ছোট ছোট প্রকল্পগুলিকে বর্ষার আগে শেষ করার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসের

cm
Spread the love

প্রত্যেকটি গ্রামে জল ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেবার নির্দেশ

সব প্রকল্পগুলির প্রচার প্রসারের নির্দেশ

সংবাদদাতা,

 

রাঁচি- মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাস বলেন যে উন্নয়নের আলো রাজ্যের অন্তিম ব্যক্তির কাছে পৌঁছানো দরকার।

এটাই আমাদের সরকারে প্রধান উদ্দেশ্য। সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য চাই মজবুত ভিত। এর জন্য স্বশাসন দরকার।

তাই সব গুলি সংস্থাকে আরও সুদৃ্ঢ় করা হচ্ছে।

এর জন্য গ্রাম সভা গুলিকে তাদের নিজেদের অধিকারকে বুঝে নিয়ে কাজ করতে হবে।

গ্রাম সভার মাধ্য়মে গ্রাম উন্নয়ন সমিতি এবং আদিবাসী উন্নয়ন সমিতি তৈরী করা হয়েছে।

এদের সাহায্যে ছোট ছোট প্রকল্পগুলিকে রূপায়ন করা হচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী এই সব কথাগুলি ঝাড়খন্ড মন্ত্রালয়ে জেলা এবং ব্লক সমন্বয়কদের সম্মেলনে বলেন।

তিনি রাজ্যের সব গ্রামে বৈদ্যুতিক সংযোগ দিতে, মহিলাদের খাবার জল আনতে যাতে কষ্ট করতে না হয়

তার জন্য ব্যবস্থা করতে এবং গ্রামের রাস্তাগুলিকে মজবুত এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে

আগামী বর্ষার আগেই কাজ শেষ করতে বলেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে  প্রত্যেকটি গ্রামে মিনি জলাপূর্তি প্রকল্প শুরু করা হচ্ছে।

এই প্রকল্পটিকে কাজে লাগিয়ে প্রত্যেকটি ছোট গ্রামে একটি করে এবং বড় গ্রামে একটির থেকে বেশী জলের ট্যাঙ্ক বসানো হবে।

ডীপ বোরিং করে জল তোলা হবে। প্রথম স্টেজে এতে কল লাগানোর ব্যাবস্থা থাকবে।

পরবর্তীতে পাইপ লাইন বসিয়ে লোকেদের বাড়িতে বাড়িতে জল পৌঁছে দেওয়া হবে।

২০২০ সালে প্রত্যেক গ্রামবাসী নিজের নিজের বাড়িতে কলের জলের সংযোগ পাবেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে গ্রামের ভেতরে যে সমস্ত রাস্তা রয়েছে, সেখানে পেভর্স ব্লক লাগানো হবে।

এতে রাস্তাগুলি আরও মজবুত হবে। পেভর্স ব্লকের অনেক সুবিধা রয়েছে।

যেমন এগুলি লাগাতে কম সময় লাগে, খরচও কম হয়। তাছাড়া দেখতেও সুন্দর হয়।

তার ওপর এগুলো লাগালে ভূগর্ভের জলের স্তরের কোন রকম  ক্ষতি হয় না।

মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাস বলেন যে তৃতীয় প্রকল্পে প্রত্যেকটি গ্রামে স্ট্রীট লাইট লাগানো হবে।

এর জন্য  গ্রামোন্নয়ন বিভাগ এবং ইইএসল কোম্পানীর মধ্যে ২৫ ফেব্রুয়ারী চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।

পয়লা এপ্রিল থেকে স্ট্রীট লাইট লাগানোর কাজ শুরু হয়ে যাবে।

কৃষকদের জন্য ৩১ হাজার বরাদ্দ

মুখ্যমন্ত্রী সবার কাছে প্রধানমন্ত্রী কৃষি সম্মান প্রকল্প, মুখ্যমন্ত্রী সুকন্যা প্রকল্পের কথা প্রচার প্রসারের আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী কৃষি সম্মান প্রকল্প এবং মুখ্যমন্ত্রী কৃষক আশীর্বাদ প্রকল্পতে রাজ্যের সব কৃষককে

১১ থেকে ৩১ হাজার টাকা দেওয়া হবে।

মুখ্যমন্ত্রী সুকন্য়া প্রকল্পের অন্তর্গত জন্মের সাথে সাথে প্রত্যেক কন্যা সন্তানের লালন পালনের জন্য টাকা দেওয়া হবে।

লেখাপড়ার জন্য ৪০ হাজার ও বিবাহের জন্য ৩০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।

তিনি এই সব প্রকল্পগুলির সুবিধা নোবার আহ্বান জানান।

এর জন্য জেলা এবং ব্লক সমন্বয়কদের এগিয়ে আসার কথাও বলেন মুখ্য়মন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রী ব্লক সমন্বয়কদের কাজের গতিকে আরও তরান্বিত করতে

তাঁদের মাসিক বেতন ১৫০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৭০০০ টাকা করে দেবার কথা ঘোষণা করেন।

এই বর্ধিত বেতন এই বছরের এপ্রিল মাস  থেকে দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী নীলকন্ঠ সিংহ মুন্ডা, পঞ্চায়তী রাজ সচিব প্রবীণ কুমার টোপ্পো, রাজ্যের সব গুলি

জেলার জেলা পঞ্চায়তী রাজ পদাধিকারী, ব্লক সমন্বয়ক সহ অনেক আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন।

Author: Bangla R khabar

Loading...