চীন এবার মহাকাশে সৌর শক্তি স্পেস স্টেশন তৈরী করতে চায়

চীন এবার মহাকাশে সৌর শক্তি স্পেস স্টেশন তৈরী করতে চায়
Spread the love
  • চাঁদ পৌঁছানোর পরে বৈজ্ঞানিকদের উত্সাহ বেড়েছে

  • সৌর শক্তির দরুর স্টেশনের ওজন হবে হাল্কা

  • তিনটি অংশে বিভক্ত থাকবে এই মহাকাশ কেন্দ্র

প্রতিনিধি

নয়াদিলিঃ চীন এবার নিজের মহাকাশ অভিযানকে দ্রুত গতিতে আগে নিয়ে যেতে চায়।

এর প্রস্তুতি হয়ত আগে থেকেই ছিলো তবে এই ব্যাপারে এবারে চীন একটূ একটূ করে নিজেদের প্রস্তুতির খবর দিচ্ছে।

ধরা যেতে পারে যে চাঁদের অন্য ভাগে নিজের যান নামাবার পরে চীন এটা বূঝতে পেরেছে যে সারা বিশ্বকে জানান দেবার সময় এসেছে।

এর আগে চীন একটি মহাকাশ কেন্দ্র তৈরী করতে চলেছে, যেটি সৌর শক্তি দিয়ে চলবে।

সৌর শক্তি দিয়ে সব কাজ করার দরুর এই স্পেস স্টেশনে ভারী জেনারেটার বা অন্য ভারী জিনিস নিয়ে যেতে হবে না।

সেখানে সূর্যের আলোর প্রচুরতার দরুন কাজ সহজ হবে যাবে।

প্রথম বার জানা গেছে যে এই মহাকাশ অভিযানের জন্য 8 বিলিয়ন ডলারের বার্ষিক বাজেট রাখা হয়েছে।

বোঝা যাচ্ছে যে প্রতিরক্ষা এবং ব্যবসা আমেরিকা প্রতিযোগিতার সাথে সাথে এখন চীন মহাকাশেও নিজেদের পৃথক সনাক্তকরণ চায়।

মিলিত তথ্য অনুযায়ী চীন এর বিজ্ঞানীরা এই প্রস্তাবিত সৌর শক্তি চালিত স্থান কেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তুতি শুরু করেছেন।

তারা পশ্চিম চীনের একটি শহরে এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

তাদের পরিকল্পনা পৃথিবীর ঠিক উপরে স্ট্রেটরোস্ফেয়ারে এই শক্তি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়।

চীন এর মহাকাশ বিজ্ঞানীরা এই কাজ থেকে বছর 2012 থেকে 2025 মধ্যে সম্পন্ন করতে চান।

এই কেন্দ্রের ডিজাইন কিছু এমন বানানো হচ্ছে যাতে এই কেন্দ্র প্রতি দিন এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।

ব্যবহার সফল হওয়ার পরে এটি 2030 পর্যন্ত স্থান স্থাপন করা হবে।

চীনের এই ব্যবহার সফল হওয়ার পরে বড় আকারের এবং আরও বেশি ক্ষমতার জেনারেটর ইনস্টল করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এখন শুধু প্রাথমিক ব্যবহার থেকে এই এক মেগাওয়াটযুক্ত সৌর শক্তি জেনারেটরটি প্রয়োগ করা হচ্ছে যাতে তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্য নির্ভর করে ভবিষ্যতে জেনারেটর এবং আরও উন্নতি করা সম্ভব।

চীন নিজের চন্দ্র অভিযানে চাঁদের অন্য দিকে যান নামিয়েছে

এটা স্পষ্ট যে চীন নিজস্ব স্থান কেন্দ্র স্থাপন করে মহাকাশ অভিযান এবং আরও গতি দিতে চায়।

সম্প্রতি গত 3 জানুয়ারী থেকে চাঁদ এর দ্বিতীয় প্রান্তে যাত্রা শুরু হওয়ার পর চীন এর বিজ্ঞানীরা সেখানে গবেষণা করছেন।

তাদের চাঁদের সম্পর্কে আরও ভাল তথ্য এবং পরিসংখ্যান এই কারণেই পাওয়া যায় কারণ চাঁদের যে অন্য প্রান্তে

পৃথিবীর ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গের কোন প্রভাব নেই।

চাঁদ সেখানে জীবন প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা রয়েছে।

চাঁদের এই যাঁর মধ্যে একটি বিশেষ ক্যাপসুল মধ্যে পাঠানো হয়েছে অনেক বীজ মধ্যে থেকে শুধু কপাজের বীজ একই প্রস্ফুটিত ছিল কিন্তু অত্যধিক শীতল কারণ তারাও শেষ পর্যন্ত মারা যায়।

তবে চাঁদের মাটিতে সবূজ পাতা ফোটাবার রেকর্ড চীনের নামেই থাকবে।

চীন যে স্পেস স্টেশন তৈরী করতে চায় তার মধ্য সেন্ট্রাল কন্টোল রুম এবং দুই পাশে দূটি সহায়ক কেন্দ্র থাকবে। চীন 2022 ভিতরে এটিকে সেখানে নিয়ে যেতে চায়।

এই পুরো মহাকাশ কেন্দ্রের মোট ওজন 66 টন হবে এবং এই মহাকাশ যান নিজের সাথে তিনজন মানুষ নিয়ে যেতে পারবে।

বিজ্ঞানের ভাল খবর

Loading...