কোচবিহারঃ আগামী দিনে পর্যটনের ক্ষেত্রে নতুন দিশা দেখাবে বর্ডার

সাফারি।  সারা পৃথিবীতে বর্ডার ট্যুরিজম সীমান্ত পর্যটন ক্রমশ জনপ্রিয়

হয়ে উঠতে আরম্ভ করেছে। সেই সঙ্গে আমাদের রাজ্যের প্রান্তিক জেলা

কোচবিহার সাথে লাগোয়া ভারত-বাংলাদেশ দুটি পাশাপাশি বন্ধুরাষ্ট্র

একে অপরের সঙ্গে যাতায়াতের মেলবন্ধন ঘটেছে মেখলিগঞ্জ এর

তিনবিঘায়। এই তিনবিঘাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত পর্যটনের মধ্য দিয়ে

সাইকেলের মাধ্যমে বর্ডার সাফারি 2-3 কিলো মিটার রাস্তা বর্ডার রোড

ধরে শুরু করার পরিকল্পনা প্রস্তাব ইতিমধ্যেই গ্রহণ করছে কোচবিহার

জেলা প্রশাসন।

সম্প্রতি মেখলিগঞ্জে একটি বৈঠক আয়োজিত হয়েছে এ বিষয়ে । বিভিন্ন

মাধ্যম থেকে যে প্রস্তাব উঠেছে এসেছে যারা ডুয়ার্সের লাটাগুড়ি মালবাজার

ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে আসেন সেইসঙ্গে তাদেরকে তিনবিঘা এই

সীমান্ত পর্যটনের সঙ্গে অভিযুক্ত করা যায় তাহলে একটা নতুন দিগন্ত খুলে

যাবে। স্থানীয় মানুষের মধ্যে একটি কর্মসংস্থানের সুযোগও হবে।

সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক স্তরে ও দেশের মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে বলে পর্যটক মহলের

ধারণা তিনবিঘা সম্পূর্ণ বিষয়টি এখন জেলা প্রশাসন সীমান্ত সুরক্ষা

বাহিনী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে

এখন শুধু অপেক্ষা তার পরবর্তীকালে এই বর্ডার এরিয়ার সাইকেল

সাফারির কাজ শুরু হবে বলে আশা করছেন বিভিন্ন মহল।

আগামী দিনে বর্ডার সাফারি জনপ্রিয় হবে

যারা এই কাজের সাথে যুক্ত আছেন তারা মনে করেন যে নিজের দেশের

পাশের দেশকে এই ভাবে দেখার একটি আলাদা আকর্ষণ আছে। তাই এই

বর্ডার সাফারি লোকেদের ভাল লাগবে। বর্তমানে রাজ্য সরকার সারা

রাজ্যে পর্যটনকে লোকপ্রিয় করার ক্ষেত্রে কাজ করে চলেছে। রাজ্যের অনেক

নতূন এলাকায় এই ধরনের সুবিধা হয়ে ওঠার ফলে লোকেরা সেই সমস্ত

জায়গায় বেড়াতে যাচ্ছেন। এতে স্থানীয় রোজগারও বাড়ছে। বিভিন্ন দেশে

এবং ভারতের বিভিন্ন রাজ্য জংগল সাফারি চালু হবার পরে সেটি খুব

জনপ্রিয় হয়েছেষ তাই এলাকা বেড়াতে আসা মানূষদের জন্য এই বর্ডার

সাফারি একটি নতূন আনন্দের বিষয় হবে। এতে পর্যটকদের বেশি দিন এই

এলাকায় রাখা যাবে। পর্যটকরা যত বেশি দিন এলাকায় থাকবে, সেটা

স্থানীয় লোকেদের জন্য অতিরিক্ত উপার্জনের উপায় হয়ে যাবে।


 

Spread the love

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.