিলেন।

এই মাউন্ট ইশার কাছেই আছে মুনডার লেক।

তিনি সেখান দিয়ে যাবার পথে এই ঘটনা দেখে থেমে যান।

চূপচাপ তিনি ধৈর্য সহকারে ঘটনার ফোটো তুলতে থাকেন।

ভিডিও তে দেখূন অজগরের কুমির মেরে ফেলার ঘটনা

অজগর ক্ষিদে পেলে যে কোন প্রাণীর ওপর হামলা করে, সেটা জানা আছে।

তারা শিকারকে ধরে, তাকে নিজের শরীর দিয়ে জড়িয়ে তার নিশ্বাস বন্দ করে দেয়।

শিকার পরাজিত হবার পর আস্তে আস্তে তাকে গিলে ফেলে।

অনেক সময় এটা দেখা গেছে যে এই গিলে ফেলার সময় শিকার অনেক সময় জীবিত থাকে।

সব প্রজাতির অজগরের চোয়ালের গঠন এই রকম যে এটি নিজের আকারের চেয়ে বড় প্রাণী কে গিলে ফেলতে পারে।

সে তার চোয়াল বড় করতে পারে।

জি জি ওয়াইল্ড লাইফ রেসকু অস্ট্রেলিয়া তাদের ফেসবুক পাতায় এই ছবি পোস্ট করেছে।

সংস্থা বন্য প্রাণী সুরক্ষার ওপর কাজ করে এবং এটি একটি অলাভজনক অর্গানাইজেশন।


এই খবর পড়ে দেখুন


এই ঘটনায় আক্রমণকারী অজগর স্থানীয় প্রজাতির অলিভ পাইথন।

অলিভ সাপ শুধুমাত্র অস্ট্রেলিয়ার এলাকায় পাওয়া যায়।

বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুসারে, এই প্রজাতির পাইথনটি 13 ফুট অর্থাৎ চার মিটার লম্বা হতে পারে।

এই প্রজাতির সাথে আস্ট্রেলিয়ার মিষ্টি জলে থাকা কুমিরদের লড়াই প্রায় দেখা গেছে।

কিন্তু এই প্রথমবার এই প্রজাতির অজগর কোন কুমির গিলে ফেলছে, এই ঘটনার ফোটো তোলা গেছে।

দুই প্রাণীর এই লড়াই দেখতে পাবার পরে মার্টিন মুলার চুপচাপ এই ঘটনার ফোটে তুলতে থাকেন।

তাঁর জানান তথ্যের অনুসারে এই লড়াই প্রায় পাঁচ ঘন্টা ধরে চলছিলো।

কুমির লড়াইয়ে পরাজিত হবার পর অজগর তার চারপাশে ঘোরে

কুমির হেরে যাবার পরে তার চার দিকে প্রদক্ষিনা করার পর অজগর নিজের শিকারকে গিলে ফেলার কাজ শুরু করে।

মূলার জানিয়েছেন যে শিকার কে পরাজিত করার পরে এই অজগর সেটাকে গিলে ফেলতে বেশি সময় নিয়েছে।

জানা গেছে এই প্রজাতির সাপের চোয়ালের নিম্ন অংশটি দুটি অংশে বিভক্ত হয়ে যায়।

এই কারণে, তারা প্রয়োজন মত বড় শিকার কে গ্রাস করার জন্য চোয়াল বড় করতে পারে।

তখন এটি ইলাস্টিকের মতন বড় হয়। তাদের আকার বৃদ্ধি করার কারণে সাপ নিজের শিকারকে মুখ দিয়ে ধরে রেখে অন্য মাংসগুলি দিয়ে পেটে ঠেলে দেওয়ার সুবিধা রয়েছে।

বিশ্বব্যাপী এই ঘটনা সম্পর্কে তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার পর এই ঘটনাটি বিশ্লেষণ পেয়েছে।

শিকার করার পর, অজগর চারটি দিক থেকে এটি পর্যবেক্ষণ করার পর গিলতে শুরু করে।

গবেষণায় পাওয়া তথ্যের মতে, বিশাল শিকারের খেয়ে ফেলার পরে অজগর আবার অনেক দিন কিছূ খায় না।

একই আদেশ, এটা পাওয়া গেছে যে বার্মিজ প্রজাতির পাইথন যখন কোন বড় শিকার খেয়ে ফেলে তখন সে তার অভ্যন্তরীণ অঙ্গের আকার বৃদ্ধি করতে পারে।

এই ভাবে সে শিকারকে তাড়াতাড়ি হজম করে তার থেকে পাওয়া শক্তি শরীরে অন্য ভাগে তাড়াতাড়ি পৌঁচে দেয়।

ঘটনার ফোটে দেখার পরে অনেক নতূন তথ্য জানা গেছে

এই সাপ ইমপালা প্রজাতির হরিণ খেয়ে ফেলে। এই হরিণ গুলি আকারে অজগরের চেয়ে অনেক বড়।

তা সত্তেও অজগর সেগুলিকে হজম করে ফেলে। কখনও কখনও এক সাপ অন্য সাপকে গিলে ফেলে।

কিন্তু অজগর সাধারণত মানুষকে আক্রমণ করে না। মানূষের ওপর অজগরের হামলা ঘটনা খুব বিরল।

আসলে অজগর যে এলাকায় থাকা পছন্দ করে, সেখানে মানূষের আনা গোনা খুব কম হয়।

তাই হয়তো মানূষের সাথে এদের ক্ষুধার্ত অবস্থ্যায় দেখা খুব কম হয়।

২০০৫ সালে ফ্লোরিডায় এই ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছিলো

এখন, এই ঘটনার আলোকে আসার পর, ২০০৫ সালে এর আগে এই ঘটনাটি ফ্লোরিডার এভারগ্র্লেডস ন্যাশনাল পার্কে দেখা গিয়েছিল।

কিন্তু সেই ক্ষেত্রে বার্মিজ পাইথন কে একটি কুমিরকে গিলে ফেলার ঘটনা জানা গিয়েছিলো।

তবে সেই ঘটনায় কুমিরকে গিলে ফেলার পরে সাপের নিজের পেট ফেটে সে মরে গিয়েছিলো।

মরা অবস্থ্যায় তাকে দেখার পরে তার পেটের ভিতরে কুমির দেখা গিয়েছিলো।

বার্মিজ প্রজাতির এই সাপের আকার ১৮.৮ ফুট (5,74 মিটার) অব্দি পাওয়া গেছে।

কিন্তু এই প্রজাতি অজগর সবসময় ঘাপটি মেরে তার শিকারের ওপর আক্রমণ করে।


বিজ্ঞানের কিছূ ভাল খবর এখানে পড়ুন




Spread the love

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Mission News Theme by Compete Themes.