চাঁদে তূলো তৈরী করে নতূন আলোড়ন ফেলেছে চীনের বৈজ্ঞানিকরা

চাঁদে তূলো তৈরী করে নতূন আলোড়ন ফেলেছে চীনের বৈজ্ঞানিকরা
Spread the love
  • তূলোর বীজ থেকে গাছ বেরিয়েছে

  • একটি ক্যাপ্সুলে পাঠানো হয়েছিলো

  • এবার স্পেস স্টেশন বানাবার পালা

  • মংগল গ্রহেও চীন পাঠাবে যান

নয়াদিল্লীঃ চাঁদে এল জীবনের স্বাদ। এই প্রথম চাঁদে কোন জীবনের সৃষ্টি হল।

এটা করতে পেরে চীন মহাকাশ অনুসন্ধানে ওনেকটাই এগিয়ে গেছে।

এই কাজটি করে উঠতে পারায় চীনের বৈজ্ঞানিকরা খুব খূশি এবং নতূন করে অন্য উদ্যোগ নিতে শুরু করেছেন।

আসলে চীন যে মহাকাশ যানটি চাঁদে পাঠিয়েছিলো, তাতে বেশ কিছূ বীজ এবং ছোট পোকা মাকড় ছিলো।

এই গুলিকে একটি বিশেষ ধরনের ক্যাপ্সুলে ভেতরে করে পাঠান হয়েছিলো।

চীনের বৈজ্ঞানিকরা নিজেদের মহাকাশ যানের ভেতরেই নতূন প্রাণ সৃষ্টি করে চাঁদের মাটিতে জীবনের বীজ পূঁততে চাইছিলেন।

এই প্রচেষ্টায় তারা সফল হয়েছেন।

তবে এই কাজের সাথ যূক্ত বৈজ্ঞানিকরা জানিয়েছেন যে শুধু তূলোর বীজ থেকেই গাছ বেরিয়েছে।

এর সাথে পাঠানো আলূ, আঙুর এবং অন্য সব্জির বীজে কোন প্রভাব এখন অব্দি পড়ে নি।

এই ক্যাপ্সুলে পাঠানো মাছি বা অন্য কীট পতঙের ব্যাপারেও কিছূ জানান হয়নি।

তবে এই তুলোর বীজ থেকে গাছ বেরোনার পরে আমরা ধরে নিতে পারি যে আমাদের জ্ঞানের ভিতরে এই প্রথম চাঁদের মাটিতে কোন জীবনের সৃষ্টি হল।

চীনের বৈজ্ঞানিকরা এতে নতূন ভাবে উত্সাহী হয়েছেন।

তাঁরা চাঁদে আরেকটি দল মানে মহাকাশ যাত্রী পাঠাতে চান।

তার আগের সব ব্যাবস্থা করার জন্য এই যান থেকে পাঠানো ডেটার পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে।

আসলে চীনের এই মহাকাশ যান চাঁদের যে দিকে নেমেছে, সেটি পৃথিবী থেকে দেখা যায় না।

এই এলাকায় প্রচুর পাহাড় ও পাথর ছাড়া বড় বড় গর্ত আছে।

চাঁদের গভীরে পাওয়া যেতে পারে বরফ হয়ে যাওয়া জল

আন্দাজ করা হয়ে যে উল্কাপিন্ডের বৃষ্টিতে এই সব গর্ত তৈরী হয়েছে।

যানটি চাঁদে নামার পরেই নিজের সামনে থাকা একটি বিশাল গর্তের ছবিও পাঠিয়েছিলো।

নামার সময় খূব গরম হয়ে যাবার কারনে যানটি পাঁচ দিন নিজেকে বন্দ করে রেখেছিলো।

কাজ শুরু করার পরে বৈজ্ঞানিকরা সেখান থেকে আসা সব ডেটা পরীক্ষা করে দেখছেন।

বৈজ্ঞানিকরা জানিয়েছেন যে চাঁদের কিছূ ভাগে বছরে ১৮০ দিন ক্রমাগত সূর্যের আলো থাকে।

অন্য দিকে চাঁদে বেশ কিছূ জায়গা এমনও আছে, যেখানে আজ অব্দি সূর্যের আলো যায় নি।

চাঁদের গভীরে থাকা অন্ধকারের মধ্যে থাকা গর্ত গুলির ভেতরে জমা অবস্থ্যায় বরফ থাকতে পারে।

সেটি হলে চাঁদে নতূন জীবন সৃষ্টি আরও সরল কাজ হতে পারে, বলে বৈজ্ঞানিকরা মনে করেন।

চীন চাঁদের এই দিকে একটি স্পেস স্টেশন তৈরী করতে চায়।

এই স্পেস স্টেশন থেকে রেডিয়ো ওয়েব নিয়ে কাজ হবে।

তবে বৈজ্ঞানিকরা আন্দাজ করছেন যে ভবিষ্যতের মহাকাশ যাত্রায় এই স্পেস স্টেশন কাজে লাগবে।

চীন চাঁদের পরে ম্ংগল গ্রহেও যান পাঠাতে চায়।

বৈজ্ঞানিকরা জানিয়েছেন যে চার হাজার কিলো ওজনের এই যানটি হবে প্রায় দশ মিটার লম্বা।

এই যানটিকে ২০৩০ সালে পাঠানোর কথা। তার আগে চাঁদের সব পরীক্ষা শেষ করে

সেথানে স্পেস স্টেশন বানিয়ে এই স্পেস স্টেশনকে চীনের বৈজ্ঞানিকরা

নিজেদের মহাকাশ যাত্রার একটি স্টপেজ হিসেবে ব্যাবহার করতে চান।

Loading...